১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১০ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

শিরোনামঃ-




পামফল তৈল তৈরীর ব্যবস্থা না থাকায় হতাশ চাষীরা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : এপ্রিল ০২ ২০১৮, ০০:১৮ | 943 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

 ইয়ার হোসেন, ঝিকরগাছা (যশোর) থেকেঃ- বাংলাদেশে পামচাষের বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও যশোর জেলার পামচাষীরা হতাশ হয়ে পড়েছে। যশোর জেলার প্রথম পামচাষী ঝিকরগাছা উপজেলার তরিকুল ইসলাম ও মাহামুদুল হাসান সবুজ জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের ২১ আগষ্ট সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে তৎকালিন যশোর ক্যান্টনমেন্টের জিওসি তানভির রেজা, মেজর আশরাফ আহম্মেদ, বিভাগীয় কৃষি উপ পরিচালক খাইরুল বাসার, কৃষি অফিসার আবু বকর সিদ্দিকীসহ সকল কৃষি কর্মকতাদের সহযোগীতায় সারা যশোর জেলার মধ্যে ঝিকরগাছা উপজেলার মল্লিকপুর গ্রামের বাসিন্দা দৈনিক দিনকাল ও লোকসমাজ পত্রিকার ঝিকরগাছা প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম ৪০ শতক ও তার বন্ধু বেনেয়ালী গ্রামের মাহামুদুল হাসান সবুজের ১ একর ৩৩ শতক জমিতে পামচারা রোপন করে। বর্তমানে এসব গাছে ফল আসতে শুরু করেছে। এর দূ’বছর পর যশোরের বিভিন্ন উপজেলার ন্যায় ঝিকরগাছা উপজেলার বামনালী গ্রামের রমজান আলী বাবুসহ ৫জন, নতুনহাট পাবলিক কলেজের পাশের ১ ব্যক্তি, মেঘলা গ্রামের জয়নাল, কুলিয়া গ্রামের ইসাহক মেম্বর, ও পায়রাডাঙ্গা গ্রামের নাজমুল আরাফাত রাচিসহ বেশ কিছু গ্রামের চাষীরা এই চাষে ঝুকে পড়ে। তবে মজার ব্যপার হলো একের পর এক পামচাষী বেড়ে চললেও কৃষি বিভাগের মাধ্যেমে এর কোন দিকনির্দেশনা এখনো পর্যন্ত আসেনি। ফলে পামচাষীরা হতাসার মধ্যে দিন পার করছে। যেখানে সেনাবাহিনী অফিসার ও খুলনা বিভাগীয় কৃষি বিভাগের প্রায় সকল কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে একটি অচেনা-অজানা গাছ লাগিয়ে গত ১০ বছর ধরে যখন চাষীরা হতাশায় তখন কৃষি বিভাগ নিরবে থাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। তাদের অনেকের বক্তব্য আমার জমি নষ্ট করে পামচাষ করেছি। আমাদের গাছে বর্তমানে ফল ধরতে শুরু করেছে। আমরা এসব ফল দিয়ে কি করব। সরকার যদি অচিরেই এর একটি সুষ্ট ব্যবস্থা না নেয় তাহলে এই সুন্দর্য পামগাছ কেটে ফেলা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। পাম তৈল তৈরীর জন্য কোন ব্যবস্থা বাংলাদেশে আছে কি? মুঠো ফোনে জানতে চাইলে ঝিকরগাছা কৃষি কর্মকর্তা দিপংকর বাবু জানান, আমরা জানা মতে সরকারী ভাবে এখনও পর্যন্ত পাম তৈল তৈরীর জন্য কোন মেশিন স্থাপন করা হয়নি। তবে সিটি গ্রুপ নামের একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠান পাম তৈল তৈরীর মেশিন আনার কথা রয়েছে। একটি সুত্র থেকে জানাগেছে, বাংলাদেশে প্রশত ১৯৭৬-৭৭ সালে হবিগঞ্জের সাতছড়িতে জনৈক এক ব্যক্তি অল্প কিছু পামগাছ লাগায়। অত:পর ১৯৭৯ সালের দিকে সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে মালেশিয়া থেকে বেশ কিছু পামগাছ এনে বাংলাদেশের ঢাকা,

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET