৪ঠা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • সকল সংবাদ
  • নড়াইলের কালের আবর্তে গ্রাম বাংলার চিরচেনা বিলুপ্ত অনুষঙ্গ হুক্কা,আজ জাদুঘরে

নড়াইলের কালের আবর্তে গ্রাম বাংলার চিরচেনা বিলুপ্ত অনুষঙ্গ হুক্কা,আজ জাদুঘরে

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : আগস্ট ০৯ ২০১৬, ১৯:২৯ | 690 বার পঠিত

কটিয়াদীতে-কালের-আবর্তে-বিলুপ্ত-অনুষঙ্গ-‘হুক্কাউজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি-
নড়াইলের কালের আবর্তে গ্রাম বাংলার চিরচেনা বিলুপ্ত অনুষঙ্গ ‘হুক্কা, আজ জাদুঘরে আবহমান কাল থেকেই গ্রাম বাংলার মানুষের ধূমপানের অন্যতম মাধ্যম ছিল হুক্কা। ধূমপানের জনপ্রিয় এই মাধ্যম গ্রাম বাংলার বিনোদন, আতিথিয়তা, বন্ধুত্ব, সম্প্রীতির প্রতীক। সে সময় ধনী-গরীব প্রতিটি বাড়িতেই ছিল হুক্কার প্রচলন। আজ থেকে এক দুই দশক আগেও গ্রামে গঞ্জে ধুমপায়ীরা হুক্কার মাধ্যমে তামাকপানের নেশায় অভ্যস্থ ছিল। পুরুষের পাশাপাশি বয়স্ক নারী এবং ছেলে মেয়েরাও হুক্কার মাধ্যমে ধূমপান করতো। অনেকে শখের বশেও হুক্কায় দিত আয়েশি টান। কটিয়াদীতে কালের আবর্তে বিলুপ্ত অনুষঙ্গ ‘হুক্কাএছাড়া নাটক, সিনেমায়অভিনয়ে ধনীদের আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে পিতলের তৈরি ‘হুক্কা’ ও গরীবদের জন্য নারকেলের খোল দ্বারা তৈরি ‘ডাবা’ ব্যবহার করা হতো। যা মানুষের জীবনের উঁচু নীচু পার্থক্য নির্ণয় করতো। এক সময় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতীক হিসেবে ‘হুক্কা’ খুবই জনপ্রিয় ছিল।এখন সবই অতীত। কালে কালে বদলায় সমাজ, সংস্কৃতি, হারায় ঐতিহ্য। তেমনি কালের আবর্তেই হারিয়ে গেছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যের অনুষঙ্গ ‘হুক্কা’কটিয়াদী জালালপুর এলাকার কয়েকজন প্রবীণের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গ্রামের বিভিন্ন বৈঠকখানায় মেহমানদের জন্য প্রধান আকর্ষন ছিল হুক্কা। যে কোনো বয়সের ছেলে ও বয়স্করা হুক্কার নেশায় মাতোয়ারা ছিল। তামাক পাতাগুলোকে টুকরো টুকরো করে কেটে এতে চিটাগুড় মিশ্রিত করে তৈরি হত হুক্কার প্রধান উপাদান ‘তামুক’। তামুক মাটির তৈরি কলকি’র মধ্যে দিয়ে কয়লা দ্বারা ‘টিক্কা’র মাধ্যমে আগুন দিয়ে ধূমপান করা হতো। এটা একপ্রকার নেশার মতো। হুক্কায় ধূমপানের জন্য এক সময় হাটবাজারে তামাকের গুড়ি গুলো মিশ্রিত করে বিক্রি করতে দেখা যেতো, বিক্রি করা হতো নারকেলের খোল দ্বারা হাতে তৈরি হুক্কা। যা ‘ডাবা’ নামে পরিচিত ছিল। হুক্কা নিয়ে গ্রাম বাংলায় একটি জনপ্রিয় লোকগান প্রচলিত ছিল। প্রাণের হুক্কারে/ তোর নাম কে রাখিলো ডাবা,/ হুক্কা আমার নাতিপুতি/ হুক্কা আমার বাবা। কালের পরিক্রমায় কটিয়াদী উপজেলার গ্রামে গ্রামে হুক্কায় তামাকপানের যে প্রচলন ছিল তা আর দেখা যায় না। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই হুক্কায় ধূমপান করা দূরে থাক চোখেই দেখেনি হুক্কা। হুক্কার জায়গা দখল করে নিয়েছে বিড়ি, সিগারেট, গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য। যার মধ্যে রয়েছে মারাত্মক ক্ষতিকর নিকোটিন। তার পরেও এই মরণ নেশায় জড়িয়ে পড়েছে যুব সমাজ। যাদের নিয়ে দেশের সব অভিভাবকমহল থাকেন সব সময় উদ্বিগ্ন। এক কালের গ্রাম বাংলার অতি প্রয়োজনীয় উপাদান ‘হুক্কা’ আজ বিলুপ্তির পথে

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4664997আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 3এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET