১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৯ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • করোনা-ভাইরাস
  • ডুমুরিয়ায় প্রথম বারের মত সমুদ্রগামী ৭৭৪জন মৎস্যজীবি চাউল পাচ্ছেন।




ডুমুরিয়ায় প্রথম বারের মত সমুদ্রগামী ৭৭৪জন মৎস্যজীবি চাউল পাচ্ছেন।

গাজী আব্দুল কুদ্দুস, চুকনগর.খুলনা করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : জুন ১৫ ২০২১, ১২:০৩ | 811 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের মোট ৫৪৯৮জন সমুদ্রগামী (জেলে) মৎস্যজীবি রয়েছে। যার মধ্যে ৪৯৫৬জন মৎস্যজীবি কার্ডধারী। আর মোট কার্ডধারীর মধ্যে ৭৭৪জন সমুদ্রে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
গত ২০মে থেকে আগামী ২৩জুলাই পর্যন্ত সমুদ্র উপকুল এলাকায় মাছ ধরা বন্ধ থাকার কারণে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের৭৭৪জন মৎস্যজীবি এ বছর থেকে চাউল পাচ্ছেন।
এরা হলেন উপজেলার খর্ণিয়া ইউনিয়নের ৪২জন, আটলিয়া ইউনিয়নের ১৬৬জন, সাহস ইউনিয়নের ১০৪জন, শরাফপুর ইউনিয়নের ২৭০জন, ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নের ১১জন, মাগুরখালী ইউনিয়নের ৩৯জন ও ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের ৮১জন,বাকী ৬১জন বিভিন্ন এলাকার। সমুদ্রে উপকুল এলাকায় বছরে ৬৫দিন মাছ ধরা বন্ধ রাখায় মৎস্যজীবিদের জন্য সরকার আপদকালীন এই চাউল বিতরণ করছে।
এব্যাপারে খর্ণিয়া ইউনিয়নের গোনালী গ্রামের মৎস্যজীবি সাধন বিশ্বাস বলেন, জীবনে কোনদিন ভাবিনি চাউল পাব। মাছ ধরা বন্ধ থাকলে আমাদের না খেয়ে মরতে হয়। খুলনার অন্য উপজেলার জেলেরা চাউল পেলেও এখনো আমরা পাইনি। প্রধানমন্ত্রী ও মৎস্য বিভাগকে আমি ধন্যবাদ জানাই এই দূঃসময়ে আমাদের পাশে এসে সহযোগীতার হাত বাড়ানোর জন।
শরাফপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, মৎস্যজীবিদের দীর্ঘদিনের একটি দাবী পূরণ করায় বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমার ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
উপজেলা সিরিয়ন মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আপদকালীন চাউল বিতরণ মৎস্য অধিদপ্তরের একটি চলমান কার্যক্রম। ডুমুরিয়া উপজেলা এতদিন এ কার্যক্রমের বাইরে ছিল। মৎস্যজীবিদের ন্যায্য দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২বছরের চেষ্টায় এবার ডুমুরিয়া উপজেলা অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। এখন থেকে প্রতি বছর তারা চাউল পাবে।
ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ বলেন, মৎস্য বিভাগের প্রচেষ্টায় সমুদ্রগামী জেলেরা চাউল পাচ্ছেন। আর একাজের জন্য যারা সহযোগীতা করেছেন আমি তাদেরকে সাধুবাদ জানাই।
খুলনা মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আবু সাঈদ বলেন, মাছ ধরা বন্ধ থাকাকালে এ বছর থেকে ডুমুরিয়ার জেলেরা চাউল পাবে।
উলে­খ্য গত ২০মে থেকে আগামী ২৩জুলাই পর্যন্ত ৬৫দিন সমুদ্রে ট্রলারের বা যান্ত্রিক নৌযানের মাধ্যমে সব ধরণের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সীমানায় এ মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET