৫ই আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ২১শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৫শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • সকল সংবাদ
  • নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভা নির্বাচন আওয়ামী লীগে একাধীক বিদ্রোহী প্রার্থী, সুবিধায় বিএনপি

নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভা নির্বাচন আওয়ামী লীগে একাধীক বিদ্রোহী প্রার্থী, সুবিধায় বিএনপি

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : আগস্ট ০২ ২০১৬, ২১:০০ | 660 বার পঠিত

index-8-660x330উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রথমবারের মতো একজন নারী প্রার্থী হয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী লিপি খানম। এতে সুবিধা হতে পারে বিএনপির একক প্রার্থীর। অনেক ভোটার এমনটিই মনে করেন। আগামী ৭ আগষ্ট এ পৌরসভার ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। পৌরসভা প্রতিষ্টার পর অনুষ্ঠিত দুটি নির্বাচনেই জয়ী হন নেওয়াজ আহম্মেদ ঠাকুর। তিনি জেলা বিএনপির সহসভাপতি,এবারও দলীয় প্রার্থী। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী দুই প্রার্থী হলেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আশরাফুল আলম ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য শরিফুল ইসলাম। আওয়ামী লীগের স্থানীয় কয়েকজন নেতা-কর্মী ও বেশ কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,২০১১ সালের নির্বাচনে ৪ হাজার ৮শ ভোট পেয়ে নেওয়াজ আহম্মেদ ঠাকুর দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আশরাফুল আলম,৪ হাজার ৫শ ৮৬ ভোট। এর আগে ২০০৫ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের তিনজন প্রার্থী ছিলেন। তখনো নেওয়াজ আহম্মেদ ঠাকুর জয়ী হন। এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন সাতজন। এর মধ্যে লিপি খানম নতুন মুখ। অন্যরা দির্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দায়ীত্বশীল ভূমিকায় রয়েছেন। তিনি মনোনয়ন পাওয়ায় আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতারা বঞ্চিত হয়েছেন। এতে অধিকাংশ তৃণমুল নেতা-কর্মীরা ক্ষোভে-কষ্টে বিদ্রোহী প্রার্থীদের দিকে ঝুকে পড়ছেন। সব মিলিয়ে বিএনপির প্রার্থী সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।জানতে চাইলে লিপি খানম দেশের সংবাদকে বলেন, ‘আমি ঢাকার ইডেন কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্যে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছি। ১৯৯০-৯৫ সাল পর্যন্ত কলেজ ছাত্র রাজনীতির সাথে থেকে কাজ করেছি। ঢাকায় ধানমন্ডি থানা আওয়ামী লীগের সক্রিয় রাজনীতিতে আছি। আমার যোগ্যতার বিবেচনায় মনোনয়ন পেয়েছি। আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। ভোটারদের কেউ কেউ বলছেন, পৌরসভা নির্বাচনে এর আগেও আঞ্চলিকতার প্রভাব লক্ষ করা গেছে। পৌর এলাকাকে লক্ষীপাশা-লোহাগড়া, বিভক্ত করেছে নবগঙ্গা নদী। এ ক্ষেত্রে সুবিধায় রয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী আশরাফুল আলম। তার পৈতৃক বাড়ি লোহাগড়ার আমডাঙ্গায়। কিন্তু দীর্ঘদিনের বসবাস লক্ষীপাশায়। তাই উভয় পারেই তাঁর পক্ষে রয়েছে সরব প্রচার-প্রচারনা। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আশরাফুল আলম বলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম। এরপর যুবলীগের সভাপতি হয়ে মাঠে ময়দানে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের চাপে প্রার্থী হয়েছি। অন্য প্রার্থীর মধ্যে আমিই গরিব। তাই গরিব মানুষই আমার সাথে বেশি। তৃণমূল নেতা-কর্মীসহ পৌর এলাকার সব পর্যায়ের ভোটাররা আমার পক্ষে ব্যাপক সাড়া দিচ্ছেন।অপর প্রার্থী শরিফুল ইসলাম বলেন, নৌকার প্রার্থীর যে অবস্থা র‌্যাব-পুলিশের পাহারায় নৌকা নিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে। আমি দল ও জনগনের জন্য কাজ করেছি। ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে বলে আমি আশাবাদি।এদিকে নেওয়াজন আহম্মেদ ঠাকুর বলেন, আশা করা যায়,যোগ্যতার বিবেচনায় ভোটাররা দলমত-নির্বিশেষে ধানের শীষেই ভোট দিয়ে আমাকে পূনরায় জয়যুক্ত করবে ইনশাআল্লাহ।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4666396আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 1এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET