যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাকড়া ইউনিয়নের উজ্জলপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানহানি মামলার ঘটনা পত্রিকায় প্রকাশের পর এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অপকর্ম বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। শিক্ষকতা বাইরে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিদ্যুৎ অফিসের দালালি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।অপকর্ম বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভুক্তভোগী পরিবার প্রতিকার চেয়ে পুলিশের নিকট অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ টাকা নেওয়ার অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আদালতে অধিকতর তদন্তের জন্য আবেদন করেছেন।বাঁকড়া ইউনিয়নের উজ্জলপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা দাখিল মাদ্রাসা বজ্রপাতে মৃত একটি রেন্টি গাছ কর্তন কে কেন্দ্র করে মাদ্রাসা দাতা সদস্য শফিকুল ইসলামের ইসলামের সাথে মাদ্রাসা শিক্ষাক নজরুল ইসলামের কথা কাটাকাটি হয়।বিকালে উজ্জলপুর কালিতলা বাজারের শফিকুল ইসলামের গতিরোধ করে নজরুল ইসলাম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারপিট করতে যায়।
এতে করে শফিকুল ইসলামের মানহানি হয়েছে। ফলে তিনি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঝিকরগাছা আমলী আদালত যশোর একটি মামলা দায়ের করেছেন যার নম্বর ৯৬/ ২০২০।মামলা ঘটনা পত্রিকা প্রকাশের পর তার বিরুদ্ধে বিদ্যুতের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ এনে এলাকাবাসী যশোর গোয়েন্দা শাখার লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ দেওয়ার নামে উপজেলার উজ্জলপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন নিকট থেকে ১০,০০০, মতিয়ার রহমানের নিকট থেকে ৮,০০০, রেজাউল ইসলামের নিকট থেকে ৭,০০০, মহাসীন নিকট থেকে ৬,০০০ টাকা আরশাদ আলী নিকট থেকে ১১,০০০ হাজার টাকা ওজিয়ার বিশ্বাসের নিকট থেকে ৫,০০০ টাকা ফজলু বিশ্বাসের নিকট থেকে ৬,০০০ টাকা রিপন কুমার থেকে ৩,০০০ টাকা শিল্পী খাতুন এর নিকট থেকে ৪,০০০ টাকা মোসলেম আলীর নিকট থেকে ২৫০০ টাকা ফকির আলীর নিকট থেকে ৪,০০০ হযরত আলীর নিকট থেকে ৮,০০০ টাকা মুস্তাক আলীর নিকট থেকে ৩,০০০ টাকা দাউদ আলীর নিকট থেকে ৩, হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে যশোর গোয়েন্দা শাখার অফিসার এসআই আমিনুল ইসলাম তদন্ত করেছেন।তদন্তের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে এবং ১৯ ব্যাক্তির কাছ থেকে স্বাক্ষরসহ বয়ান নিয়েছেন। ১৪ লক্ষ টাকা দুর্নীতি করেছেন বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছে। বিষয়টি অধিক দপ্তরে তদন্ত জন্য আদালতে আবেদন করেছে যশোর গোয়েন্দা পুলিশ।









