১লা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-

গ্রাম বাংলার প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য্যরে দাবিদার কাশফুল এখন আর চোখে পড়ে না

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : আগস্ট ১৮ ২০১৬, ০০:০১ | 662 বার পঠিত

20160816235415উজ্জ্বল রায় ,নড়াইল জেলা প্রতিনিধি-  গ্র্রাাম বাংলার প্রকৃতির অপরুপ শোভা ও সৌন্দর্য্যরে অধিকারী কাশবন এখন আর চোখে পড়ে না। কালের বিবর্তনে বিলুপ্তির পথে কাশফুল। যুগযুগ পেড়িয়ে গেলেও গ্রামবাংলার নদ-নদীর ধার, ঝোপ-ঝাড়, জঙ্গল, পুকুর, খাল-বিল, তবে নড়াইল জমিদার বাবু দের সর্বমঙ্গলা কালিবাড়ি সামনে একটি ভিসাল বড় ঈদগাঁহ মাঠে ও ফাঁকা জায়গায় পথচারীদের দৃষ্টি কারটে কাশফুলের হালকা বাতাস জেন দোলা দেয় সবার হ্নদয়কে। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জল রায়ের পাঠানো তথ্য ও ছবির ভিততে জানাজায় রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে মানুষের হ্নদয় ছুয়ে যেত কাশফুলের সৌন্দর্য্যরে। মনটা বেশ খুশিতে থাকত। খোলা আকাশে উড়ে যেত নানা প্রজাতির পাখি। বহুযুগ থেকে ’সহ বিভিন্ন এলাকায় রহরহ কাশফুল ফুটলেও এখন আর চোখে পড়ে না চিরচেনা কাশফুলের এমন দৃশ্যে। ফলে অনেকে কাশফুলকে ভুলতে বসেছে। তবে নড়াইল জমিদার বাবু দের বিভিন এলাকা জুড়ে বড় বড় ভিসাল কাশফুল ফুটতে দেখা গেছে এলাকায় কাশফুলের দৃশ্যে চোখে পড়েছে। সেশময়ে একটি ঈদগাঁও মাঠে কাশফুল ফুটতে দেখে। মনটা নাড়া দেয়। সে তৎক্ষনিক ক্যামরাবন্দী করেন কাশফুলের এমন দৃশ্যে’কে। অন্যদিকে এবছরে বিভিন্ন এলাকায় কাশফুল ফুটেছে। তবে আইন-শৃংঙ্খলা উন্নয়নে রাস্তায় চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই রোধে রাস্তার দু’পার্শ্বে কাশফুল কেটে পরিষ্কার করা রয়েছে এমনটায় জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল। তারা আরো জানান, কাশফুলসহ রাস্তার দু’পার্শ্বে জঙ্গল ও আগাছা পরিষ্কার থাকলে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও সড়ক দূর্ঘটনা কমে যাবে। এছাড়াও গ্রামবাংলার কাশফুল গাছ শুকিয়ে ঘরের বেড়া ও ছাউনি হিসাবে ব্যবহার করা হয়। অল্প সংখ্যক কাশফুল চোখে পড়লেও চাহিদা রয়েছে কয়েকগুন। এ গাছটির এতগুন থাকার পরেও গাছ বা বাগান করাসহ সংরক্ষণ ও রক্ষায় কোন উদ্যোগ নেই। কাগইল এলাকার বাগান জানান, আমি কাশফুল থেকে যে পরিমান গাছ পাই সে গাছ পরিবারের কাজে ব্যবহারের পরেও বাঁকী কাশফুলের গাছ শুকিয়ে বাজারে বিক্রি করে প্রতিবছর বেশ লাভবান হতে পেরেছি। প্রতিদিন কাশফুল বাগানে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যেত। পাখি ও ফুল দেখে মনটা ভাল থাকে। তবে এবছরে জায়গা না থাকায় কাশফুলের বাগান নেই। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি, নদ-নদী ভরাট, পতিত স্থান ও উচু জমি হ্রাস পাওয়ায় কাশফুল কমে যাচ্ছে। ফলে প্রকৃতির অপরুপ শোভা দানকারী ও সৌন্দর্য্যরে প্রতীক কাশবন (ফুল) এখন বিলুপ্তির পথে। গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাঃ আহসান প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে রক্ষায় কাশফুলের অবদান রয়েছে। কাশফুল সৌন্দর্য্যে বৃদ্ধি করে ফলে সবার মন খুশি থাকে। এমনকি কাশফুল একটি গুরুত্বপূর্ন গাছ বা বাগান।, কাশফুল গ্রামবাংলার শোভা দানকারী প্রিয় ফুল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে দাবিদার কাশফুল। কাশফুল ফাঁকা স্থানে জন্ম নেয়। কাশফুলের গাছগুলো মানুষের জন্য খুব উপকারী। সংরক্ষণ জানান, ব্যক্তি পর্যায়ে কাশবন বা কাশফুলের গাছ সংরক্ষণে কৃষকদের মাঝে গনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এমনকি কাশফুল বা বাগান ব্যক্তি, সংগঠন, সরকারী দপ্তরের বনবিভাগ ও বেসরকারী পর্যায়ে সংরক্ষণ করতে জোরদার দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4659957আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 6এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET