১৫ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ২রা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২রা রমজান, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • অপরাধ দূনীর্তি
  • নড়াইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাকে অমান্য করে কোচিং বাণিজ্য চলছে,কোচিং শিক্ষকরা নিম্নমানের প্রকাশনীর গাইড বই কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে

নড়াইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাকে অমান্য করে কোচিং বাণিজ্য চলছে,কোচিং শিক্ষকরা নিম্নমানের প্রকাশনীর গাইড বই কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : অক্টোবর ২৪ ২০১৬, ১৬:২০ | 666 বার পঠিত

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি ■
নড়াইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাকে অমান্য করে অবাধে চলছে কোচিং বাণিজ্য। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলছেন কিছুই জানেন না। আর প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলছেন এ বাণিজ্য করছে মাধ্যমিক শিক্ষকরা। অথচ প্রতিটি নড়াইলে সরকারি বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শ্রেণির শিক্ষকরা অবৈধভাবে এ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। কোচিং সেন্টারগুলোতে শিক্ষকরা নিম্নমানের বিভিন্ন প্রকাশনীর গাইড বই পড়তে ও কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীদের। বিনিময়ে এসব অসাধু শিক্ষকরা পাচ্ছে মূল্যবান উপঢৌকন ও মোটা অংকের অর্থ। এ কারণে বিদ্যালয়ে পাঠদানে শিক্ষকদের আন্তরিকতার অভাব রয়েছে বলে মনে করে তারা। বছর শুরু হতে না হতেই শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে নড়াইল শহরের সর্বত্র দেখা যাচ্ছে ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন। এসব কোচিং সেন্টার থেকে লাখ লাখ টাকা আয় হলেও সরকার কোন রাজস্ব পাচ্ছে না। সরকারি আইন অমান্য করে এসব চললেও অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় দেখার কেউ নেই। অথচ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা অনুযায়ী এসব সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও শিক্ষা কর্মকর্তাদের রহস্যজনক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অভিভাবক মহলে। তারা এ বাণিজ্য রোধে প্রশাসনের সহযোগিতা চাইছেন। এমনকি প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান কামনা করছেন। দেশের সরকারি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য নীতিমালায় উল্লেখ করা হয় ‘এক শ্রেণির শিক্ষক বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কোচিং পরিচালনা করে আসছে। এটি বর্তমানে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা কোচিং বাণিজ্যর সাথে যুক্ত শিক্ষকদের কাছে জিম্মি হয়ে পরেছে। যা পরিবারের উপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে। এ ব্যয় নির্বাহে অভিভাবকগণ হিমশিম খাচ্ছেন। এছাড়া অনেক শিক্ষক শ্রেণি কক্ষে পাঠদানে মনোযোগী না হয়ে কোচিং এ বেশি সময় ব্যয় করছে। এ ক্ষেত্রে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা এবং অভিভাবকগণ চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ সম্পর্কিত হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা রিট পিটিশন নং ৭৩৬৬,২০১১ এর আদেশের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপর কোচিং বাণিজ্য বন্ধে একটি গেজেট নোটিফিকেশন বা অন্য কোন রূপ আদেশ প্রদানের নির্দেশনা আছে। সার্বিক পরিস্থিতি ও হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকার কর্তৃক এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে’ বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়। কোচিং বাণিজ্য চলছে মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোতে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কোন কোচিং নীতিমালা নেই। তেমনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার মধ্যেও নির্দেশনা না আসায় কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর বলেন, বতর্মানে শিক্ষকদের মধ্যে কোচিং বাণিজ্যের একটি অশুভ চর্চা শুরু হয়েছে। কমেছে শ্রেণি কক্ষে পাঠদানের মান। অভিভাবকরাও শিক্ষকদের কথায় প্ররোচিত হয়ে অধিক নম্বরের আশায় কোচিংকেই বেশি প্রধান্য দিচ্ছে। এ ব্যাপারে শিক্ষক এবং অভিভাবকদের মানসিকতার পরিবর্তন এনে কর্তব্য নিষ্ঠা ও হালাল আহার অর্জনের দিকে মনোনিবেশ করার পরামর্শও দেন তিনি।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4487840আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 7এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET