২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২ই রজব, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • নারী ও শিশু
  • রাজশাহীতে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ।

রাজশাহীতে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ।

হুমায়ন আরাফাত, আশুলিয়া করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : মে ৩০ ২০১৭, ১১:২০ | 677 বার পঠিত

নাজিম হাসান,রাজশাহী থেকে:

রাজশাহীর মোহনপুরে এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের ১০ দিন অতিবাহিত হলেও আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারে নি পুলিশ। বাদিপক্ষ বারবার পুলিশের কাছে ধরনা দিলেও পুলিশ অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেপ্তারে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। গতকাল রাজশাহী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন ভিকটিমের মা ও মামলার বাদি নিলুফা ইয়াসমিন। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তিনি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার একটি ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য। তাদের এলাকায় মোহনপুরের বাকশৈল গ্রামের সাত্তারের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (২৫) পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ করতো। বাদির বাড়িতে সাজ্জাদ হোসেনের যাতায়াতও ছিলো। বাড়ির অন্য সদস্যদের সাথে একধরনের সখ্যও গড়ে ওঠে সাজ্জাদের। এই সুযোগ নিয়ে ওই বাড়ির ১৫ বছর বয়স্ক একটি মেয়েকে বিয়ের প্রলভন দিয়ে সাজ্জাদ একাধিকবার ধর্ষণ করে। বাড়ির অন্য সদস্যরা তাদের প্রয়োজনে অন্যত্র গেলেই সাজ্জাদ বাড়ি প্রবেশ করে এবং ওই কিশোরীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। সর্বশেষ গত ১৭ মার্চও ধর্ষণ করে সাজ্জাদ।একপর্যায়ে ওই কিশোরী তার মায়ের কাছে ঘটনা সব খুলে বলে। এরপর ঘটনাটি সাজ্জাদের পরিবারকে জানানো হয়। সাজ্জাদের পরিবার তখন মামলা না করার জন্য অনুরোধ করে। উভয় পরিবার তখন আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সাজ্জাদের সাথে ওই কিশোরীর বিয়ে দিতে সম্মত হয়। গত ১৯ মে বিবাহের দিন ধার্য হয় এবং সাজ্জাদের মা ওই কিশোরীকে নাকফুল পরিয়ে আসেন। কিন্তু ১৯ তারিখ আসার আগেই জানিয়ে দেয়া হয় সাজ্জাদ বিয়ে করছে না। তখন বাধ্য হয়ে ওই কিশোরীর মা ১৮ মে ২০১৭ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মোহনপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। কিন্তু এখনো আসামি গ্রেপ্তার হয় নি। গত ২১ মে রাজশাহীর কোর্টে জবানবন্দি দিয়ে ফেরার পথে সাজ্জাদের লোকজন ভিকটিম ও তার মায়ের ওপর হামলা চালায়। ফলে পরদিন বাধ্য হয়ে আরো একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয় মোহনপুর থানায়। কিন্তু এই মামলায় সাজ্জাদ, তার বাবা, মা আসামি হলেও তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, ভিকটিমের মেডিকেল টেস্ট করানো হয়েছে। এখনো রিপোর্ট পাওয়া যায় নি। অন্যদিকে আসমিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদেরকে গ্রেপ্তার করার জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তির সহযোগিতা নেয়া হচ্ছে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4384077আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 7এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET