১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ২রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৯ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

শিরোনামঃ-

নড়াইলে যেভাবে বাঙালীর প্রধান খাদ্য মাছের বংশ হচ্ছে ধ্বংশ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : নভেম্বর ০৬ ২০১৬, ২০:৩২ | 646 বার পঠিত

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি ■

নড়াইল-৫-নভেম্বর,২০১৬,: আশ্বিন-কার্তিক দুই মাস দেশের প্রাকৃতিক মাছের মৌসুম। এসময় দেশের নদী-নালা, বিল-ঝিল, খানা-খন্দরে প্রচুর সংখ্যক মাছ ধরা পরে। এমন এক সময় ছিল যখন এসব জলাশয়ে এত বেশী সংখ্যক মাছ ধরা পরতো যে বাঙালী সমাজের মানুষ এসব মাছ নড়াইলে খেয়ে শেষ করতে পারতো না। নড়াইল বাজারে এত মাছ বিক্রিও হতো না। বাধ্য হয়ে মানুষ এসব মাছ শুকিয়ে রাখতো। অভাবের সময় জাউ রেঁধে খেতো। ধারণা করা হয় সে সময়ে বাঙালীদের প্রধান খাদ্য ছিল মাছ। দ্বিতীয় প্রধান খাদ্য ছিল ভাত। এসময়ের সৃষ্টি হয় সেই বিখ্যাত প্রবাদ মাছে-ভাতে বাঙালী। আজ আর সে দিন নেই। এবছর আশ্বিন মাস গড়িয়ে কার্তিক মাস এসেছে। বাজারে প্রাকৃতিক গুড়া মাছের দেখা নেই। স্বল্প কিছু যাও মিলছে তা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। এরই মধ্যে বাজারে আমদানী হচ্ছে নদী-নালাসহ বিভিন্ন জলাশয়ের শেষ পর্যায়ের ছোট মাছ। এসব মাছ শিকার করা আইনতঃ নিষিদ্ধ। কিন্তু এরপরও ছোট পাই’র ছাকনি কারেন্ট জাল দিয়ে জলাশয়গুলো ছেকে ছেকে মাছের বংশ নির্বংশ করে দিচ্ছে এক শ্রেণির মাছ শিকারি। তবে এরা প্রকৃত জেলে নয়। এরা হচ্ছে সমাজের প্রথাগত নেতা। জাল যার জলা তার এই ভিত্তিতে জলাশয়ের মালিকানা এখন আর নেই। এখন প্রকৃত জেলেরা হচ্ছে প্রথাগত নেতাদের আধুনিক দাস। এ প্রথাগত নেতাদের দখলাধীনে চলে গেছে নদী-নালা, বিল-ঝিল, খানা-খন্দরসহ সকল প্রকার জলাশয়। আর একারণেই দেশের সম্পদ প্রাকৃতিক মাছের প্রতি এদের কোন দরদ নেই। এদের দরদ শুধু টাকার প্রতি। টাকার লোভে এরা দিনের পর দিন ধ্বংস করে দিচ্ছে মাছের বংশ। অথচ এসব দেখারও কেউ নেই। এই অত্যন্ত ছোট ছোট মাছের ছবিটি গতকাল নড়াইল মাছ বাজার থেকে তোলা হয়েছে।আশ্বিন-কার্তিক দুই মাস দেশের প্রাকৃতিক মাছের মৌসুম। এসময় দেশের নদী-নালা, বিল-ঝিল, খানা-খন্দরে প্রচুর সংখ্যক মাছ ধরা পরে। এমন এক সময় ছিল যখন এসব জলাশয়ে এত বেশী সংখ্যক মাছ ধরা পরতো যে বাঙালী সমাজের মানুষ এসব মাছ খেয়ে শেষ করতে পারতো না। বাজারে এত মাছ বিক্রিও হতো না। বাধ্য হয়ে মানুষ এসব মাছ শুকিয়ে রাখতো। অভাবের সময় জাউ রেঁধে খেতো। ধারণা করা হয় সে সময়ে বাঙালীদের প্রধান খাদ্য ছিল মাছ। দ্বিতীয় প্রধান খাদ্য ছিল ভাত। এসময়ের সৃষ্টি হয় সেই বিখ্যাত প্রবাদ মাছে-ভাতে বাঙালী। আজ আর সে দিন নেই। এবছর আশ্বিন মাস গড়িয়ে কার্তিক মাস এসেছে। বাজারে প্রাকৃতিক গুড়া মাছের দেখা নেই। স্বল্প কিছু যাও মিলছে তা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। এরই মধ্যে বাজারে আমদানী হচ্ছে নদী-নালাসহ বিভিন্ন জলাশয়ের শেষ পর্যায়ের ছোট মাছ। নড়াইলে এসব মাছ শিকার করা আইনতঃ নিষিদ্ধ। কিন্তু এরপরও ছোট পাই’র ছাকনি কারেন্ট জাল দিয়ে জলাশয়গুলো ছেকে ছেকে মাছের বংশ নির্বংশ করে দিচ্ছে এক শ্রেণির মাছ শিকারি। তবে এরা প্রকৃত জেলে নয়। এরা হচ্ছে সমাজের প্রথাগত নেতা। জাল যার জলা তার এই ভিত্তিতে জলাশয়ের মালিকানা এখন আর নেই। এখন প্রকৃত জেলেরা হচ্ছে প্রথাগত নেতাদের আধুনিক দাস। এ প্রথাগত নেতাদের দখলাধীনে চলে গেছে নদী,নালা,বিল,ঝিল, খানা,খন্দরসহ সকল প্রকার জলাশয়। আর একারণেই দেশের সম্পদ প্রাকৃতিক মাছের প্রতি এদের কোন দরদ নেই। এদের দরদ শুধু টাকার প্রতি। টাকার লোভে এরা দিনের পর দিন ধ্বংস করে দিচ্ছে মাছের বংশ। অথচ এসব দেখারও কেউ নেই। এই অত্যন্ত ছোট ছোট মাছের ছবিটি থেকে তোলা হয়েছে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4719108আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 1এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET