১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার, ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৯ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • অপরাধ দূনীর্তি
  • ফ্রী ফায়ার ও পাবজি নিয়ন্ত্রণে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান। বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন




ফ্রী ফায়ার ও পাবজি নিয়ন্ত্রণে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান। বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন

মোঃ ইনামুল হাসান নাইম, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ,ঢাকা।

আপডেট টাইম : মে ২৬ ২০২১, ১৫:১১ | 723 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

বর্তমানে দেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় তরুণ প্রজন্মের মাঝে ফ্রী ফায়ার ও পাবজি। দক্ষিণ কোরিয়ার গেম ডেভলপার প্রতিষ্ঠান ব্লু হোয়েল এর অনলাইন ভিডিও ২০১৭ সালে চালু হয়। এরপর থেকে এই গেমটি দ্রুত বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। অন্যদিকে চায়না প্রতিষ্ঠান ২০১৯ সালে তৈরি করা যুদ্ধ গেম ফ্রী ফায়ার একইভাবে তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু এই গেম দুটির ব্যবহারের ফলে দিনে দিনে এর অপব্যবহার এর মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে এর ফলে তরুণ প্রজন্ম যাকে কিশোর গ্যাং বলা হয়। এরা চরমভাবে বিপথগামী হয়ে উঠেছে। গত বছর থেকে বিশেষ করে করণা মহামারীর ফলে স্কুল, কলেজ, ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার ফলে অন্যদিকে অনলাইনভিত্তিক ক্লাস পরিচয় হবার হলে অভিবাবকরা তার সন্তানদের হাতে সহসাই ল্যাপটপ , মোবাইল ডিভাইস তুলে দিতে বাধ্য হচ্ছে। এ সুযোগের বেশিরভাগ অপব্যবহার ঘটছে। এমনকি তরুণ প্রজন্ম এই গেম দুটি প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। তাই এই ঘ্যাম দুটি নিয়ন্ত্রনে সরকারকে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। আজ কোন মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মতিন আহমেদ বলেন গত ২১মে চাঁদপুরে মামুন (১৪) নামে এক তরুণ মোবাইলের ডাটা কেনার টাকা না পেয়ে মায়ের সাথে অভিমান করে আত্মহত্যা করে। আমরা যখন আগামীর তরুণ প্রজন্মকে সহজলভ্য দ্রুতগতির ইন্টারনেট প্রাপ্তির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ঠিক তখন আগামী তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বিপথগামী হয়েছে যা আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে। টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং নিয়ন্ত্রক কমিশন কে দ্রুত এবং দ্রুততার সহিত এই গানগুলির অপব্যবহার বন্ধ এবং ভালো দিক তুলে ধরতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি জনসচেতনতা গড়তে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। এসকল অনৈতিক গেম খেলার মাঠে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে। অনলাইনে গেম খেলার পাশাপাশি ভার্চুয়ালে অর্থ লেনদেন হচ্ছে এমএমএস প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। আর এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাষ্ট্র, সমাজ, ব্যক্তি ও পরিবার। এমনকি পাড়া-মহল্লায় তরুণ প্রজন্মের মধ্যে প্রায়ই সহিংসতা লেগেই থাকে। আবার এই কিছু ব্যতিক্রম চিত্র রয়েছে, যেমন এশিয়ান টেলিকম আজিয়াটা বড় হাত আঞ্চলিক ভিত্তিক গেমিং প্রতিযোগিতা আহ্বান করে। সেই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের চার তরুণ ৯ হাজার ডলার আয় করে। অর্থাৎ অনলাইন গেম গুলির সঠিক নির্দেশনা ও ভালো কাজে ব্যবহার করা যেত তবে তার মাধ্যমে অনেক আয় করা যেত। কিন্তু আমরা দেখছি এর অপব্যবহার এর সংখ্যা প্রায় ৯৯ শতাংশ। তাই সরকারকে দ্রুত এই গেম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে নীতিমালা ও দিকনির্দেশনা সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছি। হঠাৎ করে এই গেম বন্ধ করে দিলে তরুণ প্রজন্মের মাঝে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। আবার কেউ কেউ ভিপিএন এর মাধ্যমেও এই গেম খেলতে পারে। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে সরকারকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET