১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ৩১শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৯ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • জাতীয়-শীর্ষ সংবাদ
  • ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনে পদ্মার পেটে চলে যাচ্ছে বরাটের ৫টি গ্রাম এ বছর কিছুই করার নেই, আগামী বছর ব্যবস্থা হবে -রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড

ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনে পদ্মার পেটে চলে যাচ্ছে বরাটের ৫টি গ্রাম এ বছর কিছুই করার নেই, আগামী বছর ব্যবস্থা হবে -রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : আগস্ট ১১ ২০১৬, ০০:৪১ | 662 বার পঠিত

14002601_184274748655942_870038423_oরাশেদ খান মিলন,রাজবাড়ি প্রতিনিধি- ভয়াবহ নদী ভাঙ্গনে পদ্মার পেটে চলে যাচ্ছে বরাটের ৫টি গ্রাম পদ্মার পানি কমার সাথে সাথে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের কমপক্ষে ৫টি গ্রাম নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে। এই গ্রামগুলো হচ্ছে লালগোলা, পশ্চিম উড়াকান্দা, দেওয়ানবাড়ী, উড়াকান্দা মিয়া পাড়া, উড়াকান্দা আলম চেয়ারম্যান পাড়া ও নয়নসুখ। এলাকা ঘুরে নদী ভাঙ্গন কবলিত মানুষদের সাথে কথা বলে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে। গত দু’দিনে পদ্মা নদীর প্রায় ৩কিলোমিটার জুড়ে আকস্মিক এ ভাঙন শুরু হয়েছে। পশ্চিম উড়াকান্দা গ্রামের আমিন মন্ডল ও তার ভাই আয়নাল মন্ডল জানান, তাদের তিনটি পাকা ওয়ালের বাড়ি রাজমিস্ত্রী দিয়ে ভাঙ্গতে নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। কয়েক বছরে তাদের বাড়ীর বাগান, ঘাট বাঁধা পুকুর নদীগর্ভে চলে গেছে। বরাট ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন জানান, তার বাড়ী নদীর আধা কিলোমিটার দূরে ছিল। দু’বছর হলো তার বাড়ীর কাছে নদী চলে এসেছে। দু’একদিনের মধ্যে বাড়ী ভেঙ্গে না সরালে নদী গর্ভে চলে যাবে। এভাবে মিয়া পাড়ায়ও চলছে বাড়ী ভেঙ্গে সরানোর তোড়জোর। বরাট ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ও আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সহ-সভাপতি শহীদ মোল্লা ক্ষোভের সাথে জানালেন, দু’তিন বছর থেকে নদী শাসনের জন্য শুধু টাকা বরাদ্দের গল্প শোনাচ্ছেন এমপি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এখন তাদের বাড়ী ভেঙ্গে অন্যত্র যেতে হচ্ছে। অপরদিকে তাদের বাড়ী থেকে শহর রক্ষা বাঁধের দূরত্ব মাত্র ৩০মিটার। এ ভাঙ্গন তীব্র হলে ২/৩ দিনের মধ্যে বাঁধ ভেঙ্গে পানি শহরের মধ্যে চলে যাবে। তখন ডুবে যাবে পুরো শহরসহ ভাটি এলাকা। উড়াকান্দার আলম চেয়ারম্যানের বাড়ীর পাশে এবং নয়নসুখ গ্রামে চলছে ভাঙ্গনের তান্ডব। আকবর মন্ডল জানালেন, তার বাড়ীর টিনের ঘর সরিয়ে নেয়ার সময় পাচ্ছেন না। ভাঙনের তীব্রতা এতো বেশি যে কামলা নিয়েও বাড়ীর টিনের ঘর সরিয়ে নিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। সাবেক চেয়ারম্যান সামসুদ্দিনের বাড়ীর পাশে দরিদ্র খবির সরদার তার বাড়ীর দোচালা টিনের ঘরটি আস্ত রেখে মাথায় করে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। নদী ভাঙনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগ ও সহযোগিতার বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক জিনাত আরা বলেন, ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানকে সাথে নিয়ে তিনি নদী ভাঙ্গন কবলিত মানুষদের খোজঁ-খবর নিতে এলাকা পরিদর্শনে আছেন। ক্ষতিগ্রস্থদের নগদ অর্থ ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছেন। রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী গুরুপদ সূত্রধর জানালেন গতানুগতিক কথা। তিনি বলেন, টেকনিক্যাল বিষয় নিয়ে তাদের সাথে কথা বলার কোন অর্থ নেই। তারা পানি সম্পদ মন্ত্রীর সাথে কথা বলেছেন। এ বছর কিছুই করার নেই। আগামী বছর ব্যবস্থা হবে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4751374আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 11এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET