খোকন দৌলতপুরঃ
কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার সংকট চরমে, রুগিরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত । ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও মেডিকেল অফিসার আছেন মাত্র ৩ জন, তারা দিন রাত চিকিৎসা সেবা দিলেও হিমসিম খাচ্ছে তারা। কারন এই উপজেলায় লোক সংখ্যা প্রায় ৬ লক্ষ, যেখানে প্রতিদিন শত শত রুগি আসে। এ বিষয়ে রুগিরা জানান, আমি ৫ দিন আগে এসেছি মেডিকেল অফিসারের দেখা খুবি কম সময়ে পেয়েছি, যদিও পেয়েছি কিন্তু তাদের ব্যবহার ভাল না,আরেক রুগি হরিন গাছি গ্রামে সজিব জানান আমি গতকাল এসেছি আমার প্রচুর জ্বর ছিল এবং আমি কোন পাশ ঘুরতে পারছিনা কিন্তু জ্বর কম হলেও পাশ ঘুরতে পারছিনা। ডাক্তার বলছে বাসায় চলে যান এখানে থাকলে আর অসুস্থ্য হয়ে যাবেন। আমার প্রশ্ন আমি এসেছি চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে, তবে কেন আর বেশি অসুস্থ্য হয়ে যাবো? আরোও এক জন রুগি বড়গাংদিয়া বাজার এলাকার আব্দুল বারি জানান আমার হাতে এমন ভাবে টেপ মেরেছে তোলার সময় আমার হাতের চামড়া সহ উঠে গেছে। কর্তব্যরত ডাক্তার তাফস কুমার ঘোস জানান, দৌলতপুর হাসপাতাল ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হলেও প্রতিদিন অনেক বেশি রুগি ভর্তি থাকে এখানে ডাক্তার সংকট চরমে, আমার কাল রাত ৯ টা থেকে সকাল ৯টা প্রর্যন্ত ডিউটি থাকলেও এখন বেলা ১২ টা ২০ বাজতে চললেও আমি চিকিৎসা দিয়ে আসছি, ব্যবহার খারাপ করবো কেন। এ বিষয়ে মেডিকেল অফিসার নিগার সুলতানা জানান, আমাদের কুষ্টিয়া জেলার ভিতরে সব চেয়ে বৃহৎ উপজেলা, সে তুলনায় ২১ জন মেডিকেল থাকার কথা থাকলেও আছে বর্তমানে ৫ জন। আমাদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমসিম খেতে হয়, আমরা কিছু কিছু সময় প্রায় খাওয়া ঘুম ত্যাগ করে এক টানা ২৪ ঘন্টা প্রর্যন্ত ডিউটি করে আসছি শুধু সাধারন মানুষের পাশে থাকার জন্য। তবে রুগির সাথে যে খারাপ ব্যবহার করেছে ডাক্তার এমনটি এখন ও আমি শুনিনি।









