১২ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ২৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৩শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-




আওয়ামী লীগের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ!

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : মার্চ ১১ ২০১৮, ১০:১৯ | 969 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

নয়া আলো ডেস্কঃ-  সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাওয়া তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাদের পুলিশের মারধর করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, সেদিন দুপুরে শত শত নেতাকর্মী জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে হাতিরঝিলের ব্রিজের উপর দিয়ে আসতে থাকে। এমন সময় পুলিশ তাদের ব্যারিকেড দেয়। তারপর কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পুলিশ তাদের লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

রাজধানীর প্রতিটি এলাকার মিছিল পুলিশের সহযোগিতায় নির্বিঘ্নে সমাবেশ স্থলে গেলেও তেজগাঁও এলাকার মিছিলটি কেন অনুষ্ঠানস্থলে যেতে দেয়া হয়নি তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল বিতর্ক, আলোচনা-সমালোচনা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা-ইউনেসকো বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব ঐহিত্যের স্বীকৃতি দেয়। সেই ঐতিহাসিক দিনটিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বৃহত্তর গণজমায়েতের প্রস্তুতি নেয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ওই জনসভাকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের শো’ডাউনে পরিণত করতে সর্বশক্তি নিয়োগ করে দলটি। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সেই নির্দেশনায় ঢাকা মহানগরসহ আশপাশের জেলাকে সেভাবেই নির্দেশনা দেয় আওয়ামী লীগ। অনুষ্ঠানের শুরুর আগের রাত থেকেই আসতে থাকে হাজার হাজার নেতাকর্মী। ৭ মার্চের সকাল থেকেই শুরু হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানমুখী মানুষের ঢল। দুপুর নাগাদই ঢাকার প্রতিটি অলিগলি থেকেই বিভিন্ন দলে আসতে থাকে মিছিল।

মহানগরের বেশিরভাগ রাস্তায় ওইসব মিছিলের কারণে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশের সহযোগিতায় রাজধানীসহ আশপাশের জেলার মিছিলগুলো জনসভা মঞ্চে যাওয়ার বিষয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করতে দেখা যায়। কিন্তু দিনভর প্রতিটি মিছিলকে নানাভাবে সহযোগিতা করে মূল অনুষ্ঠান মঞ্চে যেতে সহযোগিতা করলেও ব্যতিক্রম ঘটে তেজগাঁও এলাকার একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে।

কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার অনুসারী কয়েক হাজার যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা থেকে মিছিলটি নিয়ে সোহরাওয়ার্দীতে যাওয়ার সময় হাতিরঝিল এলাকায় পুলিশ ব্যারিকেট দিয়ে আটকে দেয়। মিছিলে অংশ নেয়া নেতাকর্মীরা নানাভাবে বুঝিয়ে অনুষ্ঠান স্থলে যেতে পারেনি।

কী কারণে তাদের যেতে দিচ্ছে না সেটাও পরিস্কার করে পুলিশ বলেনি। নেতাকর্মীরা ক্ষুদ্ধ হয়ে শ্লোগান ধরলেই পুলিশ বেধরক লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

সেই মিছিলে উপস্থিত একাধিক নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, “ঢাকার দুই সিটির বিভিন্ন এলাকা থেকেই বড় বড় মিছিল গেল কাউকে পুলিশ আটকালো না, আমাদের কেন আটকালো। কেন আমাদের উপর পুলিশ লাঠিচার্জ করলো কিছুই বলতে পারছি না।” বঙ্গবন্ধুর শ্লোগান নিয়ে সোহরাওয়াদী যাওয়ার সময় পুলিশ লাঠি দিয়ে পিটিয়ে অনেককে আহতও করেছে।

আরিফ, নয়ন ও সাজুসহ কয়েকজন যুবলীগ কর্মী বলেন, “আমরাতো শিবিরের কর্মী নই কিংবা জঙ্গী মিছিল বের করি নাই তাহলে আমাদের উপর কেন হামলা করলো। শান্তিপূণ মিছিলে কেন এভাবে আটকে দিলো। আর যে প্রোগ্রামে যাচ্ছিলাম সেটা বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মসূচী ছিল।”
ক্ষুদ্ধ কণ্ঠে তেজগাঁও আওয়ামী লীগের একজন প্রবীন নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের কোন মিছিল পুলিশ আটকে দিয়েছে এটা নজিরবিহীন ঘটনা। শুধু আটকানোই নয়- পুলিশের পিটুনিতেই অনেকেই আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের কি অপরাধ সেটা কেউ জানে না।

যোগাযোগ করা হলে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ওসি আব্দুর রশিদ মিডিয়াকে বলেন, “সেই দিনের ঘটনা নিয়ে আমরা কিছুই বলতে পারবো না। যা বলার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টার থেকেই বলবে।”

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি- আলহাজ্ব আবদুল গফুর ভূঁইয়া,সাবেক সংসদ সদস্য, প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET