প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ও নীতিগত সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৯’ এবং হবিগঞ্জে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে ‘হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৯’ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপিসহ মন্ত্রীসভার অন্যান্য মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, চাঁদপুরে একটি বিশেষায়িত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়।
চলতি বছরের ১৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে কতিপয় পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন করা হয়। এরপর লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে ভেটিং গ্রহণ করা হয়।
খসড়া আইনে ৫৪টি ধারা রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ধারাগুলোর মধ্যে ১৯ ধারায় চ্যান্সেলর, ভাইস চ্যান্সেলর ও তার দায়িত্ব, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, ট্রেজারার, সিন্ডিকেট, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল এবং অর্থ কমিটি সম্পর্কিত বিধান সন্নিবেশিত আছে। এছাড়া আইনের আলোকে ১৪টি আনুচ্ছেদ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংবিধির খসড়া আইনের সঙ্গে সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, এ দু’টি নিয়ে ৪৮টি বিশ্ববিদ্যালয় হবে। বর্তমানে ৪২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং চারটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রমে রয়েছে। এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ হলে ৪৮টি-ই কার্যক্রমে থাকবে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
এর আগে সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাঁদপুর সফরে আসলে স্টেডিয়ামে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্যে বলেছেন, চাঁদপুরে একটি মেডিকেল কলেজ হসপিটাল করা হবে। সেই ওয়াদা তিনি রেখেছেন। এরপরে সারাদেশে একাধিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা করা হলে চাঁদপুর জেলায় ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রস্তাবে আসে। তারই অংশ হিসেবে এখন চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মন্ত্রীসভায় আইন অনুমোদন হলো।








