বরগুনার পাথরঘাটায় সংখ্যালঘু যুবতী কে মো. আবুল কালাম (৪০) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষক আবুল কালাম উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের মধ্য জালিয়াঘাটা গ্রামের মৃত দেনছের আলীর ছেলে।
স্থানীয় বাজারের চায়ের দোকানদার জাকিরহোসেন,জামাল,বাবুল চৌকিদারসহ একাধিক ব্যক্তি জানান ১ বছর ধরে সম্পর্ক ছিল আবুল কালাম এবং যুবতীর। এবিষয় কাজিরহাট বাজারের সবারই কমবেশি জানা আছে। আবুল কালাম সকাল থেকে সন্ধা এপর্যন্ত যুবতীর দোকানেই বসা থাকতো। আমরা জিজ্ঞেস করলে কালাম বলেতো আমার সাথে তার টাকা পয়সার লেনদেন আছে।কিন্তু কিছুদিন ধরে দুইজনের কাউকে দেখা যাচ্ছেনা।পরে শুনেছি তারা ঢাকায় গেছে।
সংখ্যালঘু যুবতী সাংবাদিকদের জানান গত এক বছর যাবত কালামের সাথে আমার সম্পর্ক। তার সন্তান আমার গর্ভে সে আমাকে ঢাকায় নিয়ে বিয়ে করার কথা বলেছে। গত (৭ নভেম্বর) রোজ শুক্রবার রাত ১০ ঘটিকায় আমি আমার চায়ের দোকান বন্ধকরে বাড়ি যাই। তখন কাজিরহাট এলাকার মৃত আর্শেদ হাওলাদারের ছেলে সোহরাব হাওলারের সহযোগীতায় মোটরসাইকেল যোগে প্রথমে বরিশাল,সেখান থেকে মাইক্রোতে করে ঢাকায় নিয়ে যায়। ঢাকায় নিয়ে একটি রুমের ভিতরে ১৮ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে। কিছুদিন পরে আমি কান্নাকাটি করলে আমাকে বাড়ির কথা বলে বরিশাল নিয়ে আসে। লঞ্চটার্মিনাল এলাকায় রেখে পান খাওয়ার কথা বলে সে চলে যায়। সকাল থেকে সন্ধা এপর্যন্ত আমি বরিশাল লঞ্চঘাট বসে থাকি তবুও ফেরেনি আবুল কালাম।তারপরে আমার ভাইকে ফোন করলে সে আমাকে বাড়িতে নিয়ে আসে।বাড়িতে এসে এ বিষয় গত (২৪ নভেম্বর) পাথরঘাটা থানায় একটি সাধার ডায়েরি করা হয়েছে।
এব্যাপারে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাবউদ্দিন জানান আমি ঘটনার বিবরণ শুনেছি আমার থানায় সাধারন ডায়েরি হয়েছে।ঘটনার সত্যতা যাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।









