৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ২৪শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৪শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-

ব্রুনাইয়ের জেলে ১০ বাংলাদেশি

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : জুলাই ২৯ ২০১৬, ০০:২৬ | 693 বার পঠিত

24771_b2নয়া আলো ডেস্ক- ব্রুনাইয়ে কাজের সন্ধানে গিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি। এসব কারণে তারা বিচারের মুখোমুখি হয়ে কারাভোগ করছেন দেশটিতে। ব্রুনাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস গত এপ্রিল মাসের এক রিপোর্টে উল্লেখ করেছে, অবৈধভাবে বসবাস এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ায় ১০ বাংলাদেশি সেখানে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগ করছেন। এর মধ্যে ধর্ষণের আসামিও রয়েছে। কারাবন্দি এসব বাংলাদেশির সর্বনিম্ন ৫ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৯ বছর পর্যন্ত জেল হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে চাবুকের আঘাত। কমপক্ষে ৩ থেকে সর্বোচ্চ ১২টি চাবুকের আঘাত সহ্য করতে হয়েছে তাদের। সংঘটিত অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা যেন ভোগ করতে না হয় সে জন্য দূতাবাস এসব বাংলাদেশিকে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দিয়েছে। কিন্তু অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের সাজা মওকুফ করানো যায়নি। সাজার মেয়াদ শেষ হলেই কারাবন্দি এসব বাংলাদেশিকে দেশে পাঠানোরও ব্যবস্থা করবে দূতাবাস।
সাজাপ্রাপ্ত এসব কারাবন্দি হলেন- বিল্লাল হোসেন (পাসপোর্ট নং এসি৪৭৫৮৫১০), আল মামুন, লুৎফর রহমান (পাসপোর্ট নং বি০১৩০২৩৪), মাহবুবুর, জাকির হোসেন, মো. আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান, দেলোয়ার আবদুল মতিন ও শহিদুল মালিক।
দূতাবাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে বিল্লাল হোসেন অবৈধভাবে দেশটিতে ১ হাজার ৩৪ দিন অবস্থান করছিলেন। এই অভিযোগে আদালতের মাধ্যমে তাকে ৫ মাসের কারাদণ্ড এবং ৩টি চাবুকের আঘাতের শাস্তি দেয়া হয়েছে। তার শাস্তির রায় ঘোষিত হয় এ বছরের ১৮ই জানুয়ারি। গত বছরের ৬ই ডিসেম্বর ৬ মাসের কারাদণ্ড হয় আল মামুনের। তিনিও দেশটিতে অবৈধভাবে অবস্থান করছিলেন। লুৎফর রহমান ২০১৫ সালের ১০ই আগস্ট এক গৃহপরিচারিকার বাসায় ঢুকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এই অভিযোগে ওই বছরের ১৯শে আগস্ট থেকে তিনি ১৬ মাসের কারাভোগ করছেন। রায়ে ২টি চাবুকের আঘাতের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। মাহবুবুরের বিরুদ্ধে এক বাংলাদেশি দালাল অপহরণ করার অভিযোগ ছিলো। ওই দালাল তার ভিসার টাকা ফেরত না দেয়ায় তিনি তাকে অপহরণ করেছিলেন। গত ২৩শে ডিসেম্বর তাকে ২ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। মাহবুবুরের সঙ্গে এই কাজে জড়িত ছিলেন আরো তিনজন। এরা হলেন- জাকির, আনোয়ার ও মনিরুজ্জামান। একইদিনের রায়ে তাদেরকেও দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দেলোয়ার আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে দেশটিতে আগেই মামলা ছিলো। পরে তিনি দেশে ফিরে এসে ভিন্ন নামে নতুন পাসপোর্টে ব্রুনাইয়ে প্রবেশ করেন। এই অভিযোগে ২রা ফেব্রুয়ারি তাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ধর্ষণ মামলার আসামি আরেক বাংলাদেশি শহিদুর রহমান। এই ১০ জনের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ সাজা ভোগ করছেন। গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি তাকে ৮ বছর ৬ মাসের জেল দেয়া হয়। একই রায়ে তাকে ১২টি চাবুকের আঘাত করতেও বলা হয়। দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) শফিউল আজম স্বাক্ষরিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মিশনের কল্যাণ কর্মকর্তা বিচারের সময় আদালতে দোভাষী হিসেবে বিচারকাজে সহায়তা করেছেন। তাছাড়া, সংঘটিত অপরাধ কর্মের জন্য যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি ভোগ করতে না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি ও পরামর্শ দিয়ে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি নাগরিকদের সহযোগিতা করা হয়েছে। দূতাবাস জানায়, সাজাপ্রাপ্ত এসব বাংলাদেশির সাজা ভোগের পর দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4516694আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 0এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET