ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ভোমরাডাঙ্গা মৌজায় ১২ বছর ধরে ভোগ দখলে থাকা লক্ষিপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের জমির ধান জোরপুর্বক কেটে নেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কোটচাঁদপুরের দোড়া ইউনিয়নের লক্ষিপুর গ্রামের মাহাজ্জেল আলীর ছেলে আশরাফুল ও ইউসুফ আলীর ছেলে হারুনসহ অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের নিয়ে সন্ত্রসী কায়দায় জমির পাকা ধান কেটে নেওয়ার চক্রান্ত করলে আদালত থেকে ১৪৪ ধারা জারী করা হয়। ১৪৪ ধারা মামলার আরজি সুত্রে জানা গেছে, লক্ষিপুর গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের ছেলে আব্দুস সাত্তার ও মফিজুল ইসলাম তার পিতার কাছ থেকে ২০০৪ সালে ৫ নং ভোমরাডাঙ্গা মৌজার ৬০২ সাবেক দাগের ১ একর ৩৮ শতক জমি কিনে ভোগ দখল করতে থাকেন। খলিলুর রহমান মৃত্যু বরণ করলে এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা মোকদ্দমা হয়। পরবর্তীতে এই জমি আব্দুস সাত্তারের অনকুলে ছলে সুত্রে ডিগ্রী হয়। এ বছর আব্দুস সাত্তারের বর্গা চাষি বাবলু ও মজিবর ওই জমিতে ধান রোপন করেন। ধান পেকে গেলে গত ২৫ নভেম্বর তারা কাটতে যান। সে সময় দ্বিতীয় পক্ষ আশরাফুল ও হারুন সন্ত্রাসী কায়দায় জমির পাকা ধান কেটে নিতে যায়। তারা আব্দুস সাত্তারকে খুন জখমের হুমকী দিয়ে গোটা জমি দখল করে নেওয়ার হুমকী দিলে আব্দুস সাত্তার আদালতের স্মরানাপন্ন হন। ২৬ নভেম্বর ঝিনাইদহের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুস সাত্তারের নালিশী জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে কোটচাধপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। আব্দুস সাত্তার অভিযোগ করেন তার সৎ ভাইয়ের করা দলিল সুত্রে আশরাফুল আমার জমি দখল করতে চাই। কিন্তু সেই দলিল আদালত কর্তৃক বাতিল হয়ে গেছে। পরে আশরাফুল ও হারুন অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের নিয়ে জমির পাকা ধান কেটে নিতে যায়। তারা আব্দুস সাত্তারকে খুন জখম ও গোটা জমি দখল করে নেওয়ার হুমকী দেই।









