২রা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ১৮ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-

জলন্ত চিতায় উঠে বসলেন ‘মৃত’!

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : জুলাই ৩১ ২০১৬, ০১:৫৫ | 662 বার পঠিত

pyre_webনয়া আলো ডেস্ক- বিজ্ঞানের এই অগ্রগতির যুগেও কুসংস্কার আর অন্ধবিশ্বাসের কারণে বলি হতে হল এক ব্যক্তিকে। সাপের কামড়ের পর মৃত বলেই ধরে নেওয়া হয়েছিল ভারতের মধ্য প্রদেশের রাইসেন জেলার বাসিন্দা সন্দীপকে। সঠিক সময় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে পারলে তাকে হয়তো বাঁচানো যেত। কিন্তু সেই এলাকার লোকজনের আজও বিজ্ঞানের থেকে কুসংস্কারেই বিশ্বাস বেশি। আর তাই একবার নয়, সন্দীপকে বাঁচানোর দু’বার সুযোগ পেয়েও তাকে বাঁচাতে পারল না পরিবার। পরিবারের চোখে কুসংস্কারের ঠুলি ছিল বলেই মাত্র ২৩ বছরেই এ জগত ছাড়তে হল তাকে৷ জঙ্গলে কাঠ কুড়োতে গিয়েছিলেন সন্দীপ। সেখানেই এক বিষাক্ত সাপ ছোবল দেয় তাকে। জঙ্গল থেকে ফিরলে তাকে স্থানীয় নামকরা তান্ত্রিকের কাছে নিয়ে যায় তার পরিবার। বেশ খানিকক্ষণ ঝাড়ফুঁক করার পর তান্ত্রিক জানিয়ে দেন, সন্দীপকে বাঁচানো সম্ভব হল না। সন্দীপের মৃতদেহ সৎকারের জন্য শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ঘটে আরেক ঘটনা। যা দেখে গ্রামবাসীদের চক্ষু চড়কগাছ! চিতায় শোয়ানো রয়েছে সন্দীপের মৃতদেহ। তাতে আগুন দিতেই চিৎকার করে উঠে বসলেন ‘মৃত’ সন্দীপ। কেউ ভয়ে শিউরে উঠলেন। তো কেউ আবার শ্মশান ছেড়ে দৌঁড়ে পালালেন। তবে সন্দীপের পরিবার বুঝতে পারে তার মধ্যে এখনও প্রাণ রয়েছে। কিন্তু এবারও চিকিৎসকের দ্বারস্থ হলেন না তারা। সঙ্গে সঙ্গে চিতা থেকে নামিয়ে সন্দীপকে ফের সেই তান্ত্রিকের কাছেই নিয়ে যাওয়া হল। তান্ত্রিক এবারও তাকে বাঁচাতে পারেননি৷ ফলত তাঁকে বাঁচানোর দ্বিতীয় সুযোগও নষ্ট করল পরিবার। অবশেষে পুলিশ এসে সন্দীপের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়। তারপর তার সৎকার করা হয়।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4662436আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 11এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET