সোমবার রাতে বেনাপোলে ভারত থেকে আসা খুলনাগামী মাল গাড়ীর ট্রেনের একটি বগি থেকে ২৩৫ বোতল ফেন্সিডিল বিজিবি সদস্যর উদ্ধার হওয়ায় সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচারের অভিনব সব কৌশল জেনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্থানীয় কর্তব্যরত সদস্যরা নড়েচড়ে বসেছেন। তবে উদ্ধারকৃত এই ফেন্সিডিল ওয়াগনের মধ্যে সরাসরি সীমান্তের ওপার থেকে আসেনি। বেনাপোল রেল ষ্টেশন সংলগ্ন পৌরসভার ভবারবেড় এলাকার মাদক চোরাচালান সিন্ডিকেট এর কারসাজি বলে অভিজ্ঞ মহল ধারনা করছেন। আবার কেউ কেউ বলছেন এক শ্রেণীর অসৎ রেল নিরাপত্তা কর্মীর সহযোগিতায় স্থানীয় মাদক কারবারিরা এই ফেন্সিডিল নিয়মিত মাল পরিবহন এর ওয়াগন এর মধ্যে ঢুকিয়ে দেশের অভ্যন্তরে চালান করছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে রেল ষ্টেশন এলাকায় এই মাদকের চালান আসে কোন দিক থেকে?
অভিজ্ঞমহল বলছেন বেনাপোল সীমান্ত এলাকার দীর্ঘ পথের বিভিন্ন রুট যেমন পুটখালী, দৌলতপুর, বড়আঁচড়া, সাদিপুর, রাঘুনাথুর, ঘিবা এলাকা দিয়ে ফেন্সিডিল সহ নানাবিধ মাদক সীমান্তের ওপার থেকে নিয়োমিত এপারে ঢুকছে। এই তো কমাস আগে বেনাপোল বাজার সংলগ্ন মহাসড়কের ওপর অনুষ্ঠিত মাদক বিরোধি সচেতনতা মুলক জনসমাবেশে মাদক বিরোধি গন সচেতনাতা মুলক জনসমাবেশে যশোর-১ (শার্শা) আসনের সন্মানিয় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন সহ শার্শার বিভিন্ন এলাকার জনপ্রতিনিধি, যশোর জেলা পুলিশ এর উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বিজিবির উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বৃন্দ প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছিলেন এই মুহুর্ত থেকে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলায়েন্স শুরু হলো। এখন থেকে শার্শা তথা বেনাপোল এলাকা পুরোপুরি মাদক মুক্ত থাকবে। কিন্তু এই ঘোষনা প্রত্যয় যে তিমিরে সেই তিমিরেই থেকে গেল। মাদকের কারবার বন্ধতো হলোই না বরং কমবেশি বেড়েই গেল। অভিনব সব কৌশলে মাদক আসা যাওয়া করতে লাগল। সচেতন জনগন প্রশ্ন রাখেন সত্যি কি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাদক কারবার পুরোপুরো বন্ধ করে দেওয়ার ব্যাপারে আন্তরিক?
৪৯ বেনাপোল বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার আব্দুল ওহাব,এই ফেন্সিডিল আটক সম্পর্কে বলেন সম্ভবত এই চালানটি সীমান্তের ওপার থেকে এসেছে। তবে যেহেতু আসামি পাওয়া যায়নি তাই এগুলো বিজিবির ঝুম ঝুমপুর সদর দপতরে পাঠানো হবে। তার এই বক্তব্যর প্রেক্ষপটে অভিজ্ঞমহলের মতামত হলো এই চালানটি সীমান্তের ওপার থেকেই যদি এসেই থাকে তবে এই চালানের গোপন সংবাদদাতা কি সীমান্তের ওপারেই থাকেন? নাকি এপারেই ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকার কেউ ? এসব প্রশ্নের উত্তর খুজতে যেয়ে সরেজমিন ষ্টেশন এলাকায় ঘোরাঘুরি করেই যে তথ্য উপাত্য পাওয়া গেল তা থেকে এটা পরিস্কার হয় যে, রেল নিরাপত্তা কর্মীদের কারো কারো সহযোগিতায় দীর্ঘদিন যাবৎ এই ধরনের কারবার চলছে।
Please follow and like us:









