শনিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের ব্যবসায়ীরা পণ্য প্রবেশ বন্ধ করে ঘর্মঘটের ডাক দেয়।
বেনাপোল কাস্টমস কার্গো শাখার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা(ইনেসপেক্টর) অলি উল্লাহ জানান, সকাল থেকে স্বাভাবিক বাণিজ্য চলছিল। হঠাৎ দুপুর ২ টার দিকে তা বন্ধ হয়ে যায়। তারা লোকমুখে জেনেছেন পণ্য খালাসে লেন-দেন নিয়ে কোন ভারত থেকে কোন পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে ঢুকছে না। পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ পণ্য দিলে তারা গ্রহনে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক বলেন, এপথে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় বেনাপোল ও পেট্রাপোল দুই বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকা রয়েছে পণ্যবাহী সহস্রধিক ট্রাক। এর মধ্যে মেশিনারি, গার্মেন্টস সামগ্রীর কাঁচামালের পাশাপাশি মাছ, পানসহ বিভিন্ন ধরনের পচনশীল পণ্য রয়েছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধান না করলে ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক লোকশানের আশঙ্কা রয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক(ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম জানান,এপথে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল বন্দর অভ্যন্তরে পণ্য ওঠা-নামা স্বাভাবিক রয়েছে। বাণিজ্য সচল করতে দুই পক্ষের সাথে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।
বেনাপোল ইমিগ্রশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলে এ পথে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
উল্লেখ্য, যোগোযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় এপথে ব্যবসায়ীরে বানিজ্যে আগ্রহ বেশি। সপ্তাহে শুক্রবার ছাড়া অন্যান্য সব দিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে ২৪ ঘন্টা আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চলে। প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান এই বন্দরে । প্রতিবছর এ বন্দর থেকে সরকার প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে থাকে।









