১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ৫ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৫ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • সকল সংবাদ
  • নড়াইলে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ছোট-বড় মিলিয়ে কালি বাউস, টেংরা, চাপিলা, পুঁটি, খইলশা, রুই, কাতল, বোয়াল, শিং, মাগুর!!

নড়াইলে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ছোট-বড় মিলিয়ে কালি বাউস, টেংরা, চাপিলা, পুঁটি, খইলশা, রুই, কাতল, বোয়াল, শিং, মাগুর!!

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : অক্টোবর ২১ ২০১৬, ১২:৫৪ | 656 বার পঠিত

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি ■

নড়াইলে ছোট-বড় মিলিয়ে ভালোই মাছ পেয়ে সারাদিনে চার থেকে পাঁচ কেজি মাছ পাই। আরো অনেকেই এখানে মাছ ধরায় ব্যস্ত। কেউ নৌকা নিয়ে মাঝখানে গিয়ে বড়মাছ ধরার জাল ফেলছেন। আবার কেউ ‘ঠেলা জাল’ দিয়ে নদীর নিচ থেকে তীরে টেনে এনে মাছ ধরছেন। অনেকে আবার ‘হাত জাল’ দিয়ে মাছ ধরছেন। দেখে মনে হচ্ছে, এ যেনো মাছ ধরার এক উত্সব।মশারির কাপড় নিয়ে দুই দিকে কয়েক জন ধরে নদীর তীর ধরে ভেসে যাওয়া কচুরিপানার নিচ দিয়ে টেনে আনছেন কেউ কেউ। সেখানে পাওয়া যাচ্ছে ছোট মাছ। এ ছাড়া বাঁশের মাচা তৈরি করে এতে ভেসাল জাল বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর পর তুললেই পাওয়া যাচ্ছে ছোট ছোট মাছ। বাঁশের মাচায় খালি গায়ে বসে থাকতে দেখা যায় আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের পাঠানো তথ্যর ভিতিতে জানা যায়‘ মধ্যবয়সী বাসিন্দা। নৌকা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি বলেন, ‘জাল ফেলে বসে আছি। কিছুক্ষণ পর পর তুলতে হয়। একবার তুললে পাঁচ-সাতটা মাছ পাওয়া যায়। গিয়ে দেখা যায়, অনেকেই মেতেছেন মাছ ধরার উত্সবে। তাদের জালে ধরা পড়ছে দেশীয় অনেক প্রজাতির মাছ। জেলেরা বলেন, বুড়িগঙ্গায় মাছ পাওয়া তাদের কাছে অনেকটা স্বপ্নের মতোই। এলাকায় গিয়ে দেখা যায় একদল জেলে জাল ফেলে মাছ ধরছেন। জানতে চাইলাম, মাছ পাওয়া যায়? একজন জেলে বললেন, পুঁটি, খইলশা, আর নলা; মইদ্যে মইদ্যে রুই মাছও পাইয়া যাই। নদীতে দেখা হয় রাজবংশীর সঙ্গে। তিনি প্রতিরাতে মাছ ধরতে যান নদীতে। তার মতো আরো সাতটি নৌকা আছে এই জেলে পাড়ায়। সন্ধ্যার পর আটজনের দল যায় নদীতে। সারা রাত মাছ ধরে সকালে কাছে মাছ বিক্রি করেন তারা। মাছের পরিমাণ আগের চাইতে কম হলেও বাপ দাদার পেশাটা আকড়ে ধরে আছেন, বুড়িগঙ্গায় অক্সিজেনের মাত্রা কত, বিষাক্ত নানা গ্যাসের পরিমাণ, কোথায় কি দূষণ হচ্ছে, এসব নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। এর বাইরেও বুড়িগঙ্গার অনেক রূপ আছে। কাশফুল, বক, মাছরাঙ্গা, পাল তোলা নৌকা, জেলে আর মাঝি। এই নদীকে ঘিরে অনেক উত্সব এখনো টিকে আছে। এছাড়া গত কয়েক দিনে বুড়িগঙ্গায় ঝাঁকে ঝাঁকে কালা বাউস মাছ ধরা পড়ছে বলেও জানান তিনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বুড়িগঙ্গাকে আগের অবস্থায় নিয়ে আসতে হলে, মাছের আবাস ফিরিয়ে আনতে হলে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। এছাড়া বুড়িগঙ্গা খনন করতে হবে। অন্য নদী দিয়ে বুড়িগঙ্গায় পানি এনে প্রবাহ বাড়াতে হবে। জোয়ার-ভাটা ঠিক রাখার উদ্যোগ নিতে হবে। গৃহস্থলী বর্জ্য পানি প্রবাহে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে। করতে হবে অক্সিজেনের মাত্রা শূন্যের কোঠায়। সেখানে কোনো প্রাণ থাকতে পারে না। বর্ষায় নদীতে পানি বেড়েছে। তাই নদীতে প্রাণও ফিরেছে। সারা বছরই আমরা নদীর এ অবস্থা দেখতে চাই। নদীতে মাছ পেতে হলে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ প্রতি লিটারে অবশ্যই ৫ মিলিগ্রামের বেশি থাকতে হয়। সেই হিসেবে ধারণা করা যায়, বুড়িগঙ্গায় দূষণের পরিমাণ আগের চেয়ে কমেছে। বিশ্বে নদী দূষণের হাত থেকে রক্ষার অনেক উদাহরণ রয়েছে। লন্ডনের টেমস নদীর ভয়াবহ দূষণে চারবার মহামারি আকারে কলেরা ছড়িয়ে পড়ে। ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। তবুও টেমস নদী দূষণমুক্ত হয়েছে। ফিরে এসেছে প্রাণ। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করে বুড়িগঙ্গাকেও বাঁচাতে পারলে বদলে যাবে চিত্র।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4491967আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 8এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET