১৫ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২রা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-

ছুটিতে যাওয়া লিবিয়া প্রবাসীদের ব্যাপারে দুতাবাস ও সরকারের উদ্দেশ্যে কিছু কথা-

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : মে ১৫ ২০১৬, ১৬:৪৪ | 696 বার পঠিত

রফিকুল হায়দার চেীধুরী- আগে জানতাম, যেখানে গেলে ফেরত আসা যায়না তার নাম কবর, আর এখন সেইটার সাথে আরেকটি নাম যুক্ত হলো তার নাম ‘বাংলাদেশ’।

ঢাকাস্থ লিবিয়ান দুতাবাস থেকে ভিসা প্রাপ্ত বাংলাদেশী শ্রমিকদের লিবিয়ায় পাঠানোর উপরে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে বাংলাদেশের কয়েকটি রিক্রুটিং কোম্পানি মামলা দায়ের করেছিল। সেই মামলাকে কেন্দ্র আদালতের এক রায়ে ছুটিতে দেশে যাওয়া লিবিয়া প্রবাসীদের পুনরায় লিবিয়া ফেরত আসতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বেশ কিছুদিন হলো। অবস্থা দাঁড়িয়েছে এই ‘কিশোর ছেলে ঘুমের মধ্যে নিয়মিত বিছানায় প্রস্রাব করে দেয় বলে তার মা গিয়েছে হুজুরের কাছ থেকে তাবিজ আনতে। তাবিজ এনে লাগিয়ে দেওয়ার পর সেই তাবিজের প্রভাবে এবার ছেলের পায়খানা-প্রস্রাব দুটোই বন্ধ হয়ে গেল! কি মুসিবতের কথা! আবার হুজুরের কাছে দৌড়ে গিয়ে মা বলল, হুজুর আপনের কাছে তাবিজ চাইলাম আমার ছেলে রাতে যাতে বিছানায় প্রস্রাব না করে, আপনি কি তাবিজ দিলেন যে আমার ছেলের প্রাকৃতিক ক্রিয়া-কর্মই বন্ধ হয়ে গেলো!’..
আমাদের অবস্থাও হয়েছে সেরকম। আগে যা-ও ভালো ছুটিতে দেশে যাওয়া লোকেরা আসতে পারতো, এখন হুজুরে তাবিজ দিয়ে সেটিও বন্ধ করে দিলেন!

যা হোক, আদালতকে উক্ত মামলায় তথ্য দিয়ে সাহায্য করার দায়িত্ব ছিলো সরকারের, আর সরকারকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করার দায়িত্ব ছিল/হচ্ছে আমাদের লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দুতাবাসের। এই ক্ষেত্রে দুতাবাস কতটুকু ও কিভাবে সহায়তা করেছে সেটি প্রশ্ন সাপেক্ষ। আমার মনে হচ্ছে তারা যদি মামলা চলাকালীন সময়ে যথাযথ ভাবে তথ্য দিয়ে কিংবা তাঁদের পর্যবেক্ষণের আলোকে করণীয় সুপারিশনামা দিয়ে সরকার ও আদালতকে সহযোগীতা করতেন, তাহলে বিষয়টি এতো অসুন্দর হতোনা। আর আদালত তো একথাও বলে দিয়েছে তাদের রায়ে যে, এব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। অর্থাত এটি তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের উপরে ছেড়ে দিয়েছে! তাহলে সমস্যা তো এখন দেখা যাচ্ছে আদালতের রায় নয়, বরং আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সিদ্ধান্ত।

দুতাবাস কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা গিয়েছে তাঁরা চেষ্টা করছেন ছুটিতে দেশে যাওয়া লোকদের ফেরত আসার প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করতে। তাঁরা চেষ্টা করছেন সেও আজ বেশ কয়েকদিন আগের খবর। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো ইতিবাচক ফলাফল দেখা যায়নি। সর্বশেষ যোগাযোগে জানতে পারলাম যে, তাঁরা পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সাথে যোগাযোগ করে কিভাবে ছুটির প্যাসেঞ্জার সেজে ভুঁয়া আকামা-খুরুজ ধারী নতুনদের আগমন ঠেকানো যায়, সেটির পদ্ধতি বের করে তারপর ছুটিতে যাওয়া প্রকৃত প্যাসেঞ্জারদের আসার অনুমতি পুনরায় চালু করবেন! আরে ভাই, যারা সত্যিই এখান থেকে ছুটিতে গিয়েছে, দুতাবাসের কাছে তো তাদের সকলেরই রেকর্ড আছে! কারণ দুতাবাস কর্তৃক আকামা-খুরুজ ও ক্ষেত্র বিশেষে ও.কে টু বোর্ডের স্পেশাল ক্লিয়ারেন্স দেখেই তো প্যাসেঞ্জারদেরকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল আর সেই চিঠি দেখিয়েই তো ঢাকার ফরেন মিনিষ্ট্রি অফিস এতোদিন ক্লিয়ারেন্স দিচ্ছিলো! কাজেই যারা দুতাবাস কর্তৃক ভেরিফাইড হয়ে দেশে গিয়েছে কিংবা যাবে, তাদেরকে ফিরে আসতে দিতে সমস্যা কোথায়? এরাতো ভুঁয়া আকামা-খুরুজ ধারী নয়! যারা বাংলাদেশ দুতাবাস থেকে নতুন পাসপোর্ট পেয়ে দেশে গিয়েছে, এরাতো ভুঁয়া আকামা-খুরুজ ধারী নয়! এরপর ঢাকার ফরেন মিনিষ্ট্রি অফিস ছুটির প্যাসেঞ্জারদের যেই চিঠি দেয়, সেই চিঠিটিও দেওয়ার পূর্বে তারা ঢাকা এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশনের সাথে ওই প্যাসেঞ্জারের আগমনী তথ্য চেক করে নিয়ে চিঠি দেয়, তাহলে সেখানে ভুঁয়া-সঠিক চিন্হিত করতে আর কি বাকি থাকে? যেদিন থেকে ঢাকার ফরেন মিনিষ্ট্রি অফিস চিঠি দেওয়া বন্ধ করেছে, সেদিন থেকে যতগুলো শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার দায়ভার নেবে কে? বেকারত্ব ও দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত বাংলাদেশের এতগুলো প্রবাসী কর্মজীবীদের বেকার করে, তাদের পরিবারের আয়-রোজগারের চাকাটিকে বন্ধ করে যে তাদের জীবন অন্ধকারে পর্যবসিত করে দেওয়া হলো, এই ক্ষতি কে পুষিয়ে দেবে? লিবিয়ায় আসতে না পেরে যে অন্য কোনো দেশে যাবে সেগুলোর রাস্তাও তো বন্ধ! যেগুলোর খোলা আছে সেই সব দেশে যেতে যেই ৩-৮ লক্ষ টাকা লাগে সেগুলোর যোগার কে দেবে?

লিবিয়ার সব জায়গায় তো এখন যুদ্ধ চলছেনা! মধ্যাঞ্চল থেকে শুরু হয়ে পূর্বাঞ্চলের সীমিত কয়েকটি পয়েন্টে যুদ্ধ চলছে। এছাড়া বাদ বাকী অঞ্চল যুদ্ধ মুক্ত। লিবিয়ার চাইতেও ইরাকের অবস্থা বহুগুনে খারাপ, সেই ইরাকে যেতে বাংলাদেশের সরকার যদি অনুমতি দিতে পারে তাহলে লিবিয়াতে অন্তত ছুটির প্যাসেন্জারেরা কেন ফেরত আসতে পারবে না?? এটি কি আরেকটি অবৈধ রাস্তা খুলে দিতে উস্কে দেবে না? এখন কি ঢাকা এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পয়সা খাওয়ার রাস্তা খুলে দিলেন না? তারাতো এতদিন ছুটির বৈধ প্যাসেঞ্জারদের কাছ থেকে পয়সা খেতে পারতো না, কিন্তু এখন তো ওই অযাচিত সিদ্ধান্ত তাদের রাস্তা খুলে দিলো ‘পয়সা দাও-লিবিয়া যাও, পয়সা নাই-লিবিয়া নাই’!

এই ছবিগুলো বাংলাদেশী ক্লিনারদের নিয়ে আয়োজিত লিবিয়ার ত্রিপোলি ভার্সিটির একটি প্রোগ্রামের। ১লা’মে শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে ত্রিপোলি ভার্সিটির প্রকৌশল বিভাগ তাদের বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্যে এক বিশেষ সন্মাননা অনুষ্ঠান ও বিনোদন মূলক প্রোগ্রামের আয়োজন করে। ছবিগুলোই কথা বলে তারা কতটুকু সুখে ও সন্মানে আছে সেখানে, লিবিয়ার সব জায়গাতেই যে এই পরিবেশ তাও বলছিনা। এই শ্রমিকগুলোর সহকর্মীদের যারা ছুটিতে গিয়েছে, তাদের কি হবে? যারা এখানে বাহিরে কনস্ট্রাকশনের কাজ করে, দোকানে কাজ করে ভালো পয়সা রুজি করতো এবং দরিদ্র পরিবারের অস্বচ্ছলতা দূর করার জন্যে হাঁড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করতো, এদের মধ্যে যারা ছুটিতে গিয়েছে তাদের কি হবে? লিবিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতার অজুহাত খাড়া করে লিবিয়ায় ফিরে আসার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করার পূর্বে ছুটিতে যাওয়া ওই প্রবাসীদের স্বাক্ষ্য নেওয়ার প্রয়োজন কি ছিলনা? লিবিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতা, অথচ এই দেশেই বিশাল কর্মী বাহিনী নিয়ে বাংলাদেশ দুতাবাসের কাজ-কর্ম চলছে দিব্যি ভীষণ শান্তিতে! রাজধানী ত্রিপলিতে খোলা মাঠে বাংলাদেশীদের নিয়ে প্রোগ্রাম করা হয়, দুতাবাস কর্তৃক পরিচালিত স্কুল ও কলেজ কার্যক্রমও চলছে তার স্বাভাবিক গতিতে, অন্য আর দশটি স্বাভাবিক দেশের মত। অথচ এই দেশটিই না-কি আমাদের মত কথায়-কথায় গুম-খুনের দেশের মানুষের জন্যে অনিরাপদ হয়ে উঠলো!

ছুটির প্যাসেঞ্জার সেজে ভুঁয়া আকামা-খুরুজ ধারীদের ব্যাপারটি একটি ভিন্ন প্রসঙ্গ। এটির সাথে যারা দুতাবাসে রিপোর্ট করে ছুটিতে গিয়েছে, তাদের কোনো সম্পর্কই নাই। কাজেই ঢাকার ফরেন মিনিষ্ট্রি অফিসের চিঠি বন্ধ করার ব্যাপারে এটিকেও অজুহাত হিসেবে খাড়া করা উচিত নয়!
তারপরেও বলছি, ছুটির প্যাসেঞ্জার সেজে ভুঁয়া আকামা-খুরুজ ধারীদের বিরুদ্ধে যে কোনো চিন্তা ও অবস্থানকে সমর্থন করি। এটি বন্ধ হওয়া উচিত। কিন্তু কিভাবে করবেন? যেখানে আমাদের দেশে বসেই লিবিয়ার ভিসা ও ইমিগ্রশনের সিল এবং ঢাকা এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশন দিয়ে লিবিয়ায় এসেছে ও পরবর্তিতে দেশে ঢুকেছে এই সকল সিল একটা পাসপোর্টে দেওয়া থাকে, সেখানে কার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত? ছুটির প্যাসেঞ্জার সেজে ভুঁয়া আকামা-খুরুজ ধারীদের পাসপোর্টে থাকা ঢাকা এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশন এর এক্সিট-এন্ট্রি সিল কি ভুঁয়া আকামা-খুরুজ প্রস্তুতকারীরা লাগিয়েছিল? ধরে নিলাম তারাই লাগিয়েছিল, তাহলে ঢাকা এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশন দিয়ে লিবিয়ায় আসার সময় ভুঁয়া আকামা-খুরুজ ধারীরা কিভাবে ঢাকা ইমিগ্রেশনের সিল পেয়েছিল তাদের পাসপোর্টে!!? এটি কি প্রমান করেনা যে আমাদের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষই ভুঁয়া আকামা-খুরুজ ধারীদের পাসপোর্টে ‘একবার বাংলাদেশ থেকে লিবিয়ায় যাওয়ার ও পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের সিলগুলো’ দিয়েছেন পয়সার বিনিময়ে?? এবং এখনো সেই কাহিনীগুলো চলমান! এখন আপনারা বলছেন সেগুলো বাছাই করবেন, যাতে এটি বন্ধ করা যায়। ভালো কথা। কিন্তু কাদেরকে দিয়ে করবেন? তারাতো এবার ওই সমস্ত অসাধু ব্যবসায়ীদেরকে পরামর্শ দিয়ে বলবে একটার জায়গায় পাঁচটা খুরুজের স্টিকার লাগাও, আমরাও পাঁচবার ঢাকা ইমিগ্রেশনের সিল দিয়ে দেব! তাতে প্রমাণিত হয়ে যাবে ওই লোক পাঁচ বছর ধরে লিবিয়ায় আছে! তখন কি করবেন? সর্ষের মধ্যেই যেখানে ভুত। আসলে এগুলো এভাবে হয়না। আসল জায়গায় হাত দিতে হবে।
অবশ্য এই ধরনের ভুঁয়া আকামা-খুরুজ ধারীরা লিবিয়ায় আসতে ত্রিপোলি ইমিগ্রেশন হেড অফিস থেকে ও.কে টু বোর্ডের স্পেশাল পারমিশন পাওয়ার কথাও নয়। সেক্ষেত্রে দুতাবাসের চিঠি পাবারও প্রশ্ন আসেনা। এরপরেও কেউ যদি ও.কে টু বোর্ডের স্পেশাল পারমিশনের জাল চিঠি আনে (যেগুলো সাধারনত বাংলাদেশে বসে যারা এম্বেসির চিঠি নিতে চায়, তাদের বেলায় হয়) তবে সেই কাগজটিতো চাইলে খুব সহজেই ভেরিফাই করা যায়, এটি খুবই সহজ। একেবারেই সহজ। সত্যিই যদি আপনারা জেনে না থাকেন, তাহলে প্রয়োজন লাগলে আমি পরামর্শ দেবো!

লিবিয়ার কর্তৃপক্ষ (বিশেষ করে ত্রিপলীর) আরো আগেই তাদের ইমিগ্রেশন সিস্টেমকে অনলাইন ভিত্তিক করেছে, যদিও অনলাইনের সেই সিস্টেমে কেবল মাত্র লিবিয়ান ইমিগ্রেশনের শাখাগুলো ও বিভিন্ন দেশে থাকা তাদের দুতাবাস প্রবেশ করতে পারে। এটিকে ব্যবহার করেই আসল-নকল চিন্হিত করা যাবে সহজেই। প্রয়োজন শুধু লিবিয়ান কর্তৃপক্ষের সাথে এই ব্যাপারে কথা বলার। অনলাইন সিস্টেম যখন এরা প্রথম চালু দিয়েছিলো তখনও আমাদের দুতাবাসের পূর্বতন দাতিত্বশীল কর্মকর্তাদের এই ব্যাপারে বলেছিলাম। কিন্তু কোনো অগ্রগতি দেখিনি! ত্রিপলীর ইমিগ্রেশন হেড অফিসে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সাথে আমাদের দুতাবাস গিয়ে কথা বললে তারাও নিশ্চই সহযোগীতা করবে বলে বিশ্বাস। তাদেরকে পরামর্শ দেওয়া উচিত ভিসাগুলো যেন প্রত্যেকটি অভিবাসী ঘরে বসেই অনলাইনে চেক করতে পারে সেটির একটা সুযোগ করে দিতে। তবে এরপরেও একটা কথা তারা ঠিকই বলবে, ও.কে টু বোর্ডের স্পেশাল পারমিশনের কাগজটির কথা। যেটি থাকলে কারো ব্যাপারে সন্দেহের অবকাশ থাকেনা। বাকি দায়িত্ব আমাদের দুতাবাসের। এরপর আপনারা কাগজ পত্র ও অরজিনাল পাসপোর্ট দেখে যাদেরকে চিঠি দেন, তাদের ব্যাপারেতো কোনো প্রশ্ন কিংবা জটিলতা সৃষ্টি করা/হওয়া উচিতও নয়!

লিবিয়া প্রবাসীরা ক্রমেই বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠছে এটির বিরুদ্ধে। বছরের পর বছর প্রবাসে থেকে এখন নিজ দেশে আপনজনের কাছে যেতে চেয়েও পারছেনা! অন্যদিকে যারা গিয়ে চিঠির জন্যে এখন আসতে পারছেনা তারা তাদের নিয়োগকর্তা ও সহকর্মীদের কাছে ফোন দিয়ে কষ্টের কথা জানান দিচ্ছে। ত্রিপলীর কয়েকজন আজকে ফোন দিয়ে জানালো তারা এম্বেসির সামনে গিয়ে প্রয়োজনে বিক্ষোভ করবে অধিকার আদায়ের জন্যে! ভালো, আমাদের দেশের সন্মান বৃদ্ধি পাবে খুব! লিবিয়ার মিডিয়াগুলো রিপোর্ট করবে বাংলাদেশ তার প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার কেড়ে নেওয়ায় ও লিবিয়ায় আসতে বাধা দেওয়ায় বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা দুতাবাস ঘেরাও করেছে!

সমস্যা নিরসনে আশু ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4527654আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 0এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET