২৭শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ১৩ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • রাজনীতি
  • ‘চিফ অব আর্মি স্টাফ’ সেনাপ্রধানের পদবী: বিল পাশ সংসদে –

‘চিফ অব আর্মি স্টাফ’ সেনাপ্রধানের পদবী: বিল পাশ সংসদে –

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : এপ্রিল ২৮ ২০১৬, ০১:৩১ | 673 বার পঠিত

index_125600 (1) নয়া আলো ডেস্ক-

সেনাবাহিনী প্রধানের পদবী ‘কমান্ডার ইন চিফ’-এর পরিবর্তে ‘চিফ অব আর্মি স্টাফ’ প্রতিস্থাপন করে আর্মি (এমেন্ডমেন্ট) এ্যাক্ট ২০১৬ বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ।

দশম সংসদের দশম অধিবেশনে বুধবার বিল দু’টি পাস হয়।

এর আগে সংসদ কার্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশকৃত আকারে বিলগুলো পাস করার প্রস্তাব করেন।

একইভাবে বিমান বাহিনীর প্রধানের পদবী ‘কমান্ডার ইন চিফ’-এর পরিবর্তে ‘চিফ অব এয়ার স্টাফ’ প্রতিস্থাপন করে এয়ার ফোর্স (এমেন্ডমেন্ট) এ্যাক্ট ২০১৬ পাস করেছে সংসদ। এছাড়া ক্যাডেট কলেজ (এমেন্ডমেন্ট) এ্যাক্ট ২০১৬ বিলও পাস হয়েছে জাতীয় সংসদে।

পাসকৃত বিলের তুলনামূলক বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, আর্মি এ্যাক্ট ১৯৫২ এবং এয়ারফোর্স এ্যাক্ট ১৯৫৩ সংশোধন কল্পে পাসকৃত বিল দু’টিতে সংশোধনী আনা হয়। ১৯৫২ সালের এ্যাক্টে সেনাবাহিনী প্রধানের পদবী ছিল কমান্ডার ইন চীফ। একইভাবে ১৯৫৩ সালের এয়ারফোর্স এ্যাক্ট-এ বিমান বাহিনীর প্রধানের পদবী ‘কমান্ডার ইন চীফ’।

সামরিক শাসনামলে ১৯৭৬ সালে জারি করা আর্মি এ্যামেন্ডমেন্ট অর্ডিন্যান্স দ্বারা সেনাবাহিনী প্রধানের পদবী ‘কমান্ডার ইন চিফ’-এর পরিবর্তে ‘চিফ অব আর্মি স্টাফ’ করা হয়। একইভাবে ১৯৭৬ সালে জারি করা এয়ারফোর্স এ্যাক্ট-এ বিমানবাহিনী প্রধানের পদবী ‘কমান্ডার ইন চীফ’-এর পরিবর্তে ‘চিফ অব এয়ার স্টাফ’ করা হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের রায় দ্বারা সামরিক শাসনামলে প্রবর্তিত সকল অধ্যাদেশকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনের কারণেও অধ্যাদেশগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে। ফলে সেনাবাহিনীতে ও বিমান বাহিনীতে চিফ অব আর্মি স্টাফ-এর স্থলে ‘কমান্ডার ইন চিফ’ প্রতিস্থাপিত হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এটা কাম্য নয়। এ অবস্থার সমাধান কল্পে ২০১৩ সালের ৬ ও ৭ নং আইন দ্বারা বেআইনি ঘোষিত এবং অকার্যকর সকল আইনকে সাময়িক বৈধতা দেওয়া হয়। সরকারের নির্দেশনায় সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় আইনগুলো প্রণয়ন করে আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য বিলটি সংসদে উপস্থাপন করা হয়। এ কারণে বিদ্যমান বিধানের সঙ্গে নতুন বিধানের কোন পার্থক্য নাই।

বিল দু’টির উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অধ্যাদেশটির অধীন বিধানসমূহের কার্যকাররিতা জনস্বার্থে বহাল ও অক্ষুন্ন রাখার লক্ষ্যে নতুন আইন করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে বিলটি প্রণয়ন করা হয়েছে। বিল দু’টি আইনে রূপান্তরিত হলে মূল আইন তথা আর্মি অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৬-এর সর্বত্র ব্যবহৃত ‘কমান্ডার ইন চিফ’ পদবীটির স্থলে ‘চিফ অব আর্মি স্টাফ’ এবং মূল আইন তথা এয়ারফোর্স অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৬-এর সর্বত্র ব্যবহৃত ‘কমান্ডার ইন চিফ’ পদবীটির স্থলে ‘চিফ অব এয়ার স্টাফ’ পদবী প্রতিস্থাপিত হবে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4329081আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 4এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET