এম মনসুর আলী সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
৭১’র রণাঙ্গণের বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষানুরাগী, এনজিও’র পরিচালক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সরাইল বড় দেওয়ান পাড়ার জিয়া উদ্দিন ঠাকুর (৭১) ওরফে জিয়ন ঠাকুর আর নেই। গত সোমবার রাতে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার বাদ যোহর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়েছে। পারিবারিক সূত্র জানায়, মুক্তিযোদ্ধা জিয়া উদ্দিন ছিলেন সরাইলে আধুনিক কিন্ডার গার্টেন শিক্ষার প্রণেতা। ১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি অত্যাধুনিক ভাবে মানসম্মত শিক্ষার লক্ষ্যে নিজ গ্রাম বড় দেওয়ান পাড়ায় ‘কিশলয় বিদ্যানিকেতন’ নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। সেটি দ্রুত গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি সরাইল রাহমাতুল্লিল আল-আমীন মাদরাসার সভাপতিও ছিলেন। এছাড়া তিনি ‘উজ্জীবন কেন্দ্র’ নামক একটি এনজিও’র প্রতিষ্ঠাতা। সরাইলের সাংস্কৃতিক জগতেও ছিল তার বিচরণ। সমাজের গুরুত্বপূর্ণ এ ব্যক্তিটি সোমবার রাতে নিজ বাস ভবনে হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহিরাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ২ ছেলে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গতকাল বাদ যোহর সরকারি অন্নদা স্কুল মাঠে ইউএনও’র প্রতিনিধি সমাজসেবা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে, কমান্ডার মো. ইসমত আলী ও ডেপুটি কমান্ডার মো. আনোয়ার হোসেনের অংশ গ্রহনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেয়া হয়। পরে সহ¯্রাধিক লোকের অংশ গ্রহনে অনুষ্ঠিত জানাযার পর তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান, সরাইল কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল হক, সরাইল মহিলা কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিষদের সভাপতি মো. আইয়ুব খান, সরাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খান, শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিব কুমার দেবনাথ ও এনজিও প্রতিনিধি সুকের পরিচালক মোমিন হোসেন।









