রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নবজাতক, শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ অাবদুল্লাহ অাল-অামিন চেম্বারে প্রতিদিন রুগীর উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। তিনিও দায়িত্ববোধ থেকে নিদিষ্ট সময় হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে নিদিষ্ট সময় পর্যন্ত অান্তরিকতার সহিত রুগীদেরকে যথাযথ সেবা দিয়ে থাকেন। এতে উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে অাসা গরীব ও অসহায় রুগীরা খুশি। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তিনি প্রতিদিন দেড়শত থেকে দুইশত রোগী দেখেন। সমেষপুর গ্রাম থেকে অাসা হাসিনা অাক্তার, শোশালিয়া গ্রাম থেকে অাসা সালমা, পরান বেগম, কেথুড়ী গ্রাম থেকে অাসা মরিয়ম, রিনা বেগম, দেহলা গ্রাম থেকে বেগম,অাথাকরা গ্রাম থেকে অাসা শামসুন্নাহার, মুক্তারপুর গ্রাম থেকে অাসা কবির হোসেন, সিরুন্দী গ্রাম থেকে অাসা অানোয়ারসহ প্রায় অর্ধশত রুগীরা জানান, হাসপাতালে অন্য ডাক্তারদেরকে সব সময় পাওয়া যায় না, তারা বেশীভাগ সময় প্রাইভেট চেম্বারে থাকেন,কখনও অাসলে অল্প সময় হাসপাতালে থাকেন । কিন্তু ডাঃ অাবদুল্লাহ অাল অামিনকে সব সব সময় পাওয়া যায়। তিনি রুগীদেরকে অান্তরিকতার সহিত চিকিৎসা দিয়ে থাকেন এতে সবাই খুশি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের নিকটবর্তী কয়েকজন বাসিন্দা জানান, হাসপাতালের বেশীরভাগ ডাক্তার সকাল ৯টার সময় এসে ডিজিটাল স্বাক্ষর করে কিছুক্ষন থেকে বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানী এমঅারদের গাড়ীতে করে তাদের প্রাইভেট চেম্বারে চলে যায় । পাকে পাকে এসে খুব দ্রুত গতিতে কিছু রুগী দেখে অাবার চলে যায়। এ সমস্ত ডাক্তাদের একেকজনের ১০ থেকে ১৫টি করে প্রাইভেট চেম্বার রয়েছে। এভাবে দীর্ঘদিনের এ অনিয়মের ফলে সরকারী হাসপাতাল বিমূখ রুগীরা ডাঃ অাবদুল্লাহ অাল অামিন অাসা থেকে ভাল চিকিৎসা ও সেবা পেয়ে হাসপাতাল মুখী হয়েছে। এখন প্রতিদিন হাসপাতালে শত শত রুগী অাসে।









