১৮ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৭ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • পাইকগাছার পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদুঘরের করুণ অবস্থা লাইব্রেরী প্রাঙ্গণ ও বারান্দা গরু-ছাগলের বিচরণ ক্ষেত্র

পাইকগাছার পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদুঘরের করুণ অবস্থা লাইব্রেরী প্রাঙ্গণ ও বারান্দা গরু-ছাগলের বিচরণ ক্ষেত্র

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : নভেম্বর ০৪ ২০১৬, ১৫:১০ | 638 বার পঠিত

paikgacha-public-libraryইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা) ॥
পাইকগাছায় কর্তৃত্ব নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বন্দ্বের কারণে খুলনার পাইকগাছার পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদু ঘরের করুণ অবস্থা দেখা দিয়েছে। লাইব্রেরী প্রাঙ্গণ ও বারান্দায় গরু-ছাগলের বিচরণ ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
খুলনা জেলার পাইকগাছা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যখ্যাত পাইকগাছা পাবলিক লাইব্রেরী ও যাদুঘর। ১৯৮৫ সালে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স.ম. বাবর আলী, রাড়–লী ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ ও গাজী মিজানুর রহমান মন্টু এটি প্রতিষ্ঠা করেন। ৫ হাজার টাকায় ২শ আজীবন সদস্য ও ২শ বই নিয়ে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে বইয়ের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫ হাজারের মত। শহীদ এম,এ গফুর মিলনায়তনে লাইব্রেরীর উদ্বোধন হয়। বর্তমানে অনেকগুলো বই চুরি ও নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানা যায়। প্রতিষ্ঠানের নামে পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র আদালত চত্ত্বর এলাকায় ০.১৩১১ একর জমি ক্রয় করা হয়। যেখানে তৈরী করা হয় ২ কক্ষ বিশিষ্ট ১ তলা ভবন। ভবনটির দোতলার কাজ শুরু করলেও ১৬-১৭ বছরেও তা সম্পন্ন হয়নি। ভবনের অনেক অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গাচুরা ১৩টি আলমারী, ২০ খানা চেয়ার, ৩টি টেবিল যা সবই ব্যবহার অনুপযোগী। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৫ হাজার বই কেনা হলেও পরে এখানে আর নতুন করে কোন বই কেনা হয়নি বলে সাবেক লাইব্রেরিয়ান কলে¬াল মলি¬ক জানান। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২-৩শ পাঠকের আনাগোনা থাকলেও বর্তমান যা পাঠকশূন্য হয়ে পড়েছে। কোন কোন দিন ২/১ জন পাঠক অতি প্রয়োজনে গেলেও অধিকাংশ সময় থাকে পাঠকশূন্য। চুরি হয়েছে অনেক বইপুস্তক। ৫টি জাতীয়, ৫টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র নেয়া হতো। সংরক্ষণ করা হতো বিভিন্ন প্রকার নিয়োগ, টেন্ডার সহ গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি সমূহ। বর্তমানে তা রক্ষণাবেক্ষণের খুবই অভাব দেখা দিয়েছে। বর্তমান লাইব্রেরিয়ান আবুল কালাম আজাদ বলেন, ২ বছর আগে আমাকে পৌরসভার মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এখানে এসে যা পেয়েছি তা নিয়েই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। এ ব্যাপারে পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৯৯৯ সালের ১৮ আগস্ট পৌরসভা অলিখিতভাবে লাইব্রেরি ও যাদুঘর দেখাশুনার দায়িত্ব পান। উপজেলা পরিষদ লিখিতভাবে হস্তান্তর না করায় অবকাঠামো কোন পরিবর্তন করা বা যাদুঘরের স্মৃতি নিদর্শন রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স.ম. বাবর আলী বলেন, যে উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলাম আমি দায়িত্বে না থাকার কারণে তা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পৌরসভা দায়িত্ব পেয়েও কোন কিছু করছে না। যা কিছু আছে সবই ধ্বংস হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, লাইব্রেরির বারান্দায় ও প্রাঙ্গণ গরু-ছাগলের বিচরণ ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। অবস্থা দেখে মনে হয়, এটি গোয়াল ঘরে পরিণত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ-উল-মোস্তাক জানান, আমি সদ্য যোগদান করেছি। এ ব্যাপারে তেমন কিছু জানি না। তবে বিস্তারিত জেনে যাতে সুন্দরভাবে লাইব্রেরী গড়ে তোলা যায় সে ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4578627আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 7এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET