কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার ফারাকপুর রেলগেটে বিছালী বিক্রির পাওনা মাত্র ৩৬৫ টাকা চাওয়ার অপরাধে পিতা-পুত্রকে পিটিয়ে রক্তাক্ত আহত করা হয়। ঘটনার ১৪ দিনের মাথায় শুক্রবার ১৩ ডিসেম্বর মানিক সর্দার (৫২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
ভেড়ামারা থানা সুত্রে জানা গেছে, ভেড়ামারায় বিচালি বিক্রির বকেয়া টাকা চাইতে এসে দেনাদারের পোষ্য ক্যাডারদের হামলায় গুরুতর জখম হন পিতা মানিক ও পুত্র মাসুম। চিকিৎসার জন্য পিতা-পুত্র ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। গত মাসের ২৯ তারিখে এই হামলার ঘটনার বিষয়ে ঐদিনই ভেড়ামারা থানায় ভুক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।এদিকে প্রভাবশালী পরিবারের লোকজন আসামী হওয়ায় আসামি পক্ষের তদ্বিরের কারনে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা অসম্পূর্ণ থাকা অবস্থায় রিলিজ করে দেয়া হয় মুমূর্ষু মানিককে। আসামীদের বেদম ও এলোপাতাড়িভাবে মারপিটের ধকল সহ্য করতে না পেরে মানিক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। নিহত মানিক মিরপুর থানার খাদিমপুর গ্রামের মৃত আফসার সরদারের পুত্র। মানিকের ছেলে মাসুম এখনো তার ভাঙা হাতে ব্যান্ডেজ নিয়ে অসুস্থ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।নিহতের পুত্র ও গুরুতর আহত যুবকের ভাই সুজন জানান, ভেড়ামারা উত্তর রেল গেটে রেজ্জেকের কাছে পাওনা টাকার জন্য তাগাদায় গেলে রেজ্জেকের আহ্বানে রেজ্জেকসহ রিজভী মৃধা, নিশান মৃধা ও শোভন মৃধা এবং তাদের সহযোগী অজ্ঞাত আরো ৩/৪ জন তার পিতা ও ভাইকে ঘিরে ধরে এবং লোহার রড, বাঁশের লাঠি, বাটাম দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সজোরে আঘাত করে। এতে তার ভাই মাসুমের ডান হাত ভেঙ্গে যায় এবং পিতা মানিক মাথায় সহ সর্বাঙ্গে জখম অবস্থায় দ্রত তাদেরকে পার্শ্ববর্তী ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।









