৬ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ২১শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২১শে রজব, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • অপরাধ দূনীর্তি
  • পলাশবাড়ীতে বিদ্যালয়ের প্রাচীর ও গেট নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করায় নির্মাণ কাজ বন্ধ করল গ্রামবাসী

পলাশবাড়ীতে বিদ্যালয়ের প্রাচীর ও গেট নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করায় নির্মাণ কাজ বন্ধ করল গ্রামবাসী

আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : জানুয়ারি ১৭ ২০২১, ২১:৪২ | 635 বার পঠিত

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার সাকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মুলফটক ও প্রাচীর নির্মাণ কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের উপকরণে কাজ করায় শনিবার স্থানীয় লোকজন কাজ বন্ধ করে দেয় এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানালেও কোন প্রতিকার মেলেনি।
জানা যায়, উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের সাকোয়া মাঝিপাড়া গ্রামে অবস্থিত সাকোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারপাশে প্রাচীর ও গেট নির্মাণের জন্য এলজিইডি’র আওতাধীন ১০ লাখ ৪৩ হাজার বরাদ্দ আসে। ওই বিদ্যালয়ের গেট ও প্রাচীর নির্মাণ কাজটি পায় মনি ইন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। পরে ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ ক্রয় করে নেন গাইবান্ধা শহরের ঠিকাদার ফরহাদ হোসেন। চলতি বছরের শুরুতেই নির্মাণ কাজ শুরু করেন তিনি। প্রথমেই বিদ্যালয়ের মূলফটক নির্মাণ কাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করায় স্থানীয় ও বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক কাজটি বন্ধ করে দেয়।
রোববার সরেজমিন বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় রাজমিস্ত্রি মেহেরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে তার অন্যান্য মিস্ত্রিদ্বয় কাজ করছিল। সে সময় মূলফটকের ঢালাইয়ের ত্রুটিপূর্ণ জায়গা গুলো সিমেন্ট দিয়ে বন্ধ দেয়। সেখানে সাংবাদিক উপস্থিত হলে প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া সুলতানা তাদের ডেকে নিয়ে বিদ্যালয়ের অফিস রুমে বসে জানান, গত কয়েকদিন আগে বিদ্যালয়ের গেট ঢালাই করেন স্থানীয় রাজমিস্ত্রী মেহেরুল ইসলাম। ঢালাই নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করায় তিনি সকালে উপজেলা প্রকৌশলীকে মৌখিক অবগত করেন। কিন্তু তারপরেও ঠিকাদার ফরহাদ হোসেন এবং স্থানীয় রাজমিস্ত্রি মেহেরুল তাদের ক্ষমতা বলে ব্যবহার কাজ চালিয়ে যান। কাজটি তদারকির দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী হেলালুর রহমান। তাকে ওই বিদ্যালয়ের কাজের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, আমি ওই বিদ্যালয়ের মূলফটকের কাজের ঢালাই ভেঙ্গে দিয়েছি। কিন্তু সন্ধ্যায় স্থানীয়রা জানান, এখন পর্যন্ত ওই কাজের ঢালাই ভেঙ্গে দেয়া হয়নি। হেলালুর রহমান একজন উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী হওয়া সত্ত্বেও সাংবাদিকদের মিথ্যা কথা বলে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন।
ঠিকাদার ফরহাদ হোসেন বলেন, আমি বিদ্যালয়ের কাজে সবকিছু সমান ভাবে দিয়েছি। তবে কাজ খারাপ হওয়ার কোন প্রশ্নই উঠে না।
উপজেলা প্রকৌশলী তাহাজ্জদ হোসেনকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4402470আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 7এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET