২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

শিরোনামঃ-

নড়াইলে রাস্তা ছাড়াই পাউবোর সেতু, এলাকাবাসী ভোগান্তি

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : নভেম্বর ০৮ ২০১৬, ১৩:২৬ | 642 বার পঠিত

kal-bart-pic-8-11-16উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি-

নড়াইলে কোনো সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করেই নড়াইল পৌরসভার পাথরঘাটা ও জলেশ্বর বিলের মধ্যে একটি সেতু নির্মাণ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। ২০১৪ সালে এ সেতুর নড়াইলের নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। ৬নভেম্বর সরেজমিনে দেখা যায়, পাথরঘাটা ও জলেশ্বর বিল এলাকায় প্রায় ১৫ ফুট উঁচু একটি সেতু। সেতুর কোনো সংযোগ সড়ক নেই। সেতু-সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা ইব্রাহিম মোল্লা (৪৫) বলেন, ‘বিরিজ এহোন তা গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াইছে। বিরিজে গরুর গাড়ি উঠে না। মাথায় বোঝা নিয়ে উঠতি গিলি হোঁচট খাতি হয়।’ আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের পাঠানো তথ্যর ভিতিতে জানা যায় এলাকাবাসী স্থানীয় কৃষকেরা বলেন, পৌর শহরের সঙ্গে ভওয়াখালি, বাহিরডাঙ্গা ও দুর্গাপুর গ্রামের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ২০ হাজার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে একটি সেতু নির্মাণের দাবি করে আসছিল। ধানসহ নানা ফসলাদি আনা-নেওয়া করতে কৃষকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে পাউবোর অধীনে ২০১১ সাল থেকে এ সেতুর কাজ শুরু হয়। ২০১৪ সালে কাজ শেষ হয়। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় তাঁরা এ উঁচু সেতু দিয়ে পণ্যবোঝাই গাড়ি আনা-নেওয়া করতে পারছেন না। বাহিরডাঙ্গা গ্রামের কৃষক নিরঞ্জন ঘোষাল (৬৫) বলেন, সেতুটি নির্মাণের আগে তিন গ্রামের কৃষকেরা বিলের ভেতর দিয়ে গরুর গাড়িতে করে জমির ধানসহ নানা ফসল নিয়ে যেতেন। সেতু নির্মাণের পর দুই পাশে রাস্তা না করায় কৃষকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিকল্প আর কোনো রাস্তাও নেই। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে তাঁদের দুর্ভোগ চরমে ওঠে। বাধ্য হয়ে তাঁরা সেতুর দুই পাশে কিছু মাটি দিয়ে চলাচলের মতো রাস্তা করে নিয়েছেন। ভওয়াখালী গ্রামের ফুলজান বেগম (৭০) বলেন, ‘বিরিজির দুই পাশে রাস্তা না থাকায় এহোন গরুর গাড়িতে করে ফসল নিয়া যাচ্ছে না। গিরামের মানুষেরা বিরিজির দুই পাশে মাটি দিলিও বৃষ্টির পানিতে তা ধুয়ে গেছে।’ নড়াইল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল বিশ্বাস বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজ শেষ করে ২০১৪ সালে পাউবো কর্তৃপক্ষের কাছে সেতু হস্তান্তর করে। কিন্তু সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাটসহ রাস্তা নির্মাণ না করায় কৃষকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী এ এইচ এম আল-জহির বলেন, সেতুটি তাঁর কার্যকালে নির্মাণ করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনি খুব বেশি জানেন না। তবে পুরোনো কর্মকর্তাদের কাছে শুনেছেন, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে সাউথ ওয়েস্ট প্রকল্পের আওতায় এ ধরনের বেশ কয়েকটি সেতু নির্মাণ করা হয়।কোনো সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করেই নড়াইল পৌরসভার পাথরঘাটা ও জলেশ্বর বিলের মধ্যে একটি সেতু নির্মাণ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। ২০১৪ সালে এ সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। ৪ নভেম্বর সরেজমিনে দেখা যায়, পাথরঘাটা ও জলেশ্বর বিল এলাকায় প্রায় ১৫ ফুট উঁচু একটি সেতু। সেতুর কোনো সংযোগ সড়ক নেই। সেতু-সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা ইব্রাহিম মোল্লা (৪৫) বলেন, ‘বিরিজ এহোন তা গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াইছে। বিরিজে গরুর গাড়ি উঠে না। মাথায় বোঝা নিয়ে উঠতি গিলি হোঁচট খাতি হয়।’ স্থানীয় কৃষকেরা বলেন, পৌর শহরের সঙ্গে ভওয়াখালি, বাহিরডাঙ্গা ও দুর্গাপুর গ্রামের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ২০ হাজার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে একটি সেতু নির্মাণের দাবি করে আসছিল। ধানসহ নানা ফসলাদি আনা-নেওয়া করতে কৃষকদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে পাউবোর অধীনে ২০১১ সাল থেকে এ সেতুর কাজ শুরু হয়। ২০১৪ সালে কাজ শেষ হয়। কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় তাঁরা এ উঁচু সেতু দিয়ে পণ্যবোঝাই গাড়ি আনা-নেওয়া করতে পারছেন না। বাহিরডাঙ্গা গ্রামের কৃষক নিরঞ্জন ঘোষাল (৬৫) বলেন, সেতুটি নির্মাণের আগে তিন গ্রামের কৃষকেরা বিলের ভেতর দিয়ে গরুর গাড়িতে করে জমির ধানসহ নানা ফসল নিয়ে যেতেন। সেতু নির্মাণের পর দুই পাশে রাস্তা না করায় কৃষকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিকল্প আর কোনো রাস্তাও নেই। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে তাঁদের দুর্ভোগ চরমে ওঠে। বাধ্য হয়ে তাঁরা সেতুর দুই পাশে কিছু মাটি দিয়ে চলাচলের মতো রাস্তা করে নিয়েছেন। ভওয়াখালী গ্রামের ফুলজান বেগম (৭০) বলেন, ‘বিরিজির দুই পাশে রাস্তা না থাকায় এহোন গরুর গাড়িতে করে ফসল নিয়া যাচ্ছে না। গিরামের মানুষেরা বিরিজির দুই পাশে মাটি দিলিও বৃষ্টির পানিতে তা ধুয়ে গেছে।’ নড়াইল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল বিশ্বাস বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজ শেষ করে ২০১৪ সালে পাউবো কর্তৃপক্ষের কাছে সেতু হস্তান্তর করে। কিন্তু সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাটসহ রাস্তা নির্মাণ না করায় কৃষকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী এ এইচ এম আল-জহির বলেন, সেতুটি তাঁর কার্যকালে নির্মাণ করা হয়নি। এ বিষয়ে তিনি খুব বেশি জানেন না। তবে পুরোনো কর্মকর্তাদের কাছে শুনেছেন, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে সাউথ ওয়েস্ট প্রকল্পের আওতায় এ ধরনের বেশ কয়েকটি সেতু নির্মাণ করা হয়।#

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4722263আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 1এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET