এম দুলাল আহাম্মেদ,গুইমারা(খাগড়াছড়ি)প্রতিনিধি:
সমন্বিত প্রচেষ্ঠার মধ্য দিয়েই উন্নয়ন কর্মকান্ড ত্বরান্বিত হয়।দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সমন্বিত ঐক্য জরুরী।উন্নয়নের মহাসড়কে সকলকেই কাধে কাধ মিলিয়ে চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে এবং উন্নয়নের সুফল প্রান্তিক মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।গুইমারা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশ,তিন দিন ব্যাপি ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা-২০১৮ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে গুইমারা রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একে এম সাজেদুল ইসলাম এএফডব্লিসি, পিএসসি,জি একথা বলেন।
শনিবার(৬অক্টোবর)বিকাল ৫টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়ার সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিতি ছিলেন,খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজুরী চৌধুরী,সিন্দুকছড়ি জোন কমান্ডার লে:কর্ণেল:রুবায়েত মাহমুদ হাসিব পিএসসি জি,গুইমারা সাবজোন কমান্ডার ক্যাপ্টেন মুফতি মাহমুদ জয়,উপজেলা আ:লীগ সাধারণ সম্পাদক ও গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেমং মারমা,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিজ ঝর্ণা ত্রিপুরা,সিন্দুকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রেদাক মারমা,মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো,জিল্লুর রহমান,গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: গিয়াস উদ্দিন,গুইমারা কলেজের অধ্যক্ষ জনাব মো: নাজিম উদ্দিন,গুইমারা মডেল স্কুলের শিক্ষক জনাব মো:বাবলু হোসেন প্রমুখ।
বিশেষ অতিথি বক্তব্যে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেন,বর্তমান সরকারের অব্যাহত উন্নয়নের কারনে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়িয়েছে।দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় তিন পার্বত্য জেলায় ব্যপক উন্নয়ন হয়েছে।উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আওয়ামীগকে আবারো ক্ষমতায় আনতে হবে।
অন্যদের মধ্যে সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার,জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিক,গুইমারা উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী,শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং গুইমারা উপজেলার সর্বসাধারণসহ স্থানীয় উপস্থিত ছিলেন।পরে মেলার অংশগ্রহন কারীদের হাতে ক্রেষ্ট ও উপহার তুলে দেন প্রধান অতিথি।প্রধান অতিথির সম্মানার্থে এলাকার মৌসুমি ফল বিতরন করেন উপসহকারী কৃষি অফিসার মুজিবুর রহমান এবং আবদুর রহিম মজুমদার।
উল্লেখ্য,মেলায় উপজেলা বিভিন্ন দপ্তর সহ মোট ১৯টি ষ্টল তাদের সেবা ও সরকারের উন্নয়নের নানাবিধ চিত্র তুলে ধরে।মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কুইজ,আলোচনা,বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।









