২২শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ৬ই কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

শিরোনামঃ-

নড়াইল শহরের প্রানকেন্দে ! সরকারের অর্পিত সম্পত্তি বিক্রির পায়তারা

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : সেপ্টেম্বর ২১ ২০১৬, ১৪:৫২ | 662 বার পঠিত

নড়াইল প্রতিনিধি-
নড়াইল শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত ৭৩ আলাদাতপুর মৌজার হাল ১১০ দাগের ৫৩ শতক জমির বৈধ মালিকানা না থাকায় এ মূল্যবান সম্পত্তি বিক্রির পায়তারা করছে নড়াইলে ১৯৭১ সালের মানবতা বিরোধী স্বৃকৃত যুদ্ধাপরাধী পিস কমিটির সভাপতি কুখ্যাত রাজাকার জেলা জামায়াতের সাবেক আমির আবুল হোসেনের পুত্র রফিকুল ইসলাম ওরফে পিন্টু ও তার পরিবার। যেখানে যুদ্ধাপরধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার কথা বলা হচ্ছে সেখানে পিন্টুরা সরকারী জমি বিক্রির পায়তারা করে বেড়াচ্ছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, তফশীল বর্ণীত সম্পত্তির প্রকৃত মালিক ছিলেন তারাপদ দেবনাথ,শ্যামাপদ দেবনাথ,কালিপদ দেবনাথ ও দূর্গাপদ দেবনাথ, সর্ব পিং- পঞ্চানন দেবনাথ,সর্ব সাং- আলাদাতপুর,থানা ও জোলা- নড়াইল। পাক ভারত যুদ্ধের সময় উল্লেখিত মালিকদের ভয়ভিতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেন কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী আবুল হোসেন । তারা প্রাণভয়ে তাদের সম্পত্তি রেজিস্ট্রি দলিলমূলে কারো নিকট হস্তান্তর ব্যতিত স্ব-পরিরবারে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়ে তথায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন। সে কারনে সরকার অত্র সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তির তালিকভ’ক্ত করে। পরে কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী আবুল হোসেন পিতাঃ মৃত আব্দুল হাকিম মোল্যা জাল-জালিয়াতির আশ্রয়ে মিথ্যা কাহিনী সাজিয়ে ও ভ’য়া কাগজপত্র সৃজন করে একটাা একতরফা রায় ডিগ্রি করে নেন । উক্ত মামলায় ভারতীয় মালিকদের পক্ষভ’ক্ত করলেও তাদের প্রতি আদালতযোগে কোন নোটিশ জারি করা হয়নি এবং উক্ত মামলায় সরকারকেও কোন পক্ষভ’ক্ত করা হয়নি। এলাকার প্রত্যাক্ষদর্শী বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ শওকাত আলী বলেন, প্রকৃতপক্ষে ঐ সম্পত্তির মূল মালিকগণ দলিলমূলে কারো নিকট সম্পত্তি হস্তান্তর করে নাই। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হবার পর উক্ত মালিকগন তাদের জমি দখলে নিতে এসেছিলেন কিন্তুু রাজাকার আবুল হোসেন ও তার লোকজন তাদেরকে হত্যার হুমকী দিয়ে তাড়িয়ে দেন। উল্লেখ্য কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী, মানবতাবিরোধী রাজাকার আবুল হোসেন ১৯৭১ সালে নড়াইল মহাকুমার পিস কমিটির সভাপতি ছিলেন এবং তার ছেলে রাজা মিয়া ঐ কমিটির সদস্য ছিলেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করতেন। লোহগড়ার মুক্তিযোদ্ধা মিজানকে হত্যা করে তার লাশ বাশে বেধে ঝুলিয়ে উল্যাস করেছিল আবুল হোসেন। বর্তমানে তার ছেলে রফিকুল ইসলাম ওরফে পিন্টু দেশ বিরোধী ও সরকার বিরোধী বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের সাথে লিপ্ত আছে বলে জানাগেছে। পিন্টুর ভাবি শাপলা বর্তমানে জামাতের রোকন । রাজাকার আবুল হোসেন দেশ স্বাধীন হবার পর নড়াইল জেলা জামায়াতের আমির ছিলেন । তার বাড়িতেই জামায়াতের নেতা কর্মীরা মিটিং করত এবং সেখান থেকেই সরকার বিরোধী মিছিল বের হত। তার বাড়িটিই জামায়াত শিবিরের শক্ত ঘাটি বলে পরিচিত। নড়াইলের মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি ঐ সম্পত্তি দ্রুত সরকারের দখলে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে অথবা সরকারের কাজে ব্যবহার করা হোক।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4759244আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 2এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET