৫ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ২০শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে রজব, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ- এ যুগের অগ্নিকন্যা

হুমায়ন আরাফাত, আশুলিয়া করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : জুন ১৩ ২০১৭, ২৩:০০ | 618 বার পঠিত

এম.মনসুর আলীঃ

ব্যারিস্টার ড.তুরিন আফরোজ। আদালত পাড়ায় সুপরিচিত মুখ। তুরিন আফরোজকে বুদ্ধির রাণী বলা হয়। তার গ্রহণযোগ্যতা আকাশচুম্বি। তার তুখোড় বুদ্ধিমত্তার প্রসংশা আদালত পাড়ায়, মানুষের মুখে মুখে শুনেছি। তার জনপ্রিয়তা শুধু আদালত পাড়াতে নয়,বাংলার প্রতিটি সচেতন মানুষের কাছে তিনি অতি প্রিয়মুখ। ভার্চুয়াল প্লাটফর্মেও তিনি সমান জনপ্রিয়। মুহুর্তেই তার ফেসবুক ফ্যান পেজে হাজারো লাইক ,তাই প্রমাণ করে। এই স্বাধীন ভূ-খন্ডের পঁচাশি হাজার ছয়শত পঞ্চাশটি গ্রামের প্রতিটিতেই তার ভক্ত অনুরাগী রয়েছে।ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজ। একটি নাম। মুক্তিযুদ্ধ চেতনার গর্বিত শিহরণ। যিনি সদা অবিচল তার কর্তব্যনিষ্ঠায়, দেশপ্রেম চেতনায়। যার কাছে তার নিজের জীবনের চেয়েও বেশি মূল্যবান কর্তব্যনিষ্ঠা, দেশপ্রেম দেশমাতৃকার শান্তি। বিশ্বভাবুকমণ্ডলীতে তিনি যে স্থান করে নিয়েছেন তার তুলনা বোধহয় তিনি নিজেই।অসাধারণ স্মৃতিশক্তির অধিকারী ব্যারিস্টার ড.তুরিন আফরোজের জন্ম ঢাকায়। উনিশত একাত্তরে। তার পৈতৃক নিবাস নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার চাওরাডাঙ্গি গ্রামে। তার বাবা তসলিম উদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ সরকারের কর বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তা ছিলেন। ড.তুরিন আফরোজ অসাধারণ মহীয়সী নারীমুক্তিবাদী,দার্শনিক,অর্থনীতির ব্যাখ্যাতা,লেখক,আইন গবেষক,শিক্ষাবিদ,সর্বোপরি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হিসেবে তিনি বিখ্যাত। তুরিন আফরোজ ছাত্র জীবনেই তুখোড় মেধাবী ছিলেন। ১৯৮৮ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় তিনি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মানবিক শাখার সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকারের সোনালী গৌরব অর্জন করেন। তিনি ভারতের লেডি শ্রী রাম কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক এবং দিল্লি স্কুল অব ইকোনমিক্স থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স), অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন সিডনি থেকে এলএলএম (ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ল’) এবং মনাশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ-ডি শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজ ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন প্রখ্যাত আইনজীবী। বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই গুরু দায়িত্ব পালন কালে বহু হত্যা-হুমকির শিকার হয়েছেন তিনি। তার প্রাণপ্রিয় সন্তান ও সে অন্তত আটবার প্রাণঘাতী আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন। তবুও তিনি তার দায়িত্ব থেকে একতিল সরে দাঁড়াননি। তাঁর সাহস,তাঁর দেশপ্রেম, অন্যায়ের সাথে তাঁর আপোসহীনতা দেখে কেউ কেউ তাঁকে এ যুগের বিপ্লবী অগ্নিকন্যা প্রীতিলতা আখ্যা দিয়েছেন।

তিনি একজন লেখক ও আইন গবেষক। দেশ-বিদেশের বহু জার্নালে তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়েছে। তার গবেষণার উল্লেখযোগ্য বিষয় হল- আইন ও উন্নয়ন, যুদ্ধাপরাধ আইন, আন্তর্জাতিক আইন, সাংবিধানিক আইন ইত্যাদি।

আমার প্রিয় ব্যাক্তিত্বের দীর্ঘ তালিকায় টপ টেনের মধ্যে দুইজন হলো -বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী সিনিয়র সচিব সৈয়দা নাহিদা হাবিবা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যায়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা.নুজহাত চৌধূরী। আমার প্রিয় ব্যাক্তিত্বের নামের তালিকায় আর একটি নতুন নাম সংযোজন হলো- তিনি হচ্ছেন অগ্নিকন্যা ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজ।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4400406আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 4এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET