১লা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২১শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-

নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : জুলাই ২৭ ২০১৬, ০১:৩১ | 647 বার পঠিত

24460_f2নয়া আলো ডেস্ক- এমপিদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, সংসদ অধিবেশন শেষ হচ্ছে। এরপর আপনারা এলাকায় ফিরে যান। সেখানে নির্বাচনী এলাকার মানুষদের নিয়ে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কাজ করেন। তাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। একইসঙ্গে তিনি আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ারও নির্দেশ দেন। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের নবম তলার সরকারি দলের সভাকক্ষে আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এমন নির্দেশ দেন। বৈঠক শেষে বেশ কয়েকজন এমপির সঙ্গে কথা বললে তারা এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি পঙ্কজ দেবনাথ মানবজমিনকে বলেন, জঙ্গিবাদ এখন দেশের প্রেক্ষাপটে মূল ইস্যু। প্রধানমন্ত্রী আমাদের এলাকায় গিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশে যেন শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে, মানুষ যেন নিরাপদে থাকে- সেটি নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংসদ সদস্যদেরও পদক্ষেপ নিতে হবে। নিজ নিজ এলাকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করতেও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সারা দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ কমিটি গঠনে দলীয় সংসদ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আরও বলেন, দলমত নির্বিশেষে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ কমিটি গড়ে তুলতে হবে। এগুলোকে সত্যিকার অর্থেই কার্যকর করে তুলতে হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িতদের পাশাপাশি এতে অর্থ ও অস্ত্র জোগানদাতা ও মদতদাতাদের খুঁজে বের করারও তাগিদ দেন। তিনি বলেন, সরকার সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের উৎস খুঁজে বের করে একে পুরোপুরি দমন করতে চায়। এজন্য অন্য সবার মতো সংসদ সদস্যদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। বৈঠকসূত্র আরও জানিয়েছে, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে শান্তির ধর্ম ইসলামের প্রকৃত ব্যাখ্যা জনগণের মধ্যে প্রচারের জন্যও দলীয় সংসদ সদস্যদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। ‘বর্তমানে যে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ চলছে, সেটি প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা নয়’- দেশের এক লাখ আলেমের এমন বিবৃতিও দেশজুড়ে প্রচার করতে হবে। এটি নিশ্চিত করতে সংসদ সদস্যদেরও পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কেউ আর যাতে ইসলামের নামে জঙ্গিবাদে যুক্ত না হয়, বিপথে না যায়- অভিভাবক ও শিক্ষকদের সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা রাখতে হবে। দলীয় সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সংসদ অধিবেশন শেষ হয়ে যচ্ছে। এখন সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে মনোযোগী হতে হবে। এলাকার মানুষের পাশে থেকে তাদের সাহস যোগাতে হবে। চলমান উন্নয়ন কাজগুলো তদারকি করে এগুলো এগিয়ে নিতে হবে।’ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে তার সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, সরকার এ পর্যন্ত সফলভাবেই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করছে। যে কোনো ঘটনা ঘটার পর পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্বল্পতম সময়ে সেগুলো দমন করেছে। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সঠিকভাবে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছে। তারা এসব ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এ তদন্তের অগ্রগতিও হচ্ছে। বৈঠকে সরকার দলীয় কয়েকজন সংসদ সদস্যও বক্তব্য দেন। তারা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন। বৈঠকে সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান গুলশান ও শোলাকিয়ায় নিহত পুলিশ সদস্যদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেয়ার আহ্বান জানান। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, হুইপ আতিউর রহমান আতিক, আবদুল মান্নান, আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, হাছান মাহমুদ, ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরা, বি এইচ হারুন প্রমুখ।
‘ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলা থেকে দেশ রক্ষা পেয়েছে’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কল্যাণপুরে অভিযান চালানোয় দেশে আরেকটি ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। গুলশানের মতো আরেকটি ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের প্রচেষ্টার ব্যাপারে গোয়েন্দা সংস্থার নজরে আসায় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গতকাল তার তেজগাঁও কার্যালয়ে ৪ দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন উদ্বোধনকালে একথা বলেন। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাতে জঙ্গিদের আস্তানা ঘিরে ফেলে। অবশেষে সকালে তারা অভিযান চালালে ৯ জঙ্গি নিহত এবং অপর একজন আহত হয়। এক জঙ্গি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত সফল অভিযান পরিচালনা করেছে এবং তারা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত ছিল এবং জঙ্গিরা ভয়ঙ্কর হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ায় ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলা থেকে দেশ রক্ষা পেয়েছে। তিনি বলেন, আমরা এ ধরনের জঙ্গি হামলা রোধ করতে পেরেছি এবং এটি জীবন ও জনগণের সম্পদ রক্ষায় এখন একটি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে তাদের কৃপায় জঙ্গি ও সন্ত্রাসীরা এ ধরনের অবস্থান তৈরি করলেও আমাদের নীতি হচ্ছে এই অশুভ চক্র বাংলাদেশে কখনোই আশ্রয় পাবে না। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে একটি জনমত তৈরি হয়েছে এবং যেকোনো উপায়ে হোক আমরা তাদের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করবো। এক্ষেত্রে তিনি জেলা প্রশাসকদের বিরাট ভূমিকা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
ডিসিদের সতর্কভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ: সামপ্রদায়িকতা দূর করে সমাজ জীবনে শান্তিশৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আরো সতর্কতার সঙ্গে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনে জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ডিসিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকারি সেবা গ্রহণে মানুষ যাতে কোনোভাবেই হয়রানি বা বঞ্চনার শিকার না হন, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সম্মেলনে অংশ নেয়া ৬৪ জন জেলা প্রশাসক ও ৮ বিভাগীয় কমিশনারকে ১৯ দফা কাজের দিকনির্দেশনা দেন তিনি।  একইসঙ্গে তিনি জেলা প্রশাসকদের নিজ নিজ এলাকায় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী কমিটি গড়ে তুলে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, একদম তৃণমূল থেকে কমিটি গড়ে তুলে যারা সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত তাদের খুঁজে বের করতে হবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জনপ্রসাশন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এবং জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক। সূচনা বক্তব্য রাখেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সরকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারগণ উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তৃতা করেন- চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. মেজবাহ উদ্দিন, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক বেগম জিনাত আরা, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম এবং ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার হেলাল উদ্দিন আহমদ। জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ১৯টি নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- সরকারি সেবা গ্রহণে সাধারণ মানুষ যাতে কোনোভাবেই হয়রানি বা বঞ্চনার শিকার না হন, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও সামপ্রদায়িকতা দূর করে সমাজ জীবনের সর্বক্ষেত্রে শান্তিশৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে আরো সতর্কতার সঙ্গে এবং কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং পাচার, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার, যৌতুক, ইভটিজিং এবং বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে পরিত্রাণের জন্য দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সম্ভাবনাময় স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্যবিমোচনে ব্রতী হতে হবে। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন ও বিকাশে নেতৃত্ব প্রদানের তিনি আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার সকল স্তরে নারীশিক্ষার হার বৃদ্ধি, ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয় ত্যাগের হার হ্রাস এবং ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ নিতে হবে। ভূমি প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সরকারি ভূমি রক্ষায় সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
তিনি বলেন, কৃষি-উৎপাদন বৃদ্ধিতে সার, বীজ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ইত্যাদির সরবরাহ নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নিতে হবে। পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাপনাকে জনপ্রিয় করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। ভেজাল খাদ্যদ্রব্য বাজারজাতকরণ প্রতিরোধে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে এবং এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। পরিবেশ রক্ষার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ সংক্রান্ত আইন ও বিধি বিধানের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয় প্রশমনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২ এবং এ সংক্রান্ত স্থায়ী নির্দেশনাবলী ২০১০ অনুসারে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সাধারণ মানুষকে সহজে সুবিচার প্রদান ও আদালতে মামলার জট কমাতে গ্রাম আদালতগুলোকে কার্যকর করতে হবে। শিল্পাঞ্চলে শান্তি রক্ষা, পণ্য পরিবহন ও আমদানি-রপ্তানি নির্বিঘ্নে করা এবং চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, পেশিশক্তি ও সন্ত্রাস নির্মূল করার ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোক্তা অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির যে কোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।
শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে শিক্ষা, ক্রীড়া, বিনোদন ও সৃজনশীল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশু-কিশোরদের মধ্যে ইতিহাস চেতনা, জ্ঞানস্পৃহা ও বিজ্ঞানমনস্কতা জাগিয়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ দৃঢ়ভাবে অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা, নিপীড়ন ও বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ এবং নারী ও শিশু পাচাররোধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, কঠোরভাবে মাদক ব্যবসা, মাদক চোরাচালান এবং এর অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। পার্বত্য জেলাগুলোর উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি এ অঞ্চলের ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, বনাঞ্চল, নদী-জলাশয়, প্রাণিসম্পদ এবং গিরিশৃঙ্গগুলোর সৌন্দর্য সংরক্ষণ করতে হবে। এ ছাড়া, পর্যটনশিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং ঐতিহ্যবাহী কুটিরশিল্পের বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী জেলা প্রশাসক-বিভাগীয় কমিশনারদের নিজ নিজ এলাকায় চলমান জঙ্গি-সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি গঠনের কাজে মূল ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশে নানা ধরনের সন্ত্রাসি ঘটনা ’৭৫-র পর থেকে বারবার ঘটে যাচ্ছে। কিন্তু, ইদানিং যেটা শুরু হয়েছে আমাদের শান্তির ধর্ম ইসলামকে নিয়ে… ধর্মের নাম নিয়ে মানুষ খুন করা। কত নৃশংসভাবে হত্যা করা যা কল্পনাও করা যায় না। কাজেই যে উপসর্গ দেখা গেছে একে যে কোনোভাবে হোক মোকাবিলা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তরাঁয় সন্ত্রাসী হামলা, কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার হামলার ঘটনা উল্লেখ করে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এসব ঘটনা মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ত্বরিত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4659920আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 6এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET