২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-

নড়াইল জমিদার রতন বাবুর পোস্ট অফিস। আসেনা চিঠি ডাকেনা রানার!

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : আগস্ট ১৭ ২০১৬, ১৫:৩৬ | 652 বার পঠিত

unnamed-348-272x125উজ্জ্বল রায় ,নড়াইল জেলা প্রতিনিধি-
মনে পড়েযায় প্রয়াত কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য পোস্ট অফিসের চিঠিবাহক রানারের জীবন-যাপন নিয়ে তার বিখ্যাত রানার কবিতায় লিখেছিলেন, রাত নির্জন, পথে কত ভয়, তবুও রানার ছোটে দস্যুর ভয়, তারও চেয়ে ভয় কখন সূর্য ওঠে।কিন্তু ই-মেইল-ইন্টারনেটের যুগে রানারের সেই ব্যস্ততা বর্তমানে নেই। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জল রায়ের পাঠানো তথ্য ও ছবির ভিততে জানাজায় । কালের অতল গহ্বরে হারিয়ে যেতে বসেছে সরকারি টেলিফোন, ডাকঘরের চিঠি, টেলিগ্রাম। কতিপয় কর্মকর্তার দুর্নীতি, লুটপাট আর পরিকল্পনাহীনতায় সরকারি প্রতিষ্ঠানটি পিছিয়ে পড়েছে। প্রতি বছরই লোকসানের মুখে ডাক বিভাগ। হারিয়ে যাচ্ছে চিঠি ইন্টারনেট, ইমেইল আর ফেসবুক-টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগে বন্দি হয়ে আছে একসময়ের জনপ্রিয় যোগাযোগ-মাধ্যম চিঠি, ডাকপিয়ন, ডাকবাক্স ও ডাকঘর। প্রিয়জনের খবর জানতে এখন আর কারও ডাকপিয়নের অপেক্ষায় থাকতে হয় না। মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেটের অবাধ বিচরণে চিঠি যেন পুরনো ফ্যাশন। ঠিকানা মানেই ই-মেইল ঠিকানা। এই সেদিন, ২০০৪ সালেও দেশে ২৩ কোটি চিঠি লেনদেন হয়েছে। পুরনো দিনের চিঠি আজও প্রবীণ ও মধ্যবয়সীদের জীবন অধ্যায়ের পাতা হয়ে আছে। ডাকটিকিটের মাধ্যমে সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে পোস্ট অফিসের (ডাকঘর) পালা শুরু হয় ১৮৪০ সালে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এ ব্যবস্থা। খাম, পোস্টকার্ড, ডাকটিকিট, মানি অর্ডার মিলিয়েই ছিল প্রথম দিককার ডাক বিভাগ। পরবর্তী সময়ে ডাক বিভাগে যুক্ত হয় সরকারের নানা পরিসেবা। নানা অনিশ্চয়তায় এখন সরকারি কাজের চিঠিও অনেক সময় বেসরকারি কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠানো হচ্ছে। দিন দিন ব্যক্তিগত চিঠি হারিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী সারা দেশে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে সাধারণ চিঠি আদান-প্রদান হয়েছে ৫ কোটি আর ২০১৪-১৫ সালে হয়েছে ৪ কোটি। আর রেজিস্টার চিঠির আদান-প্রদান হয়েছে প্রায় ৭ কোটি। কাজেই বোঝা যাচ্ছে প্রতিবছর ব্যক্তিগত চিঠির ব্যবহার ক্রমেই কমছে। বিভিন্ন সার্ভিসেও পিছিয়ে সেবার মান দুর্বল হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক মানি অর্ডার নেমে এসেছে অর্ধেকে। অভ্যন্তরীণ মানি অর্ডারের প্রতিযোগিতাতেও টিকতে পারছে না ডাক বিভাগ। ২০১০-১১ অর্থবছরে যেখানে অভ্যন্তরীণ মানি অর্ডার ইস্যু হয়েছে ১৫ লাখ সেখানে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ইস্যু হয়েছে মাত্র তিন লাখ। আন্তর্জাতিক মানি অর্ডারের প্রায় ৮০ ভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক। ২০১০-১১ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক মানি অর্ডার ট্রানসেকশন হয়েছে ১ হাজার ১৫৯টি সেখানে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক মানি অর্ডার ট্রানসেকশন হয়েছে মাত্র ২৫২টি। পার্সেল কমে গেছে আশঙ্কাজনকভাবে। স্ট্যাম্প বিক্রির অবস্থাও বেহাল। ইএমটিএস ও পোস্টাল কার্ড বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও নানা কারণে তা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রচার-প্রচারণার অভাবে সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও গ্রাহক বাড়ানো যাচ্ছে না। ডাকঘরের অন্যান্য সেবা কার্যক্রমের মধ্যে ই-ব্যাংকিং, জীবন বিমা, সাধারণ বিমাসহ সরকারি চিঠিপত্র, পার্সেল ইত্যাদি নানামুখী সুবিধা ও কার্যক্রম চালু আছে। তবে ডাক বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে ই-ব্যাংকিং সেবাটিই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। বর্তমানে বিভিন্ন পোস্ট অফিসে সাম্প্রতিক যে ব্যস্ততা দেখা যায় সেটা মূলত ই-ব্যাংকিং ও ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফারের কারনে।ডাকঘর যেন ভূতের বাড়ি ডাক বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে সারা দেশে মোট পোস্ট অফিসের সংখ্যা ৯ হাজার ৮৮৬টি। সব মিলিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন ১৭ হাজার। আর ভাতাপ্রাপ্ত লোকবলের সংখ্যা ২৪ হাজারের বেশি। দীর্ঘদিন থেকে সংস্কারের জন্য বড় ধরনের বরাদ্দ না হওয়ার কারণে বর্তমানে বেশিরভাডাকঘরের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। প্রত্যন্ত অঞ্চলের পোস্ট অফিস দেখে বোঝার উপায় নেই যে, এটা অফিস না ভূতের বাড়ি। প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও জনবলের অভাবে ভাঙা চেয়ার, টেবিল, কাঠের বাক্স আর খোলামেলা আলমিরায় কোনোমতে চলছে ডাকঘরের কার্যক্রম। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকারি আসবাবপত্রের বরাদ্দ হলেও তা উপজেলা ও শাখা পর্যায়ের ডাকঘরগুলোতে এসে পৌঁছায় না। ফলে আসবাবপত্রের অভাব দীর্ঘদিন লেগে থাকে। প্রয়োজনীয় আলমিরা না থাকায় অফিসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ফেলে রাখা হচ্ছে অরক্ষিত অবস্থায়। তবু চিঠি থাক ইন্টারনেট ই-মেইলের এ যুগে হাতে লেখা চিঠির প্রচলন নেই বললেই চলে। পত্র-মিতালির মতো মধুর বিষয়টি এখন অতীত দিনের স্মৃতি। এমন একটা সময় ছিল যখন পত্রমিতালির মাধ্যমে সমমনা মানুষ কিংবা তরুণ-তরুণীদের মধ্যে সম্পর্কের ভিত রচিত হতো। চিঠির ওপর নির্ভর করে টিকে থাকতো নানা রকম সামাজিক সম্পর্ক। চিঠির মাধ্যমে অনুভব করা যেত মানুষের হৃদয়ে উত্তাপ, প্রীতি, ভালোবাসা, অনুরাগ কিংবা বিরাগের বিষয়টি। পত্রসাহিত্য আমাদের বাংলা সাহিত্যে একটি মর্যাদার স্থান নিয়ে আজও অম্লান। সে কারণেই বিভিন্ন মহল এক সুরে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন, চিঠি আদান প্রদানের ব্যবস্থাটা যেন ডাক বিভাগ থেকে উঠে না যায়। হোক, ই-মেইল-ইন্টারনেটের যুগ, তবু চিঠি থাক। প্রয়াত কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য পোস্ট অফিসের চিঠিবাহক রানারের জীবন-যাপন নিয়ে তার বিখ্যাত রানার কবিতায় লিখেছিলেন, রাত নির্জন, পথে কত ভয়, তবুও রানার ছোটে/ দস্যুর ভয়, তারও চেয়ে ভয় কখন সূর্য ওঠে।কিন্তু ই-মেইল-ইন্টারনেটের যুগে রানারের সেই ব্যস্ততা বর্তমানে নেই। কালের অতল গহ্বরে হারিয়ে যেতে বসেছে সরকারি টেলিফোন, ডাকঘরের চিঠি, টেলিগ্রাম। কতিপয় কর্মকর্তার দুর্নীতি, লুটপাট আর পরিকল্পনাহীনতায় সরকারি প্রতিষ্ঠানটি পিছিয়ে পড়েছে। প্রতি বছরই লোকসানের মুখে ডাক বিভাগ। হারিয়ে যাচ্ছে চিঠি ইন্টারনেট, ইমেইল আর ফেসবুক-টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগে বন্দি হয়ে আছে একসময়ের জনপ্রিয় যোগাযোগ-মাধ্যম চিঠি, ডাকপিয়ন, ডাকবাক্স ও ডাকঘর। প্রিয়জনের খবর জানতে এখন আর কারও ডাকপিয়নের অপেক্ষায় থাকতে হয় না। মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেটের অবাধ বিচরণে চিঠি যেন পুরনো ফ্যাশন। ঠিকানা মানেই ই-মেইল ঠিকানা। এই সেদিন, ২০০৪ সালেও দেশে ২৩ কোটি চিঠি লেনদেন হয়েছে। পুরনো দিনের চিঠি আজও প্রবীণ ও মধ্যবয়সীদের জীবন অধ্যায়ের পাতা হয়ে আছে। ডাকটিকিটের মাধ্যমে সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে পোস্ট অফিসের (ডাকঘর) পালা শুরু হয় ১৮৪০ সালে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এ ব্যবস্থা। খাম, পোস্টকার্ড, ডাকটিকিট, মানি অর্ডার মিলিয়েই ছিল প্রথম দিককার ডাক বিভাগ। পরবর্তী সময়ে ডাক বিভাগে যুক্ত হয় সরকারের নানা পরিসেবা। নানা অনিশ্চয়তায় এখন সরকারি কাজের চিঠিও অনেক সময় বেসরকারি কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠানো হচ্ছে। দিন দিন ব্যক্তিগত চিঠি হারিয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী সারা দেশে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে সাধারণ চিঠি আদান-প্রদান হয়েছে ৫ কোটি আর ২০১৪-১৫ সালে হয়েছে ৪ কোটি। আর রেজিস্টার চিঠির আদান-প্রদান হয়েছে প্রায় ৭ কোটি। কাজেই বোঝা যাচ্ছে প্রতিবছর ব্যক্তিগত চিঠির ব্যবহার ক্রমেই কমছে। বিভিন্ন সার্ভিসেও পিছিয়ে সেবার মান দুর্বল হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক মানি অর্ডার নেমে এসেছে অর্ধেকে। অভ্যন্তরীণ মানি অর্ডারের প্রতিযোগিতাতেও টিকতে পারছে না ডাক বিভাগ। ২০১০-১১ অর্থবছরে যেখানে অভ্যন্তরীণ মানি অর্ডার ইস্যু হয়েছে ১৫ লাখ সেখানে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ইস্যু হয়েছে মাত্র তিন লাখ। আন্তর্জাতিক মানি অর্ডারের প্রায় ৮০ ভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক। ২০১০-১১ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক মানি অর্ডার ট্রানসেকশন হয়েছে ১ হাজার ১৫৯টি সেখানে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক মানি অর্ডার ট্রানসেকশন হয়েছে মাত্র ২৫২টি। পার্সেল কমে গেছে আশঙ্কাজনকভাবে। স্ট্যাম্প বিক্রির অবস্থাও বেহাল। ইএমটিএস ও পোস্টাল কার্ড বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও নানা কারণে তা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রচার-প্রচারণার অভাবে সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও গ্রাহক বাড়ানো যাচ্ছে না। ডাকঘরের অন্যান্য সেবা কার্যক্রমের মধ্যে ই-ব্যাংকিং, জীবন বিমা, সাধারণ বিমাসহ সরকারি চিঠিপত্র, পার্সেল ইত্যাদি নানামুখী সুবিধা ও কার্যক্রম চালু আছে। তবে ডাক বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে ই-ব্যাংকিং সেবাটিই
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। বর্তমানে বিভিন্ন পোস্ট অফিসে সাম্প্রতিক যে ব্যস্ততা দেখা যায় সেটা মূলত ই-ব্যাংকিং ও ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফারের কারনে। ডাকঘর যেন ভূতের বাড়ি ডাক বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে সারা দেশে মোট পোস্ট অফিসের সংখ্যা ৯ হাজার ৮৮৬টি। সব মিলিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন ১৭ হাজার। আর ভাতাপ্রাপ্ত লোকবলের সংখ্যা ২৪ হাজারের বেশি। দীর্ঘদিন থেকে সংস্কারের জন্য বড় ধরনের বরাদ্দ না হওয়ার কারণে বর্তমানে বেশিরভাগ ডাকঘরের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। প্রত্যন্ত অঞ্চলের পোস্ট অফিস দেখে বোঝার উপায় নেই যে, এটা অফিস না ভূতের বাড়ি। প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও জনবলের অভাবে ভাঙা চেয়ার, টেবিল, কাঠের বাক্স আর খোলামেলা আলমিরায় কোনোমতে চলছে ডাকঘরের কার্যক্রম। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকারি আসবাবপত্রের বরাদ্দ হলেও তা উপজেলা ও শাখা পর্যায়ের ডাকঘরগুলোতে এসে পৌঁছায় না। ফলে আসবাবপত্রের অভাব দীর্ঘদিন লেগে থাকে। প্রয়োজনীয় আলমিরা না থাকায় অফিসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ফেলে রাখা হচ্ছে অরক্ষিত অবস্থায়। তবু চিঠি থাক ইন্টারনেট ই-মেইলের এ যুগে হাতে লেখা চিঠির প্রচলন নেই বললেই চলে। পত্র-মিতালির মতো মধুর বিষয়টি এখন অতীত দিনের স্মৃতি। এমন একটা সময় ছিল যখন পত্রমিতালির মাধ্যমে সমমনা মানুষ কিংবা তরুণ-তরুণীদের মধ্যে সম্পর্কের ভিত রচিত হতো। চিঠির ওপর নির্ভর করে টিকে থাকতো নানা রকম সামাজিক সম্পর্ক। চিঠির মাধ্যমে অনুভব করা যেত মানুষের হৃদয়ে উত্তাপ, প্রীতি, ভালোবাসা, অনুরাগ কিংবা বিরাগের বিষয়টি। পত্রসাহিত্য আমাদের বাংলা সাহিত্যে একটি মর্যাদার স্থান নিয়ে আজও অম্লান। সে কারণেই বিভিন্ন মহল এক সুরে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন, চিঠি আদান প্রদানের ব্যবস্থাটা যেন ডাক বিভাগ থেকে উঠে না যায়। হোক, ই-মেইল-ইন্টারনেটের যুগ, তবু চিঠি থাক।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4654442আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 5এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET