২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

শিরোনামঃ-

” আর একবার লজ্জায় লাল হবেন”

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : অক্টোবর ২১ ২০১৬, ২২:২৪ | 736 বার পঠিত

ছোটবেলা যখন অক্ষর জ্ঞান হয়নি মনে আছে তখন মজা করে পড়েছিলাম সরে অ সরে আ বগার ঠ্যাং… এরুপ অনেক বাক্য। আজকের দিনে অনেক পত্রিকা ও প্রকাশক সেই সয়ে অ সরে আ বগার ঠ্যাং এর মর প্রকাশনা কাজটিকে মনে করছে। না খেয়াল করছে বাক্য গঠন না করছে বানান সংশোধ। প্রকাশনা কাজটি কি অক্ষর জ্ঞান সেখার মত নাকি হেলায় হেলায় খেলার মত কিছু? প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ও লেখালেখির সাথে সংস্লিষ্ঠ সকলে বাংলা বানানের প্রতি সতর্ক নই কেন? গত এক মাসে বেশ কয়েকটি অনলাইন ও কাগজের পত্রিকা আমার লেখা ছাপিয়েছে। খুব ভাল করে খেয়াল করলাম। অনেক পত্রিকাই মেইলে পাঠানো লেখা কপি পেস্ট করে লেখা ছাপানোর মত মহৎ কাজটি করে যাচ্ছে। বানান ও বাক্যের ভাবগত দিক ঠিক আছে কি না সেদিকে লক্ষ্য রাখছে না। তাতে অনেক ক্ষেত্রেই এক বাক্যের শব্দ অন্য বাক্যে ছুটে যাচ্ছে। এমনকি কোন বানান যদি ভুল রয়ে যায় তা সংশোধন করা হচ্ছে না। এতে একদিকে পাঠকদের যেমন বুঝতে সমস্যা হচ্ছে অন্যদিকে বাক্যের ভাব যথাযথ ভাবে প্রকাশ হচ্ছে না। লক্ষ করালাম অনেক পত্রিকাই নিজের ডোল নিজে পিটিয়ে জানান দিচ্ছে আমরাই প্রথম নির্ভুল বানানে পত্রিকা প্রকাশ করি। কথা প্রসংগে এমন এক সম্পাদককে বললাম আপনাদের পত্রিকায় আমার যে লেখাটি ছাপিয়েছেন তা আপনি কি নিজে ভাল করে পরেছেন? আমার এমন অনাকাঙ্ক্ষিত প্রশ্ন শুনে সম্পাদক সাহেব আশ্চর্য হলেন। তবু বেশ উচু গলায় বললেন কেন নয়! বললাম বানান ভুল হয়েছে লক্ষ করেছেন কি? উনি বললেন কোন ভুল নেই। লেখা প্রুফ রিডিং হয়েছে। আমি বললাম লেখাটি পুনরায় পড়ুন তারপর আমাকে জানান। কিছুক্ষন পর আবার বললেন কোন বানান ভুল নেই। আমি এবার নিজেই এক এক করে তিন চারবার পরে নিলাম দেখলাম আমি সঠিক বলছি কি না। এবার ওনাকে বললাম চতুর্থ লাইনে ভুল আছে। দেখে আমাকে জানান। বেশ কিছুক্ষন পর উনি আমায় জানালেন অনেক ভাল করেই দেখলাম বানান ভুল পেলাম না। আপনি কি আমার সাথে মজা করছেন। এবার আমি বললাম দেখুন তো “তাদের” শব্দটি “তাদেও” লেখা আছে কি না? বেচারা ততক্ষণে লজ্জায় লাল হয়ে গেছে। বলার মত কোন বাক্য না পেয়ে একটি শব্দই উচ্চারণ করলেন “সরি”। আমি নিশ্চিত যে আমার এই লেখাটি পড়ে উনি আর একবার লাল হয়ে যাবেন। তবে আমার এ লেখাটি ওনাকে ছোট করা বা লজ্জা দেয়া কিংবা লাল বানানের জন্য নয়। প্রকাশনার সাথে সংস্লিষ্ঠদের বোঝানোর জন্য যে প্রকাশনা কাজটি এত সহজ ভাবে নেয়ার মত নয়। এখানে একটি বাক্য একটি শব্দ এমনকি একটি বর্ণের ব্যাবহার যথার্থ না হলেই মুস্কিল। তাই কোন লেখা প্রকাশ করার আগে ভালভাবে কয়েকবার পড়ে নেয়া উচিৎ। অন্যথায় দু’এক জন ভুল ভাল লেখার ভুলভাল প্রকাশকের জন্য দিন রাত পরিশ্রম করে যারা প্রকাশনা কাজটি চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের পরিশ্রম বৃথা মনে হবে। তারচেয়ে বরং যারা লেখা প্রকাশনার পেছনে প্রচুর পরিমানে সময় দিতে পারবেন না তাদের এ পেশা বা নেশা থেকে সরে দাড়ানোই উত্তম।
Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4723038আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 2এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET