এম দুলাল আহাম্মেদ,গুইমারা(খাগড়াছড়ি)প্রতিনিধি:
গুইমারা উপজেলায় আ¤্রপালি,রাংগোয়াসহ বিভিন প্রজাতির আমের বাগান রয়েছে।এসব বাগানের আম খেতে খুবই সুস্বাদু এবং ফরমালিন মুক্ত হওয়ায় এই আমের চাহিদা রয়েছে দেশজুড়ে।মাত্র কিছুদিন আগে গুইমারা উপজেলার আ¤্রপালির বাগান গুলোতে মনকাড়ানো আ¤্রমুকুলের শোভা পাচ্ছিল। কৃষকরা আশা করেছিল এবছর আমের বাম্পার ফলন হবে। মুকুলের সমারোহে চাষিদের মুখে হাসিও ফুটেছিল।কিন্তু বৈরি আবহাওয়া আর বৃষ্টির কারনে কৃষকের হাসি মাখা মুখ অ¤্রান করে দিয়েছে।এ দুটি উপজেলার শত শত একর আম বাগানের আম গাছে এ বছর গুটি আসেনি।যেসব গাছে আমের গুটি এসেছিল তাও ঝড়ে পড়ছে।শুধু আছে বোটাগুলো।বেশির ভাগ গাছে গজিয়েছে নতুন পাতা।
চাষিরা জানান, অনেক গাছে আমের মুকুল আসার পরে আম ব্যবসায়ীদের কাছে বাগান বিক্রি করে দেন। আবার অনেকে আমের গুটি আসার পরে বাগান বিক্রি করে দেন।আবহাওয়া অনুকূল হলে আমের ফলন ভালো হয়।আর বৈরি হলে লোকসানের সম্মুখীন হতে হয় ।্এ বছর প্রথমে অতি ঘড়া, পড়ে বৃষ্টির কারনে মুকুল ঝড়ে গেছে,গুটি আসেনি।সারা বছর একটি মাত্র ফসলের জন্য চাষিরা অপেক্ষা করলেও বৈরী আবহাওয়ার এমন চরিত্রে এখন নিরুপায় কৃষকরা।
আমের বাগান কিনতে আসা মো. মাসুদ জানান, আমের বাগান কিনতে এসেছি। কিন্তু বাগানগুলোতে আশানুরুপ ফল দেখছি না। দেখি বাগান কিনতে পারি কিনা।এদিকে,পাহাড়ে আমের উৎপাদন কম হওয়ায় ক্রেতাদেরকে এ বছর অধিক দামে আম ক্রয় করতে হতে পারে বলে ধারনা অনেকের।
কৃষকদের অভিযোগ,কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে গিয়ে কৃষকদের সকল সমস্যা ও সমাধান নিয়ে কাজ করার কথা থাকলেও এ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন না,এ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তারা।কোনো রকম সাহায্য-সহযোগিতাতো দুরের কথা,কোনো কর্মকর্তা বা মাঠ পর্যায়ের কর্মীদেরকেও দেখেননি কৃষকরা।কৃষিবিভাগ আমের বাগান পরিচর্চার জন্য সময়মত কৃষকদেরকে পরামশ্য দিলে এ সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও রক্ষা পেতেন কৃষকরা।এমন অভিমত কৃষকদের।
গুইমারা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি মো: শাহ আলম কৃষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন বৈরী আবহওয়া এবং কৃষকদের অসতর্কতার করনে সঠিক সময়ে বাগানের পরিচচর্]া করতে না পারায় এবছর গাছে মুকুলে সমারোহ থাকলে গুটি কম হয়েছে।চাষিদেরকে নিয়মিত কৃষি পরামর্শ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।









