১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রজব, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • সকল সংবাদ
  • বরগুনায় ইউপি নির্বাচন নিয়ে সহিসংতা পুলিশ ও প্রার্থীদের পরস্পর বিরোধী অভিযোগ ।

বরগুনায় ইউপি নির্বাচন নিয়ে সহিসংতা পুলিশ ও প্রার্থীদের পরস্পর বিরোধী অভিযোগ ।

হুমায়ন আরাফাত, আশুলিয়া করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : মে ১৮ ২০১৭, ২১:৪৬ | 625 বার পঠিত

বরগুনা প্রতিনিধি :

বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬মে) সন্ধ্যার পর তালতলীর সোনাকাটা ইউনিয়নের লাউপাড়া বাজারের কাছে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ এবং প্রার্থীরা পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। আহতদের সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে সোনাকাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইউনুস ফরাজী ও তার ছেলে বরগুনা জেলা পরিষদ সদস্য মো. হুমায়ুন কবীর সুজন, ইউসুফ সরদার, ফারুক ফরাজী, ইলিয়ার ফরাজী, মনির ফরাজী, মুক্তা এবং জলিল শরীফের নাম জানা গেছে। সোনাকাট ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইউনুস ফরাজী বলেন, নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে আমি ও আমার ছেলে বরগুনা জেলা পরিষদ সদস্য হুমায়ুন কবীর সুজন মটরসাইকেলে করে ছোট আমখোলা গ্রামের বাড়ি থেকে লাউপাড়া বাজারের দিকে যাচ্ছিলাম। আমরা লাউপাড়া বাজারের কাছাকাছি পৌছলে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থীর বহিরাগত সমর্থকরা আমাদের মটরসাইকেলের গতিরোধ করে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যানের উপর এমন হামলার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে, এই ইউনিয়নের সর্বাস্তরের সাধারণ মানুষ আ’লীগ মনোনীত প্রার্থীর বহিরাগত সমর্থকদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। নির্বাচনী এলাকায় তার কোন বহিরাগত সমর্থক নেই জানিয়ে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. সুলতান ফরাজী বলেন, সন্ধ্যায় আমি লাউপাড়া বাজারের আমার নির্বাচনী অফিস থেকে মাগরীবের নামাজ পড়তে বের হই। এসময় তালতলী থানার ওসি কমলেশ চন্দ্র হালদার আমার কলার ধরে শারীরিকভাবে নির্যাতন শুরু করেন। এসময় আমি আমার পরিচয় প্রদান করলে তিনি আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে গ্রেপ্তার করার হুমকি দেন। পরে ওসির নির্দেশে ঘোড়া মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কবির আকন ও আনারস মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ফরাজীর কর্মী ও সমার্থকরা আমার নির্বাচনী অফিসে হামলা করে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী কবির আকন ও দুলাল ফরাজী। এ বিষয়ে তালতলী থানার ওসি কমলেশ চন্দ্র হালদার আ’লীগ প্রার্থীকে মারধর ও হুমকি এবং তার নির্দেশে নির্বাচনী অফিসে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তালতলী থানা পুলিশ সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে গেলে তালতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান মিন্টু তার উপর চড়াও হন। বিষয়টি তিনি পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও অবহিত করেছেন জানিয়েছেন। অন্যদিকে ওসির ওপড় চড়াও হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তালতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান মিন্টু বলেন, তালতলী থানার ওসি কমলেশ চন্দ্র হালদার আ’লীগ মনোনীত প্রার্থীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন।

 

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4392262আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 9এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET