শাহাদাৎ হোসেন লাভলু, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:-
দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা এবং চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ও তীতুদহ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চুয়াডাঙ্গা-২ আসন।
এ আসনে ভোটার চার লাখ ১৪ হাজার ৭৬০ জন। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে মোট ১১ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী এর মধ্যে সাতজনই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
বাকি চারজনের মধ্যে বিএনপির দুজন এবং জামায়াত ও জাতীয় পার্টির একজন করে মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রত্যাশী দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।
আওয়ামী লীগ থেকে রয়েছেন- বর্তমান সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগার টগর, দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক-মাহাফুজুর রহমান মনজু, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সাবেক দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল ইসলাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।
নজরুল মল্লিক,।
দর্শনা পৌর মেয়র, মতিয়ার রহমান।
একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহসাধারণ সম্পাদক-হাশেম রেজা।
অপর একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক- নুর হাকিম।
এবং সাবেক জামায়াত নেতা ও সদ্য গঠিত (৭-৮ মাস) বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক এবং একটি স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশক- আলহাজ সাদিকুর রহমান বকুল।
বর্তমান সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হলেও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগার টগর বিগত ৯ বছরে এলাকায় তেমন দৃশ্যমান উন্নয়ন করতে না পারায় হতাশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এলাকবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি দর্শনাকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর ও উপজেলা বাস্তবায়ন করতে না পারায় এলাকাবাসী এবার তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন বলে নাম না প্রকাশে এলাকার বেশ কিছু বর্ষীয়ান নেতাকর্মী এ প্রতিনিধিকে জানান।
অপরদিকে জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মনজু দুবছর ক্ষমতায় থাকাকালীন এলাকায় বেশ কিছু উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল ইসলাম আজাদকেও নিয়মিত এলাকায় গণসংযোগ করতে দেখা যাচ্ছে।
দর্শনা পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান, দর্শনা পৌরসভা এলাকায় জনপ্রিয় নেতা হিসেবে দাবি করে মনোনয়ন পেতে আশাবাদী।
জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নজরুল মল্লিক বেশ কয়েক বছর ধরে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে এলাকায় গেট বানিয়ে ও ডিজিটাল ব্যানার ঝুলিয়ে গণসংযোগ করে আসছেন।
একটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক হাশেম রেজা প্রতি ঈদ ও উৎসব পার্বনে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে এলাকায় এসে পরিচিতি পাওয়ার চেষ্টা করেন এবং মাঝেমধ্যে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে এলাকায় গণসংযোগ করে থাকেন।
এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ সাদিকুর রহমান বকুল।
ও নুর হাকিম নামে বেশ কয়েক জন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে মরিয়া হয়ে নিজের ছবি ও নৌকা প্রতীক সংবলিত ব্যানার-ফেস্টুনে এলাকা ভরে ফেলেছেন। বিলবোর্ড ও পোস্টার ছড়িয়ে তারা ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন নির্বাচনী এলাকার মানুষের মধ্যে। আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভাসহ ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
অপরদিকে,
বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী মাহামুদুর রহমান খান বাবু মাঝেমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করলেও চোখে পড়ার মতো নয়।
এলাকায় তাঁর চেয়ে বেশি চোখে পড়ে ইঞ্জিনিয়ার মখলেছুর রহমান টিপুকে।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী দুলু উদ্দীন জোয়ার্দার দীর্ঘদিন এলাকায় গণসংযোগ করলেও বর্তমানে মাঠে নেই। তবে শিগগিরই ফিরবেন বলে জানিয়েছেন। আর জামায়াত নেতা রুহুল আমিন এখনো মাঠে নামেননি।









