১২ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

শিরোনামঃ-




বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক ‘ড. জাফর ইকবাল শঙ্কামুক্ত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

আপডেট টাইম : মার্চ ০৪ ২০১৮, ১৬:৪৭ | 882 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

নয়া আলো ডেস্কঃ-

বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ‍বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলার বেশ আগে থেকেই তার পেছনে দাঁড়িয়েছিল হামলাকারী যুবক। ঘটনার পরপরই তাকে আটক করা হয়। অনুসন্ধান করে ওই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষার্থীর তোলা ছবির সঙ্গে হামলাকারীর ছবি মিলিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জানা গেছে, বৃষ্টির আশঙ্কায় সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সমাপনী দিনের অনুষ্ঠানে পাঁচ মিনিটের জন্য বিরতি দেওয়া হয়েছিল। অনুষ্ঠান বিরতির ওই সময়েই বিশিষ্ট লেখক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলা হয়। এ দাবি করেছেন দুই প্রত্যক্ষদর্শী। রুহুল আমিন ও খলিলুর রহমান নামের ওই দুই তরুণ ড. জাফর ইকবালকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

,বৃষ্টি হতে পারে –এমন আশঙ্কায় পাঁচ মিনিটের জন্য অনুষ্ঠান বিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়। ওই সময় ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ৮-১০ জন পুলিশের পাহারায় ছিলেন। আর ওই অবস্থায়ই পেছন থেকে তার ওপর হামলা হয়।

তারা দাবি করেছেন, হামলাকারীর সংখ্যা দুই থেকে তিন জন ছিল। তারা সবাই যুবক। এদের একজনকে সঙ্গে সঙ্গে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

রুহুল আমিন শাবি ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও খলিলুর রহমান শাবি ছাত্রলীগের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক। কিন্তু তাদের কেউ হামলাকারীকে তাৎক্ষণিকভাবে চিনতে পারেননি।

ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী তরুণ। পরে সেও শিক্ষার্থীদের ধোলাইয়ের শিকার হয়।

তবে হামলাকারী একাধিক ছিল নাকি একজনই ড. ইকবালের ওপর হামলা চালিয়েছে তা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

একটি সূত্র জানিয়েছে, ওই বিরতির সময় ড. জাফর ইকবালের পেছনে একটি হট্টগোল হয়েছিল। এরপরই এই হামলার ঘটনা ঘটে।

রুহুল আমিন বলেন, ‘বৃষ্টির আশঙ্কায় ৫ মিনিটের জন্য অনুষ্ঠানের বিরতি দেওয়া হয়। ওই সময় স্যার ৮-১০ জন পুলিশের পাহারায় ছিলেন। তখন হুট করে দুই থেকে তিন জন লোক স্যারকে হামলা করে। হামলাকারীদের কাউকে এর আগে ক্যাম্পাসে দেখিনি।’

একই কথা জানান খলিলুর রহমান। তিনিও বলেন, ‘হামলাকারী ২-৩ জন ছিল। এদের কাউকে এর আগে কখনও ক্যাম্পাসে দেখিনি। এর মধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে।’ তিনি আরও দাবি করেন, ‘স্যারকে যখন ওটিতে নিয়ে যাচ্ছিলাম তখন তিনি বলেন, হামলাকারী কেমন আছে। তাকে কেউ যেন মারধর না করে।’

শনিবার (৩ মার্চ) বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠান চলাকালে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে মাথায় ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এরপর তাকে সিলেটের ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে সিলেটের ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার রাশেদুন্নবীর অধীনে চিকিৎসাধীন আছেন। তাকে অপারেশন থিয়েটারে অ্যানেসথেশিয়া দিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক দেবপদ রায়।

এদিকে, ড. জাফর ইকবালকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুল হক।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার এলাকায় গত শুক্রবার ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান চলছিল। গতকাল বিভাগীয় সভাপতি হিসেবে এর উদ্বোধন করেছিলেন ড. জাফর ইকবাল। আজ শনিবার বিকালে এর সমাপনী অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ‘এ’-এর সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ-মিছিল করছেন ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET