২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

শিরোনামঃ-

দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ করার প্রয়োজন নেই : আইনমন্ত্রী

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : সেপ্টেম্বর ০৮ ২০১৬, ০৩:২৫ | 648 বার পঠিত

151662_141নয়া আলো ডেস্ক- মুক্তিযোদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের শপথ ভঙ্গ হয়নি বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেছেন, শপথ ভঙ্গের জন্য কোনো আইন, বিধান বা কনভেনশন নেই। আদালত বলেননি যে, শপথ ভঙ্গের জন্য তাদের মন্ত্রীত্ব নেই। তাই মন্ত্রীর পদ থেকে তাদের পদত্যাগ করার কোনো প্রয়োজন নেই।

আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের সম্পত্তি বিষয়ে জনগণের দাবি উঠেছে। তাদের সম্পত্তির বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণের চিন্তা-ভাবনা করছি। খুব দ্রুততার সাথে করা হবে বা বিলম্ব হবে তা বলছি না, আমরা চাইবো তাড়াতাড়ি করার জন্য। তবে ইতোমধ্যেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

জনগণের দাবি পূরণে যে পদক্ষেপই নেয়া হোক- তা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আইসিটি (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল) আইনের মধ্যে একটি সুযোগ করা যেতে পারে বা নতুন আইন করা যেতে পারে।
আইনটি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্যই করা হচ্ছে কি-না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, আমি বাজেয়াপ্ত করার কথা বলিনি, বাজেয়াপ্ত করা হবে কি না- তা কোর্ট নির্ধারণ করবেন।

তিনি বলেন, যেসব যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে, মুসলিম আইনে তাদের সম্পত্তি সন্তানদের মালিকানায় চলে যাওয়ায় আইন সংশোধনের বদলে নতুন আইন করাই ‘শ্রেয় হবে’। তবে আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের সম্পত্তির বিষয়ে সুরাহা করা হবে বলে তিনি জানান।

সংগঠন হিসাবে জামায়াতের বিচার ও ছাত্রশিবিরের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হচ্ছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আবারো বলবো নিষিদ্ধ করবেন কি করবেন না- সেটা আদালতের ব্যাপার। আমার কাজ হচ্ছে এমন আইন করে দেয়া যেন সংগঠন হিসাবে জামাতের বিচার হয়।

তিনি বলেন, আইসিটি অ্যাক্ট ১৯৭৩ সংশোধন করা হচ্ছে। জামায়াত সংগঠন হিসেবে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। জামায়াতের বিচার করতে উপযুক্ত আইন করতে হবে।

ওই আইনের খসড়া মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

আনিসুল হক বলেন, ছাত্র শিবিরের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। কিভাবে তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা যায়।

এদিকে সম্প্রতি এক বিচারপতির বক্তব্য প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় করার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের কিছুই করার নেই। এটা করতে গেলে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক মন্ত্রীপরিষদে অনুমোদন সাপেক্ষে সংসদ থেকে আইন পাস করতে হবে।

তিনি বলেন, খবরের কাগজে তিনি দেখতে পান, তার একজন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় যাকে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধা করেন, সেই বিচারপতি একটি মিটিংয়ে বলেছেন, ‘আইন মন্ত্রণালয় বিচার বিভাগের সচিবালয়ের ব্যাপারে যে বক্তব্য রেখেছেন তাতে তিনি দুঃখ পেয়েছেন বলে জানান।

আনিসুল হক বলেন, আমরা তাদের (বিচারপতিদের) কথা শুনি। অত্যন্ত সন্মানিত ও শ্রদ্ধাশীল একজন বিচারপতি এ রকম শব্দচয়ন করবেন আমি আশা করিনি, এতে দুঃখ পেয়েছি।

তিনি বলেন, আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিধির মধ্যে বিচার বিভাগের সচিবালয় গঠনের ক্ষমতা নেই। বাংলাদেশে একটাই সচিবালয় আছে। বিচার বিভাগের সচিবালয় করতে হলে মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদন হয়ে আইন করে এবং সংসদে আইন পাস করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে আইন মন্ত্রণালয় থেকে যতটুকু সহযোগিতা করা দরকার তাই করার চেষ্টা করা হয়। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে আমাদের কমিটমেন্ট থেকে একসুতাও নড়ব না। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থাকবে, আরো বাড়বে, কমবে না।

 

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4756707আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 8এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET