১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৬শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • সকল সংবাদ
  • মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল মালেক রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেও অর্থনৈতিক দুর্দশায় পরিবর্তন হয়নি ভাগ্যের চাকা




মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুল মালেক রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেও অর্থনৈতিক দুর্দশায় পরিবর্তন হয়নি ভাগ্যের চাকা

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, নয়া আলো।

আপডেট টাইম : ডিসেম্বর ২৩ ২০১৯, ১৬:৪৯ | 803 বার পঠিত | প্রিন্ট / ইপেপার প্রিন্ট / ইপেপার

মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের সাব-সেক্টর কমান্ডার আবদুল মালেক ভূঁইয়া (৭৯)। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেও অথনৈতিক দুর্দশায় তাঁর পরিবারের ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন হয়নি। বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চরম অসহায় অবস্থার মধ্যে জীবন যাপন করছেন। মানবিক দিক বিবেচনায় দেশপ্রেমিক এ মুক্তিযোদ্ধাকে সরকারের বিশেষ সুবিধার আওতায় সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্বাধীন বাংলাদেশের স্বীকৃতি অর্জনের নেপথ্যে রয়েছে দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা সহ দেশের কৃষক, শ্রমিক, জনতাসহ সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের অপরিসীম ত্যাগ। ৩০ লাখ শহীদ ও দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের বিজয় অর্জনে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন। তেমনি এক মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক ভূঁইয়া। তাঁর বাড়ি কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার ভোলাইন গ্রামে। তাঁর পিতার নাম মৃত আবদুল হাকিম ভূঁইয়া এবং মাতার নাম মৃত আয়েশা খাতুন। চার ভাই, দুই বোনের মধ্যে আবদুল মালেক তৃতীয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

আবদুল মালেক যুদ্ধকালীন সাব-সেক্টর কমান্ডার। তাঁর নির্দেশে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়েছেন প্রায় অর্ধশত মুক্তিযোদ্ধা। তাদের মধ্যে কমপক্ষে ৬ জন পাক হানাদার বাহিনীর হাতে খুন হয়েছেন। দৃঢ়চেতা আবদুল মালেক ছিলেন অদম্য সাহসী। মুক্তিযুদ্ধে তার বুদ্ধিদীপ্ততায় এসেছে সফলতা। যে এলাকার দায়িত্ব পেয়েছেন সেই এলাকায় শত্রæ মুক্ত করেছেন।

মুক্তিযুদ্ধকালীন আবদুল মালেক ভূঁইয়া ছিলেন ২৪/২৫ বছরের টগবগে তরুণ। ইন্টারমিডিয়েটে পড়তেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশমাতৃকার টানে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ার প্রতিজ্ঞা করেন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ছাত্র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি সহপাঠীদেরকে যুদ্ধে যাওয়ার প্রেরণা যোগান।

১৯৭১ সালের ৫ কিংবা ৬ এপ্রিলে কুমিল্লার বৃহত্তর লাকসামের নাথেরপেটুয়ার বিনয়ঘর গ্রামে পাক বাহিনীর বাহিনী দলবলে এসে নিরীহ-নিপররাধ মানুষের উপর আক্রমন চালায়। হানাদার বাহিনী ৩০টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়। দুই জন বৃদ্ধ মানুষকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেন। এসংবাদ পেয়ে নিজেকে সংযত রাখতে পারছিলেন না প্রতিবাদী আবদুল মালেক। দুর্বার ছুটে যান বিনয়ঘর। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষের সাথে তিনিও যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ওই যুদ্ধে উল্লেখযোগ্য অন্যান্যদের মধ্যে সাবেক সচিব গোলাম মাওলা, লে. কর্নেল আবদুল কাদের, নজির আহমেদ ভূঁইয়াও অংশ নেন।

পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর তান্ডবলীলায় উত্তাল দেশ। দেশকে শত্রæমুক্ত করার প্রবল আগ্রহ আবদুল মালেকের। কলেজ হোস্টেলে থেকে যুদ্ধে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। ১৯৭১ সালের ৫ মে পরম শ্রদ্ধেয়া মায়ের দোয়া নিয়ে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে ভারত চলে যান। তার সঙ্গী ছিল ভিক্টোরিয়া কলেজের ১৫/১৬ জন সহপাঠী (ছাত্র)। আবদুল মালেক প্রায় তিনমাস ভারতে অবস্থান করে কাঠালিয়া, বড়মুড়া ও লোহারবন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণ শেষে দলবল সহ আবদুল মালেক ভারতের মেলাঘর ক্যাম্পে আসেন। ওইখানে কয়েকদিন থাকার পর জাতীয় চার নেতার সিদ্ধান্ত মোতাবেক মেজর হায়দার সবার হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে দায়িত্ব বন্টন করে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশনা দেন। অদম্য সাহস ও বিচক্ষণতার কারণে আবদুল মালেক ভূঁইয়া ২নং সেক্টরের ৪নং সাব সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব লাভ করেন। তাঁর নেতৃত্ব ছিল ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা।

দেশকে পাক হানাদার মুক্ত করার প্রত্যয়ে অস্ত্র হাতে নিয়ে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সীমান্ত দিয়ে আবদুল মালেক তাঁর দলবল নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। নিরাপদ আশ্রয়ে থেকে যেখানে পাক হানাদার বাহিনীর তান্ডবলীলার সংবাদ পেয়েছেন সেখানেই তিনি দলবল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। ১৯৭১ সালের পহেলা রমজানে বৃহত্তর লাকসামে গৈয়ারভাঙ্গায় পাক হানাদার বাহিনীর তান্ডবের কথা শুনে দলবল নিয়ে সেখানে ছুটে যান। শুরু হয় তুমুল যুদ্ধ। ওই যুদ্ধে আবদুল মালেক কমান্ডারের নেতৃত্বাধীন গ্রæপের হারুন, মোকলেছসহ ৬জন মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়। হৃদয়বিদারক ঘটনায় আবদুল মালেক কমান্ডারের মন খারাপ হলেও প্রাণপণ লড়াই করে যান। শেষ পর্যন্ত পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করতে সক্ষম হন।

এরই মধ্যে শুনতে পান বৃহত্তর লাকসামের দক্ষিণাঞ্চলের বর্তমানে নাঙ্গলকোটের জোড্ডা ও দৌলখাঁড় ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে পাক হানাদার বাহিনীর তান্ডবের খবর। সেক্টর কমান্ডার আবদুল মালেক দলবল নিয়ে চলে যান জোড্ডা ইউনিয়নের গোহারুয়া গ্রামে। সেখানে বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক ও নিউজ টুয়েন্টিফোর এর সিইও নঈম নিজামদের বাড়িতে কিছুদিন অবস্থান করেন। নঈম নিজামের পরিবার সহ আশে-পাশের বাড়ি থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হতো। এখান থেকেই আবদুল মালেক কমান্ডার দলবল নিয়ে ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধে অংশ নেন। মালেক কমান্ডারের সাথে যুদ্ধে যোগ দেন নঈম নিজামের ভাই আলী আশরাফ ও মামা দেলোয়ার হোসেন।

হঠাৎ একদিন সেক্টর কমান্ডার আবদুল মালেক খবর জানতে পারেন, বটতলি বাজারে দোকানপাটে পাক হানাদার বাহিনী আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দিচ্ছে। নিরীহ-নিরপরাধ মানুষের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে। আবদুল মালেক কমান্ডার সাংবাদিক নঈম নিজামের ভাই আলী আশরাফ, মামা দেলোয়ার হোসেন সহ দলবল নিয়ে বটতলি বাজারে গিয়ে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন। শেষ পর্যন্ত হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করেন।

আবদুল মালেক ভূঁইয়া সাব সেক্টর কমান্ডার হিসেবে সফলতা ও বুদ্ধিমত্ত¡া দিয়ে নেতৃত্ব দিয়ে বৃহত্তর লাকসামের দক্ষিণাঞ্চল তথা নাঙ্গলকোটকে পাক হানাদার বাহিনী মুক্ত করেন। ১১ ডিসেম্বর লাকসামে পাক হানাদার বাহিনীর মিনি ক্যান্টনমেন্ট খ্যাত লাকসামের থ্রি-স্টার সিগারেট ফ্যাক্টরিতে থাকা শত্রæদের সাথে যুদ্ধ করে লাকসাম থেকেও বিতাড়িত করতে ভূমিকা রাখেন। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খান সমস্ত পাকিস্তানি সৈন্যদের নিয়ে রেসকোর্স ময়দানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও যৌথ বাহিনীর কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিজয় অর্জনের সংবাদে আবেগাপ্লুত হয়ে বিজয়ের আনন্দে উল্লাসিত হয়ে উঠেন মুুক্তিযুদ্ধে সফল নেতৃত্বদানকারী আবদুল মালেক কমান্ডার।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্বীকৃতির খবর পেয়ে আবদুল মালেক কমান্ডার স্বজনদের কাছে ফিরেন। যুদ্ধ করে দেশকে শত্রæমুক্ত করায় মা আয়েশা খাতুন তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে দোয়া করেন।

দেশ স্বাধীনের পর আবদুল মালেক রাষ্ট্রীয় সকল স্বীকৃতি পেয়েছেন। তাঁর গেজেট নং ১৮৬১, তারিখ: ১৮/১১/২০০৪ইং। ভারতীয় তালিকা নং/লাল মুক্তিবার্তা নং ০২০৪০৬০০২৯ (লাল বই)। বামুদ সনদ/সাময়িক সনদ নং ভারতীয়-৩০৯১৪, প্রধানমন্ত্রীর সনদ ক্রমিক- ১৭৪৭৪, তাং- ৩০/৮/১৯৯৯ইং, ম-১৫৯৪৮০, স্মারক: মু/বি/সা/কুমিল্লা/প্রঃ৩/১৯/২০০২/৮০৭৩, তাং-১৮/১১/২০০৪ইং।

আবদুল মালেক কমান্ডার অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের মতো পাচ্ছেন রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা। একজন সেক্টর কমান্ডার হিসেবে তিনি নাঙ্গলকোট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডারের দায়িত্ব পাওয়ার কথা থাকলেও তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে বারবার। বিগতদিনে পাননি সরকারের বিশেষ কোন সুবিধাও।

মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেকের বাড়ি গিয়ে দেখা যায় দুর্দশার চিত্র। চারবার ষ্টোক করেছেন দেশপ্রেমিক এ মুক্তিযোদ্ধা। ভূগছেন বার্ধক্যজনিত নানা রোগে। চার ছেলে ও চার মেয়ে সন্তানকে নিয়ে চরম অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করছেন। ছেলেদের আয়-রোজগার বলতে ‘হ্যান্ড টু মাউথ’। তিন মেয়ে ডিগ্রী পাশ করলেও মাত্র একমেয়ের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরি হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেকের তেমন সহায় সম্পত্তি নেই। বসতবাড়িতে জরাজীর্ণ টিনের ঘরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বসবাস করেন। সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরে পানি পড়ে। বাড়ি যাওয়ার রাস্তাটির অবস্থা বেহাল হওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করেন।

মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক জানান, বঙ্গবন্ধু ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি, স্বাধীন দেশ পেয়েছি- এটাই বড় প্রাপ্তি। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতবারই ক্ষমতায় এসেছেন ততবারই মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। ’৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাসিক ৩০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান শুরু করেছন। এ ভাতা আজ ১২ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অত্যন্ত সন্মানের। প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে আরো কল্যাণকর পদক্ষেপ নেবেন বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক কমান্ডারের ছেল মতিউর রহমান মানিক বলেন, আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা- এ পরিচয়ে আমরা গর্বিত। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে এলাকাবাসী আমার বাবার নামে তুগুরিয়া-নাঙ্গলকোট সড়কটি নামকরণের দাবি জানান। কিন্তু এ দাবিটি আজো বাস্তবায়ন হয়নি। এ দাবি বাস্তবায়নের তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে বোরহান উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেকের অবদানে আমরা নাঙ্গলকোটবাসী গর্ববোধ করি। তাঁর নেতৃত্বে আমার বাবাও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক সহ সকল মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানে প্রধানমন্ত্রী-জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন বলে আমি প্রত্যাশা করি।

সচেতন নাগরিক কুমিল্লার আঞ্চলিক পত্রিকা সময়ের দর্পণ সম্পাদক এ.এফ.এম শোয়ায়েব বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক পরিবার-পরিজন ছেড়ে জীবনবাজি রেখে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করলেও অর্থনৈতিক সমস্যা আবদুল মালেক কমান্ডার আজ চরম অসহায় অবস্থার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। মানবিক দিক বিবেচনায় সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নাঙ্গলকোট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসহাক মিয়া বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সাব সেক্টর কমান্ডার আবদুল মালেকের নেতৃত্বে আমি নিজেও যুদ্ধ করেছি। মুক্তিযুদ্ধে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করলেও তাঁর দুভাগ্য যে, ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। অনেক অসহায় অবস্থান মধ্যে তিনি পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবন যাপন করছেন। বর্তমান সরকার তাকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লামইয়া সাইফুল বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে খুবই আন্তরিক। মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক কমান্ডার কোন সমস্যার বিষয়ে আবেদন করলে সরকারি বিধি মোতাবেক সকল সুযোগ সুবিধা প্রদানে পদক্ষেপ নেয়া হবে।
ক্যাপশন: মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক কমান্ডার।

Please follow and like us:

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি- আলহাজ্ব আবদুল গফুর ভূঁইয়া,সাবেক সংসদ সদস্য, প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৬০১৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত।

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET