২৪শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ৯ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-

ওবামার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী- শরণার্থী ইস্যুতে মিয়ানমারের সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : সেপ্টেম্বর ২২ ২০১৬, ০৬:০৬ | 644 বার পঠিত

32514_hasinaনয়া আলো ডেস্ক- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মিয়ানমারের শরণার্থী ইস্যুর  সমাধানে উপায় বের করতে দেশটির নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, আমরা এই ইস্যুর সমাধানে উপায় বের করার কাজে মিয়ানমারের নতুন নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে আছি। আমি ইতিমধ্যে এ বিষয়ে অং সাং সুচিকে কিছু আভাসও দিয়েছি। মঙ্গলবার অপরাহ্ণে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিল চেম্বারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আয়োজিত ‘লিডারশিপ সামিট অন রিফিউজস’ অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের শরণার্থী ইস্যুতে সম্পৃক্ত হওয়ারও আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কাউকে পেছনে ফেলে না রাখার আমাদের যে অঙ্গীকার তা বাস্তবায়নে আমাদেরকে অবশ্যই জনগণকে সুশৃঙ্খল, নিরাপত্তা, নিয়মানুবর্তিতা ও দায়িত্বের প্রতি উন্নয়ন সাধনে কাজ করতে হবে। গত তিন দশকে মিয়ানমার থেকে আসা বিপুল সংখ্যক শরণার্থী ও উদ্বাস্তুকে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা ওই মানুষদের দায়িত্ব বহন করে চলেছি। আমাদের স্থানীয় জনগণ তাদেরকে (শরণার্থী) আশ্রয় প্রদান ও সহযোগিতার জন্য জায়গার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। যদিও এতে বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের শরণার্থীদের ক্যাম্পগুলোতে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও দক্ষতার বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছে। তাদেরকে উন্নত মানের আশ্রয়স্থলের ব্যবস্থা ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্যও মনোযোগ দেয়া হবে। শেখ হাসিনা বলেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা অন্যদের ব্যাপারেও সম্প্রতি একটি জরিপের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমরা তাদেরকে ‘তথ্য কার্ড’ শীর্ষক পরিচয়পত্র প্রদানের জন্যও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এই পরিচয়পত্র ন্যায়বিচার, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও অন্যান্য সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে তাদের জন্য সহায়ক হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ ও পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সদর দপ্তরে কনফারেন্স ভবনে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন প্রদত্ত ভোজসভায় অংশ নেন।
বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসায় বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট: এদিকে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ড. জিম ইয়ং কিম আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়নের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে বলেছেন, দেশটির দারিদ্র্য হ্রাস ও নারীর ক্ষমতায়ন তাকে বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে। মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার হোটেলে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি সবসময় প্রতিটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সাফল্য গাঁথা তুলে ধরে থাকি।’ কিম বলেন, দারিদ্র্য হ্রাস ও নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের বিস্ময়কর অর্জন অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বলেন, তার সংস্থা বাংলাদেশের সঙ্গে কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে এবং তিনি আগামী মাসে ঢাকা সফরের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। কোনো দেশ বা উন্নয়ন সংস্থা বিশেষ করে নদী শাসন বা অন্য কোনো পরিকল্পনা বা প্রকল্প গ্রহণের সময় তার সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে গ্রহণ করা হলে পরিকল্পনা বা প্রকল্পটি বাংলাদেশের জন্য যথোপযুক্ত হবে। কারণ, আমরা আমাদের প্রয়োজনগুলো বুঝি।’ বিভিন্ন খাতে তার সরকারের অর্জন তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার জ্বালানি খাত ও নদী খননের ওপর অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিবিআইএন ও বিসিআইএম ইকোনমিক করিডোরের ব্যাপারে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব পদক্ষেপ এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষাখাতে বাংলাদেশের সাফল্যের কথা তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, তার সরকারের বিভিন্নমুখী পদক্ষেপের ফলে রাজনীতিতে বাংলাদেশের নারীদের অংশগ্রহণের ধারা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সংসদে ২১ নারী সদস্য সরাসরি নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের মতো স্থানীয় সরকারগুলোতে ৩০ শতাংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ প্রশাসন, বিচারবিভাগ, শিক্ষা, সশস্ত্রবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীসহ অন্যান্য সকল খাতেও নারীর মর্যাদাকে উঁচু স্তরে নিয়ে গেছে। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, মুখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ ও সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে নারীর কর্মক্ষেত্রকে প্রসারিত করার তাগিদ: ওদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীদের জন্য টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণের লক্ষ্যে সুযোগ সম্প্রসারণ এবং কর্মক্ষেত্রকে প্রসারিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুমে ‘ওমেনস লিডারশিপ অ্যান্ড জেন্ডার পার্সপেক্টিভ অন প্রিভেন্টিং অ্যান্ড কাউন্টারিং ভায়োলেন্স এক্সট্রিমিজম’বিষয়ক সাইড ইভেন্টে বক্তৃতাকালে প্রধানমন্ত্রী এ তাগিদ দেন। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সোলবার্গ-এর আমন্ত্রণে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের নারীর কর্মক্ষেত্রকে প্রসারিত করার মাধ্যমে সকলের জন্য টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে কাজ করে যেতে হবে। আমার বিশ্বাস যে সমাজ নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্র সৃষ্টি করে সেখানে সহিংস চরমপন্থার কোনো জায়গা নেই। আমরা অবশ্যই টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য ক্ষেত্র আরো প্রসারিত করা অব্যাহত রাখবো। সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থা সভ্য সমাজকে লাঞ্ছিত করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতি মর্যাদাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ‘আমরা অবশ্যই আমাদের অবস্থান থেকে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবো। উগ্র চরমপন্থা প্রতিরোধে নারীদের অংশগ্রহণ এবং নারী নেতৃত্বের অন্তর্ভুক্তির নতুন পরিকল্পনায় সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সবার জন্য শিক্ষানীতিতে বিশ্বাসী, বিশেষ করে নারীদের জন্য এবং এটাই সমাজ থেকে সন্ত্রাস এবং উগ্র চরমপন্থা হটানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। তিনি বলেন, আমি আমাদের মায়েদের এক একজনকে তাদের সন্তানদের জন্য রোল মডেল হিসেবে নিজেকে উপস্থাপনের জন্য উৎসাহিত করে থাকি। সামপ্রতিক সময়ে উগ্র সন্ত্রাসবাদে নারীদেরকে সম্পৃক্ত করার নতুন এক ধরনের অপচেষ্টা শুরু হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও উগ্র চরমপন্থার বিরুদ্ধে তার সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বিষয়টি তুলে ধরেন। বলেন, কি কারণে এসব নারীরা ভুল পথে প্রলুব্ধ হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি গোঁড়ামী প্রবণতা ও সহিংস চরমপন্থা রোধে সবার জন্য শিক্ষা বিশেষ করে মেয়েদের জন্য শিক্ষা একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিসহ তার সরকারের গৃহীত বিভিন্ন নারীর উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট করেই বলেন, সন্ত্রাসীর একটাই পরিচয়, সে সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসীর কোনো জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নেই। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ‘গ্লোবাল কমিউনিটি অ্যাংগেজমেন্ট অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফান্ড’র (জিসিইআরএফ) সঙ্গে মিলে তার সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন। সেখানে তিনি বলেন, সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী নারী সদস্যরা সহিংস চরমপন্থা প্রতিরোধে নীতি প্রণয়নে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছে। সংঘাত নিরসনে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় আরো সক্রিয় হতে তার সরকার তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গ্লোবাল কমিউনিটি এনগেজমেন্ট অ্যান্ড রেজিলেন্স ফান্ডের (জিসিআরআইএফ) সঙ্গে প্রকল্প গ্রহণ করেছে। সেখানে নারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও অনুষ্ঠানে এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ডা. দীপু মনি উপস্থিত ছিলেন।
‘প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ ও ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ এবং ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। বলেন, জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ইউএন প্লাজায় ২১শে সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ২২শে সেপ্টেম্বর ভোরে) জাতিসংঘ উইমেন ‘প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ এবং গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরাম ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করবেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে নিউ ইয়র্ক রয়েছেন। ২১শে সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় (বাংলাদেশ সময় ২২শে সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৫টায়) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ হলে ৭১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেবেন তিনি।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4643560আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 4এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET