১৭ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ৩রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৬ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • অপরাধ দূনীর্তি
  • খুলনার ক্ষুদের খাল অবৈধ দখলদারদের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে খাল খননের প্রক্রিয়া

খুলনার ক্ষুদের খাল অবৈধ দখলদারদের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে খাল খননের প্রক্রিয়া

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : অক্টোবর ৩০ ২০১৬, ০৮:৩৬ | 659 বার পঠিত

মেহেদী হাসান,খুলনাঃ-

মহানগরী খুলনার জলাবদ্ধতা নিরসণে সাড়ে ৫ কিলোমিটার ক্ষুদের খাল খননে ফের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অতিরিক্ত পানির মধ্যে থেকে ভাসমান বার্জারের মাধ্যমে ভরাট হওয়া পলি ও ময়লা উঠানোর আগেই ওই পলি ফের পানিতেই ভেসে যাচ্ছে। অপর দিকে অবৈধ দখলদারদের কারণেও পুরো খনন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বিফলে যেতে বসেছে খুলনার জলাবদ্ধতা নিসরনে সিটি কর্পোরেশনের নেয়া এ উদ্যোগ। অবশ্য এ কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেছে কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ। তারা বলছেন, নিয়ম অনুয়ায়ী খাল খনন করা হচ্ছে। কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নগরীর বয়রা শ্মশানঘাট সেতু বিভক্ত করেছে ময়ূর নদ ও ক্ষুদে খালকে। নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা ১৭টি ড্রেনের পানি ক্ষুদে খাল ও ময়ূর নদীতে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে খননের অভাবে খাল দু’টি ভরাট হয়ে যায়। নগরীকে জলাবদ্ধতামুক্ত রাখতে নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ময়ূর ও হাতিয়া নদী এবং ক্ষুদে খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর মধ্যে ময়ূর ও হাতিয়া খননের ব্যয় ছিল ১৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। জানা যায়, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে আসায় ২০১৫ সালের অক্টোবরে ক্ষুদে খাল খনন, খালের পাশে দেয়াল নির্মাণ ও ৩টি কালভার্ট নির্মাণের জন্য দরপত্র আহŸান করা হয়। ওই বছরের ৭ ডিসেম্বর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নূর এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে খাল খননের জন্য ১ কোটি ২ লাখ, দেয়াল নির্মাণের জন্য ১ কোটি ৬৯ লাখ এবং কালভার্ট নির্মাণের জন্য ৩৯ লাখসহ মোট ব্যয় ধরা হয় ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে ৪ কিলোমিটার সাইড প্রটেকশন ও ৩টি কালভার্ট নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। আর বর্তমান খাল খননের কাজ চলমান অবস্থায় রয়েছে। এদিকে আজিজুল ইসলাম ও কাওছার মোল্লাসহ আরও একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করে বলছেন, ক্ষুদের খাল খননে অনিয়ম হচ্ছে। যথাযথ প্রক্রিয়ায় হচ্ছে না। কারণ অতিরিক্ত পানির মধ্যে ভাসমান বার্জারের মাধ্যমে ভরাট হওয়া পলি ও ময়লা উঠানোর আগেই ওই পলি ফের পানিতেই ভেসে যাচ্ছে। তারা আরও জানান, খালের বেশির ভাগ জায়গা বেদখল হয়ে গেছে। এ অবস্থায় কোন সার্ভের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ ছাড়া সঠিকভাবে এ খনন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব না। প্রকল্পের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন জানান, নদী খননের কাজ শুরু হয়েছে গত আগস্ট মাস থেকে। এবার ড্রেজার বাদ দিয়ে শুরু থেকেই স্কেভেটর দিয়ে খাল খনন করা হচ্ছে। কিছু খননের পর খালে পানি প্রবাহ শুরু হওয়ায় ঠিকাদার নিজস্ব উদ্যোগে ভাসমান স্কেভেটর তৈরি করেন। তা দিয়েই খালের অর্ধেক অংশ খনন করা হয়েছে। এতে খনন কাজ দৃশ্যমান হচ্ছে। কোন অনিয়ম হচ্ছে না। তবে গতকাল নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ছয়ফুদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4577134আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 3এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET