১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৯ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • দিনাজপুরের বিরলে খননকৃত পূর্ণভবা নদীর বালু স্বঘোষিত বালু মহাল হিসেবে বিক্রির অভিযোগ




দিনাজপুরের বিরলে খননকৃত পূর্ণভবা নদীর বালু স্বঘোষিত বালু মহাল হিসেবে বিক্রির অভিযোগ

সাদেকুল ইসলাম সুবেল, বিরল,দিনাজপুর করেসপন্ডেন্ট

আপডেট টাইম : ফেব্রুয়ারি ০৫ ২০২৪, ১৮:১৪ | 657 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

দিনাজপুরের বিরলের পূণর্ভবা নদীর খননকৃত বালু স্বঘোষিত বালুমহাল হিসেবে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। রাত-দিন উন্মূক্তভাবে বালু পরিবহণ করায় ট্রাক্টরের অবাধ চলাফেরায় আশপাশের রাস্তাঘাটে প্রচন্ড ধূলো-বালি উড়াচ্ছে। ব্রীজ ও কালভার্টের ব্যাপক ক্ষতিসাধনের অভিযোগ তুলে এলাকাবাসী অনতিবিলম্বে নদীর এই বালু পরিবহণ বন্ধের দাবী জানিয়েছে।
বিরল উপজেলার বিজোড়া ইউনিয়নের রসূলশাহাপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানান, পূণর্ভবা নদী তীর রক্ষা কাজে ব্লক নির্মাণ কাজে আসা সাহেদ হোসেন চৌধুরী নামের এক যুবক নিজেকে ৭ নং বিজোড়া রসুলশাপুর বালু মহাল এর ইজারাদার ঘোষণা করে বালি বিক্রয়ের রশিদ প্রদানের মাধ্যমে ট্রাক্টর প্রতি ৪০০ টাকা আদায়পূর্বক নদীর বালু বিক্রি করছেন। বিক্রয়ের রশিদে তিনি টাকার পরিমাণ কিংবা গাড়ির নম্বর উল্লেখ না করেই তার নিযুক্ত ম্যানেজার তৈয়বুর রহমান গোলকু এর মাধ্যমে এ অর্থ আদায় করছেন। প্রতিদিন শত শত ট্রাক্টর নদী থেকে পার্শ্ববর্তী বিজোড়া বাজার, মানপুর ও খয়েরবন এর দিকে উন্মূক্তভাবে যাতায়াত করায় নদী থেকে আশপাশের ৩-৪ কিমি সড়কে প্রায় হাটু পর্যন্ত ধূলো-বালি জমা হয়েছে। আর এ পথে ট্রাক্টর যাতায়াত করতে গিয়ে একটি ব্রীজ ও দুইটি কালভার্ট প্রায়ই ভেঙ্গে যেতে বসেছে, যা সাময়িক মাটি ফেলে কোনমতে ট্রাক্টরগুলো যাতায়াত করছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এলাকার শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, দিনমজুরসহ সাধারণ মানুষ এ পথে চলাচল করা একেবারেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই দ্রুত এই বালু পরিবহণ বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর আব্দুল আজিজ, লোকমান আলী, জহির উদ্দিন ও আব্দুল মান্নানসহ অনেকে জানান, বালু পরিবহণ করতে হলে কাঁচা রাস্তায় নিয়মিত পানি দিয়ে ধূলোবালি উড়ানো বন্ধ করতে হবে। ব্রীজ ও কালভার্ট সমূহ রক্ষায় প্রয়োজনে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে হবে। ট্রাক্টরে বালু পরিবহণের সময় উপরে ঢাকনা ব্যবহার করতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বহ্নি শিখা আশা জানান, আমাদের ৭ নং বিজোড়া ইউনিয়নের রসুলশাহাপুরে কোন বালু মহাল নাই। কিভাবে কে বালু বিক্রি করছেন বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে তিনি জানান। রবিবার বিকালে সংবাদ পেয়ে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কাওছার আহমাদ ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু পরিবহণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।
এ ব্যাপারে স্বঘোষিত বালুমহাল এর ইজারাদার সাহেদ হোসেন চৌধুরী এর ০১৭১২২৪৭২৬২ এর নম্বরে আমাদের প্রতিবেদক কল দিলে তিনি বালুমাহালে কেন এসেছেন উল্টো প্রশ্ন তুলে উপজেলা প্রশাসনের নিকট খোঁজ নিতে বলেন। উনার বালুমহালে প্রবেশ করলে তিনি এ প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দিবেন বলেও মুঠোফোনে হুমকী প্রদান করেন। বালি বিক্রয়ের রশিদে গাড়ি নম্বর ও আদায়ের পরিমাণ কেন উল্লেখ করা হচ্ছে না জানতে চাইলে তিনে ফোন কেটে দেন।
এ ব্যাপারে ফুলবাড়ী উপজেলার ৩ নং কাজিহাল ইউনিয়নের মৃত মহরুল হক এর ছেলে তৈয়বুর রহমান গোলকু জানান, তাঁকে ইজারাদার রশিদ দিয়ে গাড়ী প্রতি বালু বিক্রি তদারকি করতে দিয়েছেন। তার নিকট ইজারার কোন কাগজপত্র নাই কিংবা ইজারাদার কর্তৃক দেয়া কোন পরিচয়পত্র নাই।
Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET