শাহাদাৎ হোসেন লাভলু, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :- চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষক কতৃক ৭ম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে।
অভিযুক্ত শিক্ষককে বিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গ্রামবাসী জানান ওই শিক্ষক এর আগেও অনেক ছাত্রীর সাথে শ্লীলতাহানি, জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা, কুপ্রস্তাবসহ নানা অপকর্মের সাথে লিপ্ত ছিল।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ম্যানেজ করে ও প্রভাবশালি শিক্ষক আবজালুর রহমান আবজাল প্রতিবার এসব ঘটনা ঘটিয়ে পার পাচ্ছে খুব সহজে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, চুয়াডাঙ্গা খাড়াগোদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বুধবার সকালে বিদ্যালয়ের সহকারি গ্রন্থগারিক শিক্ষক আবজালুর রহমান আফজাল ৭ম শ্রেণীর ক্লাস নিচ্ছিল।
ক্লাস শেষে সবাই বাইরে বেরিয়ে আসলে ৭ম শ্রেণীর ওই ছাত্রী ক্লাস রুমে একা থাকায় অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে কুপ্রস্তাব দেয় এবং শরীরের স্পর্শ কারত স্থানসহ বিভিন্ন স্থানে হাত দেয়।
শিক্ষক বিষয়টি কাউকে না জানাতে নিষেধ করে ওই ছাত্রীকে। স্কুলছাত্রী বিদ্যালয়ের ক্লাস শেষে বিকালে বাড়ি ফিরে বিষয়টি তার মাকে জানায়। স্কুলছাত্রীর পিতা অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়।
শুক্রবার সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কালুপোল গ্রামে অবস্থিত খাড়াগোদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি শিক্ষকরা জরুরি সভায় বসে। সেখান থেকে সিদ্ধান্ত হয় অভিযুক্ত শিক্ষককে সাময়িক বহিস্কার এবং তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ৫ কার্য দিবসের মধ্য প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে।
গ্রামবাসী, শিক্ষার্থী ও অবিভাবকদের দাবি অভিযুকক্ত শিক্ষকের বিচার হোক যেন এমন ঘটনা আর না ঘটে। প্রায় তিন বছর আগে বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর সাথে একই ঘটনা ঘটিয়ছিল ওই শিক্ষক।









