১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১০ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

শিরোনামঃ-

উন্নতির পথে লিবিয়ার রাজনৈতিক জটিলতা

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : মে ১৯ ২০১৬, ১৭:১৬ | 696 বার পঠিত

মোঃ রফিকুল হায়দার চেীধুরী-

০১- সামনের সপ্তাহের রবিবার থেকে নতুন সরকারের মন্ত্রী পরিষদ রাজধানী ত্রিপলিস্থ নিজ-নিজ মন্ত্রনালয়ের মূল ভবন থেকে কাজ শুরু করছেন। এতদিন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল’ই সকল মন্ত্রনালয়ের কাজ তদারকি করছিল। আনুষ্ঠানিকতার খাতিরে প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল এতদিন অপেক্ষমান ছিল মন্ত্রী পরিষদের ব্যাপারে সংসদের অফিসিয়ালি কনফিডেন্স ভোটের ব্যাপারে। কিন্তু ক্রিমিনাল হাফতারের অনুগত গুটিকয়েক এম.পি ও সংসদের স্পিকারের ধারাবাহিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারণে সেটি হয়ে উঠছিলো না। যদিও কিছুদিন পূর্বে সংসদের ডেপুটি স্পিকার সহ ১২০ জন এম.পি একত্রিত হয়ে মন্ত্রী পরিষদের উপরে তাদের সমর্থন প্রকাশ করে পরিষদকে কাজ শুরু করতে আহ্বান জানিয়েছিলো। দীর্ঘ অপেক্ষার পর যখন অফিসিয়ালি ভোটাভুটির জটিলতা কেটে উঠছিলোনা, এমন পরিপ্রেক্ষিতে আনুষ্ঠানিকতার জন্যে আর অপেক্ষা না করে নতুন প্রধানমন্ত্রী সেরাজ এসপ্তাহের শুরুতে সকল মন্ত্রীদেরকে ত্রিপলিতে এসে নিজ-নিজ কার্যালয় থেকে কাজ শুরু করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। আশা করা যায় এতে মন্ত্রনালয় গুলোর কাজে গতি ফিরে আসবে। এবং তাঁরা লিবিয়ার সমস্যাগুলো নিরসনে একযোগে ভুমিকা রাখতে পারবেন।
উল্লেখ্য যে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল ও সদস্যরা ‘লিবিয়ার রাজনৈতিক চুক্তি’ অনুযায়ী স্বীকৃত এবং জাতি সংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিলে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক চুক্তিটির সাথে ‘বাই ডিফল্ট’ প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল গত ডিসেম্বরেই অনুমোদিত হয়ে গিয়েছে। কেবলমাত্র মন্ত্রী পরিষদের অনুমোদনের জন্যে সংসদের আস্থা ভোটের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সংসদের সংখ্যালঘিষ্ঠ সদস্য কর্তৃক সৃষ্ট জটিলতায় সেটি এতদিন হয়ে উঠেনি।

০২- ব্যাংকগুলোতে চলমান ক্যাশ সংকট নিরসনে ইংল্যান্ড থেকে নতুন ছাপানো প্রায় তিন বিলিয়ন লিবিয়ান দিনার আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ত্রিপোলি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এসে পৌঁছবে। যার প্রভাবে রমজানের পূর্বেই ক্যাশ টাকার সংকট অনেকটুকু নিরসন হয়ে যাবে। খাদ্য-দ্রব্য আমদানিতে প্রয়োজনীয় এল.সি’র অনুমোদন আরো বেশ কিছুদিন আগে থেকেই শুরু হয়েছে। ক্রমেই এটির পরিধি বিস্তৃত করার পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টা চলছে।
এদিকে, কাঁচা বাজারে গরু ও ভেড়ার গোশতের দাম কমতে শুরু করেছে। উভয়টিতেই কেজি প্রতি চার দিনার করে কমেছে। যেটি রমজানের পূর্বে অবশ্যই একটি ভালো সংবাদ।

০৩- ২০১৪ সালের যুদ্ধে পূর্ব ও পশ্চিমে দুইভাগ হয়ে যাওয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ‘ন্যাশনাল অয়েল কর্পোরেশন’ এসপ্তাহের শুরু থেকে ঐক্যমত্যে পৌঁছেছে পুনরায় একত্রে/মিলেমিশে কাজ শুরু করার। যার কারণে ব্যাঙ্কগুলোতে ক্যাশ সংকট নিরসনে পদক্ষেপ নেওয়া এবং তব্রুকের হারিগা অয়েল এক্সপোর্ট টার্মিনাল থেকে ত্রিপলিস্থ মূল দপ্তরের সাথে সমন্বয় রেখে তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু করার ঘোষণার মত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।

০৪- চলতি সপ্তাহে হয়ে যাওয়া লিবিয়া বিষয়ক ‘ভিয়েনা সামিট’এ ইউরোপ ও আমেরিকা লিবিয়ার নতুন সরকারকে সন্ত্রাস নির্মূলে অস্ত্র সহযোগীতা, বিভিন্ন দেশে আটকে থাকা লিবিয়ার সম্পদ ও রিজার্ভ অবমুক্ত করে দেওয়া সহ সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছে। যারাই নতুন সরকারের কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছে।

০৫- সিরত ও তদসংলগ্ন অঞ্চলসমূহকে আই.এস মুক্ত করনের অভিযানে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। ইতিমধ্যে আবুগ্রেইন, জমজম ও আবুনাজিম এরিয়া আই.এস মুক্ত করে নতুন সরকারের অনুগত বাহিনী সিরত শহরের ৫০ কি:মি: এর মধ্যে অবস্থান নিয়েছে। এই অপারেশনের অধিনায়ক আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, আগামী দশ দিনের মধ্যে তাঁরা সিরতকে আই.এস মুক্ত করতে পারবেন! উল্লেখ্য যে, লিবিয়ার নতুন সরকারের অনুগত ও নিরাপত্তা প্রদানের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা সাবেক ‘ফজর লিবিয়া’ অন্তর্ভুক্ত সামরিক ব্রিগেডগুলোর সমন্বয়ে গড়া বাহিনী মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে আই.এস বিরোধী অভিযান শুরু করে। এতে জোয়ারা, সাব্রাতা, জাওয়াইয়া, সরমন, নালুত, গারিয়ান, জান্জুর, ত্রিপোলি, মুসল্লাতা, খোমস, জিলিতন ও মাস্রাতা সহ আরো কয়েকটি শহরের সামরিক ব্রিগেডগুলো থেকে বাছাই করা ইউনিট নতুন সরকারের নির্দেশে ব্রিগেডিয়ার বশির মোহাম্মদের নেতৃত্বে একীভূত হয় লিবিয়ায় আই.এস এর সর্বশেষ ঘাঁটি সিরত ও তদসংলগ্ন অঞ্চল সমূহকে মুক্ত করতে। যুদ্ধে এই পর্যন্ত নতুন সরকারের অনুগত বাহিনীর ৩০ জন সদস্য শাহাদাত বরণ করে ও আরো প্রায় শতাধিক সৈন্য আহত হয়। গতকাল একদিনেই একটি স্পটে আই.এস বাহিনীর করা গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে মিস্রাতা বাহিনীর ১৮ জন সদস্য নিহত হয়। সর্বমোট গত দেড় বছরে আই.এস বিরোধী অভিযানে ও বিভিন্ন সময়ে তাদের অতর্কিত আক্রমনে সাবেক ‘ফজর লিবিয়া’ অন্তর্ভুক্ত মিস্রাতান এলাইড ফোর্সের তিনশরও অধিক সৈন্য নিহত হয়।

০৬- অন্য দিকে বহুল আলোচিত ও সমালোচিত চরিত্র বীর বাহাদুর হাফতার কোথায়?!! সে কিছুদিন পূর্বে সিরত থেকে আই.এস নির্মূলের বিশেষ অভিযান ঘোষণা করে রাস্তা ভুল করে চলে গিয়েছে পূর্বাঞ্চলের দার্না শহরে! যেই শহরটির লোকজন প্রায় এক বছরে অনেক কষ্ট ও ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে তাদের শহরকে সম্প্রতি আই.এস মুক্ত করেছিল। আই.এস মুক্ত হয়েই সেখানকার মূল সামরিক ব্রিগেড লিবিয়ার নতুন সরকারের প্রতি সমর্থন/আনুগত্য ব্যক্ত করে। এই শহরের লোকজন একই সাথে সে সময়ে হাফতার বাহিনী ও আই.এস বাহিনীর যৌথ আক্রমন প্রতিহত করে আই.এস বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজয় অর্জন করে। বর্তমানে হাফতার বাহিনীর বিমানের রাডারে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় বিমান গুলো খালি ভুল করে সিরতে না গিয়ে দার্নায় চলে যায় এবং দার্নাকে সিরত ভেবে নিয়মিত বম্বিং করে চলেছে সেটি দখল করার জন্যে! wink emoticon সম্প্রতি তব্রুক শহরের কাবিলা প্রধানেরা একটি কনফারেন্সে ‘দার্না শহরকে’ শহরবাসীদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকতে দিতে ও হাফতার বাহিনীকে সেখানে আক্রমন না চালাতে আহ্বান জানিয়েছিলো।
এই একটি শহরই হাফতারের গোপন এজেন্ডা ‘বার্কা খেলাফত’ প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে বড়/শক্ত বাধা (অর্থাত লিবিয়া দুই ভাগ করার)! এটির পতন ঘটাতে পারলে মিশরের খলিফা সিসি ও আরব আমিরাতের সমর্থনে হাফতার হবে ‘বার্কা কিং বা খলিফা’! এটি তার স্বপ্ন! কিন্তু তার বাহিনীর ভেতরে ইতিমধ্যেই ফাটল ধরা, বেনগাজি সম্পূর্ণ দখল করতে না পারা, সমর্থকদের মধ্যে লিবিয়ার ঐক্যের পক্ষে একটি অংশের চলে আসা ও নতুন সরাকরের পক্ষে পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি সিটি কাউন্সিল সমর্থন প্রকাশ করা ইত্যাদি বিষয়গুলো মোকাবেলা করে সে তার ‘কিং’ হওয়ার স্বপ্নকে বাস্তবে কতটুকু সফল করতে পারে সেটিই এখন দেখার বিষয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছে চলমান অভিযানে সিরত আই.এস মুক্ত হয়ে গেলে হাফতারের পক্ষে তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন আর সম্ভব হবেনা। মধ্যাঞ্চল থেকে পূর্বাঞ্চলে নতুন সরকারের অনুগত সামরিক ব্রিগেডগুলোর সমন্বিত চাপের মুখে পড়তে হবে তাকে এবং আনুগত্য না প্রকাশ করার কারণে একই সাথে নতুন সরকার কর্তৃক বহিষ্কৃত হওয়ার বিষয়টিও তার জন্যে অপেক্ষা করছে।

** সিরত গাদ্দাফি সমর্থকদের একটি শক্ত ঘাঁটি। অর্থাত এই সিটির প্রতিটি কাবিলাই গাদ্দাফির অনুগত। অন্যদিকে হাফতারের বাহিনীর অধিকাংশ সদস্যই হচ্ছে গাদ্দাফির সমর্থক, এবং হাফতারের ফার্জানি কাবিলার একটি বিশাল অংশ সিরতে থাকে। এই সব সমীকরনেই হাফতার ও তার বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হওয়ার কথা ছিল সিরত’কে আই.এস মুক্ত করতে আরো আগেই এগিয়ে আসা! যেহেতু এই শহরের অধিবাসীরা রাজনৈতিকভাবে মূলত হাফতার ও তার বাহিনীরই সমর্থক। কিন্তু দেখা গেলো উল্টো চিত্র! রাজনৈতিক দিক থেকে সিরতবাসীদের মূল বিরোধী শক্তি ‘মিস্রাতান এলাইড ফোর্স’গুলোই শুরু থেকে সেখানে আই.এস এর বিরুদ্ধে লড়েছে এবং বর্তমানেও লড়ছে ও শয়ে-শয়ে মরেছে! গতবছর হাফতারের নিজ কাবিলা ফার্জানি’র সদস্যরা যখন আই.এস বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ও উভয় সরকারের কাছেই সাহায্যের আবেদন জানায়, তখনও ত্রিপলী ও মিস্রাতা থেকে জঙ্গি বিমান উড়ে গিয়ে কয়েকটি স্পটে আই.এস এর উপরে হামলা চালালেও হাফতার বাহিনী ছিল নির্বিকার! সেই বিদ্রোহে ফার্জানি কাবিলা নির্মম ভাবে আই.এস এর হাতে পরাজিত হয়।

** হাফতারের দাবি অনুযায়ী সে বেনগাজিতে আই.এস সদস্যদের বিরুদ্ধে লড়ছে এবং এখনো লড়ছে এবং কয়েকটি স্পটে তাদেরকে পরাজিত করেছে। কিন্তু দার্না শহরে পরাজিত হয়ে যখন আই.এস বাহিনী ৬০টি গাড়ির বহর নিয়ে পালাচ্ছিলো, তখন আই.এস এর সেই অংশটি তাদের নিকটবর্তী বেনগাজিতে তাদের দুর্বল হয়ে পড়া সহকর্মীদের শক্তি বৃদ্ধি করতে না গিয়ে শত-শত কি:মি: পাড়ি দিয়ে সিরত চলে গেলো কেন সেটিও একটি বিরাট রহস্য! পালিয়ে যাওয়া আই.এস বাহিনীর সেই অংশটিই দার্না শহরের বাহিরে নিকটবর্তী অঞ্চলে ঘিরে থাকা হাফতার বাহিনীর বেষ্টনী অতিক্রম করেছিল কোনরূপ প্রতিবন্ধকতা কিংবা চ্যালেঞ্জ ব্যতিরেকেই, এটিও এক বিরাট রহস্য! রাজনৈতিক বিশ্লেষক, অয়েল ফ্যাসিলিটিজ গার্ড, পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি শহরের মেয়র ও জাতিসংঘে নিযুক্ত লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত এই বিষয়টিতে বিস্ময় ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল! এর আগেও সে আই.এস বাহিনীকে সহযোগীতা করেছে যখন তারা পেট্রোলিয়াম ফ্যাসিলিটিজ গার্ড’কে আক্রমন করেছিলো রাস্লানুফ দখল করার জন্যে। আই.এস’কে বাদ দিয়ে তার বিমান তখন উড়ে গিয়ে একাধিকবার আঘাত হেনেছিলো পেট্রোলিয়াম ফ্যাসিলিটিজ গার্ড এর অবস্থানের উপরে! যদিও সেবারও তার ষড়যন্ত্র সফল হয়নি।
হাফতারের আই.এস প্রীতি এখানেই থেমে থাকেনি। বর্তমানেও যখন সিরত ও তদসংলগ্ন অঞ্চলসমূহকে আই.এস মুক্ত করনের অভিযান শুরু হয়েছে নতুন সরকারের অনুগত বাহিনীর নেতৃত্বে। তখন আই.এস ও হাফতার বাহিনী সিরতের নিকটবর্তী জাল্লাহ ও জুফরাহ শহর একই সময়ে আক্রমন করেছে নতুন সরকারের অনুগত বাহিনীর উপরে। সেখানে এখনো যুদ্ধ চলছে।

** অবশ্য আল্লাহর দেওয়া শাস্তিতে গত কয়েকদিনে হাফতারের তিনটি বিমান তব্রুক এয়ার বেইজে নামতে গিয়ে আপনা-আপনিই বিদ্ধস্ত হয়! গতকালও একটি মিগ-২৯ জঙ্গি বিমান একইভাবে সেখানে নামতে গিয়ে বিদ্ধস্ত হয়!

০৭- লিবিয়া প্যানোরামা চ্যানেলের সাথে গতকাল দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে লিবিয়ায় নিযুক্ত জাতিসংঘের প্রতিনিধি মার্টিন কোব্লার বলেছেন, “আই.এস নয়, বরং রাজনৈতিক বিভাজনই হচ্ছে লিবিয়ার প্রধান শত্রু”!! [তার এই বক্তব্যে কোনো-কোনো মাথা মোটা দর্শক/বিশ্লেষক তাকে আবার আই.এস এর সহযোগী বলে আখ্যায়িত করে কি না, আল্লাহই ভালো জানে!]
কোব্লার আরো বলেছেন, “সংসদের স্পিকার ও তাঁর সমর্থকদের বিভাজনের পথ পরিহার করে নতুন প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনায় বসে সংকট নিরসনে উদ্যোগী ভুমিকা পালন করা উচিত।”
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “লিবিয়ার নতুন অধ্যায়ে হাফতারের কোনো ভুমিকা থাকবে কি থাকবে না, সেটি নির্ধারণ করবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল।”

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4719681আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 0এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET