ফেনীর ছাগলনাইয়া পৌরসভার বাসিন্দা জামায়াত নেতা নুর নবী চৌধুরীর বিরুদ্ধে ভুমিদস্যুতা, জাল জালিয়াতি মামলাবাজির অভিযোগ করে তার হয়রানির হাত থেকে বাঁচার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবর লিখিত অাবেদন করেছে একই গ্রামের অধিবাসী জহিরুল ইসলাম জহির। গত ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে এ লিখিতত আবেদনটি দায়ের করা হয়। লিখিত আবেদন পত্রে জহিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, আমি আবেদনকারী ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার পশ্চিম ছাগলনাইয়া গ্রামের মাস্টার ওবায়দুল হক’র ছেলে। আমি ও আমার পরিবার মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সমর্থক। অপরদিকে আমার গ্রামের মৃত মফিজুর রহমান’র ছেলে নুর নবী চৌধুরী ছাগলনাইয়া সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের ছাত্র শিবিরের সাবেক জিএস ১৯৮৭-৮৯ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সশস্ত্র শিবির ক্যাডার নামে পরিচিত একজন শিবির ক্যাডার ছিলো। বর্তমানে সে একজন জামায়াত নেতা। এ জামায়াত নেতা নুর নবী আমি এবং আমার পরিবারকে সর্বশান্ত করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। মিথ্যা মামলা এবং জাল দলিল সৃজন করে আমাদের মালিকানাধীন দখলীয় জমি ভোগ করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়ে নুর নবী ইতি মধ্যে ২০১৪ সালে ফেনীর আদালতে ১৪৫ ধারায় দখলিয় মামলা করে (যাহার পিটিশন নং-৫৩৩/১৪)। উক্ত মামলাটি মহামান্য আদালত তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর খারিজ করেদেন। এক বছর পর নুর নবী একই ভূ মি দখল করার লক্ষে ফেনীর আদালতে ১৪৫ ধারায় দখলশর্ত মামলা করে। ঐ মামলাটিও তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ারর পর মহামান্য আদালত খারিজ করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি গ্রাম্য এক শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করার ফলে জামায়াত নেতা নুর নবী জাল দলিল উপস্থাপন করে ভূমির মালিকানা দাবী করে। শালিসে উপস্থিত লোকজন দলিলটি জাল বুঝতে পেরে আদালতের মাধ্যমে পিটিশন মামলা ১৭/১৬ সঠিক দলিল যাচাই করতে গেলে আদালত ডিবি ফেনীর তদন্ত প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করে নুী নবীকে গ্রেফতারের নির্দেশ প্রদান করে এবং সে গ্রেফতার হয়। পরবর্তীতে সে জামিনে বের হয়ে আবারও ১৪৫ ধারা মামলা ২২০/২০১৭ এবং একটি দেওয়ানি মামলা (৭৬/১৬) দায়ের করে। বিজ্ঞ আদালত এ মামলা গুলোও খারিজ করেদেয়। উক্ত জামায়াত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট শেয়ার করায় আমি মতিঝিল থানায় একটি জিডি করি (জিডি নং- ১৩০৫) এবং সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ করি (নং- ৭৫৩)। তার বিরুদ্ধ এমন অভিযোগের খবর জানতে পেরে নুর নবী আমার বিরুদ্ধে ফেনীর আদালতে চাঁদাবাজী নাম উল্লেখ করে একটি মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করে। বিজ্ঞ আদালত সঠিক তদন্ত করলে বিষয়টির সত্যতা বেরিয়ে আসবল বলে আমি আশা করি।









