৩১শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার, ১৬ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • রাজনীতি
  • রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে সুন্দরবন ধ্বংস হয়ে যাবে

রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে সুন্দরবন ধ্বংস হয়ে যাবে

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : সেপ্টেম্বর ০২ ২০১৬, ০২:১১ | 641 বার পঠিত

29908_f7ডেস্ক রিপোর্ট- রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিরোধিতা করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, যেসব গোপন চুক্তির কথা  শুনতে পাই তা জনগণের স্বার্থে নয়। সবগুলোই দেশের স্বার্থবিরোধী। এমন চুক্তিও হয়েছে যা অনেকে জানে না। যেমন রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মতো দেশবিরোধী চুক্তি। আমরা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরোধী নই কিন্তু সেটা এমন জায়গায় হতে হবে যা মানুষ ও পরিবেশের ক্ষতির কারণ হবে না। আমরা মনে করি রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আমাদের পরিবেশ ও মানুষের ক্ষতির কারণ হবে। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে সুন্দরবন ধ্বংস হয়ে যাবে। সুন্দরবনের কাছে বিদ্যুৎকেন্দ্র হওয়া উচিত নয়।
দলের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল বিকালে রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। রামপাল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, রামপাল নিয়ে অনেক দম্ভ করেছেন। অনেক আজেবাজে কথা বলেছেন। কিন্তু আমাদের কোনো পয়েন্টের সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, আমাদের প্রতিবেশী দেশের সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। তাই তারা জনগণের স্বার্থের বাইরে কিছু করে না। জনমতের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না। আজ যে প্রকল্পটি রামপালে করার চেষ্টা হচ্ছে সেটা ভারতের কয়েকটি জায়গায় করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু সরকার তাদের অনুমতি দেয়নি। অথচ তার চেয়ে খারাপ প্রপোজাল নিয়ে তারা আমাদের এখানে এসেছে। সরকার তাদের সঙ্গে চুক্তির আগে প্রপোজালটি একবার ভালো করে পড়েও দেখেনি। তিনি বলেন, এ প্রকল্পের জন্য কয়েকটি আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থা ঋণ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। কেবল ভারতের এক্সিম ব্যাংকই চড়া সুদে এ ঋণ দিচ্ছে। সেখানে চুক্তি হয়েছে, লাভ হলে অর্ধেক অর্ধেক আর লোকসান হলে পুরোটাই বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হবে। আসলে এটা তো একটি লোকসানী প্রকল্প হবে। আর তা আমাদের জনগণের ঘাড়ের ওপর চাপবে। রামপাল প্রকল্পে ঋণের ১৫ বছরের চুক্তির কথা উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, ১৫ বছরে আমরা কে কোথায় থাকবো একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না। সরকার এমন নির্যাতন-নিপীড়ন করছে, এমন অন্যায় জুলুম করছে সময় হলে আল্লাহ এমন বাড়ি দেবে আওয়ামী লীগ উঠে দাঁড়াতে পারবে না। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা হাততালি দিলে খালেদা জিয়া বলেন, এখানে হাততালি দিচ্ছেন কিন্তু সেদিন আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবো। বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে খালেদা জিয়া বলেন, আজকে সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে এই আওয়ামী লীগ। দেশে যদি গণতন্ত্র সচল না থাকে তাহলে কোনো প্রতিষ্ঠান থাকতে পারে না। আর প্রতিষ্ঠান সচল না থাকলে গণতন্ত্রও থাকতে পারে না। যেখানে ন্যায়বিচার থাকে না, গণতন্ত্র থাকে না, সেখানে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটে। তিনি বলেন, এই আওয়ামী লীগের সময়ই জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছিল প্রথম। মনে পড়ে আপনাদের, যশোরের উদীচীসহ আরো বিভিন্ন জেলাতে এ রকম ঘটনা আমরা ঘটতে দেখেছি। কিন্তু কোনো অপরাধী ধরা পড়েনি। কোনো জঙ্গি ধরা পড়েনি। খালেদা জিয়া বলেন, আমাদের সময়েও বোমাবাজি হয়েছে। তবে আমরা জেএমবি, হরকাতুল জিহাদসহ জঙ্গি সংগঠনগুলো নিষিদ্ধ করেছি। বাংলা ভাই, শায়খ আবদুর রহমানদের জীবিত ধরেছি। পুলিশ এবং র‌্যাবই তাদের জীবিত ধরেছিল। তারপর আদালতে তাদের বিচার ও শাস্তি হয়েছে। জঙ্গিদের বিচারের মুখোমুখি না করে হত্যা করার ব্যাপারে প্রশ্ন রেখে খালেদা জিয়া বলেন, জঙ্গি বলে যাদের ধরা হয় তাদের গুলি করে মারা হয় কেন? নিশ্চয়ই এর মধ্যে কোনো রহস্য আছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, আমাদের দলের নেতাকর্মীদের বলতে চাই, আমরা সবসময় দেশের স্বার্থ রক্ষা করব। দেশের স্বার্থবিরোধী কিছু করব না। সবসময় মাথা উঁচু করে চলবো, মাথা নিচু করে নয়। পেছনের দরোজা দিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে দেশের স্বার্থ বিক্রি করবো না। পেছনের দরোজা দিয়ে ক্ষমতায় যাবার রাজনীতি করবো না, কেউ করলে সমর্থনও করবো না। তিনি বলেন, কোনো অরাজকতা-বিশৃঙ্খলা-হট্টগোল নয়, যা নির্দেশ দেয়া হবে সাহস নিয়ে এবং শান্তিপূর্ণভাবে তা পালন করতে হবে। আমরা এগিয়ে যাবো। ইনশাআল্লাহ, এর সুফল বাংলাদেশের মানুষ পাবে। এই দেশে হারানো গণতন্ত্র আবার ফিরে আসবে। বিএনপি চেয়ারপারসন তার বক্তব্যে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বৈষম্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, এটা কোনো বন্ধুত্বের আচরণ হতে পারে না। বন্ধু হলে যে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা যাবে না তা কোনো বন্ধুত্ব নয়, আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের প্রাপ্য আদায় করা উচিত। আমরা বিশ্বাস করি আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব। নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে বিএনপি চেয়ারপারসন বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন বলে আখ্যায়িত করেন। খালেদা জিয়া বলেন, একটি সদ্যস্বাধীন দেশকে অর্থনৈতিকভাবে গড়ে তুলতে যেসব পদক্ষেপ নেয়ার দরকার স্বাধীনতা পরবর্তীকালীন সরকার সেসব পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছিল। যার কারণে দেশে নেমে এসেছিল অরাজকতা। দেশে জন্ম হয়েছিল রক্ষীবাহিনীর মতো নানা বাহিনী। যার প্রেক্ষিতে দেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল আর তৎকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে আখ্যায়িত করেছিলেন তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, জিয়াউর রহমান চেয়েছিলেন স্বাধীন দেশে সবাই মিলেমিশে থাকবো। বিশ্বকে দেখাবো বাংলাদেশ কত দ্রুত উন্নতির দিকে অগ্রসর হতে পারে। তাই তিনি প্রথমেই গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন। দেশে যত ধরনের রাজনৈতিক দল ছিল সবাই যেন রাজনীতি করতে পারে। যাতে আন্ডারগ্রাউন্ড পার্টি না হয়। খালেদা জিয়া বলেন, আপনারা দেখবেন তার কেবিনেটে ছিল ভালো, যোগ্য ও দক্ষ লোকেরা। তিনি কৃষক-শ্রমিক-বুদ্ধিজীবী সব শ্রেণির সঙ্গে আলোচনা করতেন। তাদের কাছে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ নিয়ে তারপর তা সমাধানের উদ্যোগ নিতেন। তার সময়ের পরিকল্পনাগুলো এখনও সময়োপযোগী হিসেবে বিবেচিত। জিয়াউর রহমান অল্প সময়ে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। তার কয়েক বছরের আমলে দেশের চেহারা পাল্টে গিয়েছিল। এ সময় শিল্প-কারখানায় উৎপাদন বাড়াতে বেসরকারিকরণ, নারীর কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ, ছাত্রসংসদ নির্বাচন, সার্ক গঠনসহ জিয়াউর রহমানের নানা কর্মযজ্ঞের উল্লেখ করেন খালেদা জিয়া। বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা বিএনপি প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষিত, জাতীয়তাবাদী রাজনীতির উপযোগিতা, দীর্ঘ তিন যুগের নানা চড়াই-উৎরাইয়ের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যের আগে দলের কমিউনিকেশন উইংয়ের উদ্যোগে একটি মাল্টিমিডিয়া প্রোজেকশনের উদ্বোধন করেন। সেখানে বিএনপির একটি সমৃদ্ধ ওয়েবসাইট, অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ, অফিসিয়াল টুইটার, ইউটিউব, ব্লগ এবং চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত টুইটার রয়েছে। মাল্টিমিডিয়া প্রোজেকশনের মাধ্যমে ইন্টারনেটভিত্তিক এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপির কর্মকাণ্ডের একটি ভিডিওচিত্র দেখানো হয়। এর আগে গতকাল সকালে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত টুইটার থেকে প্রথমবারের মতো টুইট করা হয়।
জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা
বিএনপির ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে নেতাকর্মীদের নিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গতকাল সকাল ১১টা ২০ মিনিটে তিনি এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা জানানোর পর জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতেও অংশ নেন তিনি। এ সময় খালেদা জিয়ার সঙ্গে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, আসম হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, রুহুল আলম চৌধুরী, আহমেদ আজম খান, গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জয়নুল আবদীন ফারুক, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবীর খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক মিলন, সানাউল্লাহ মিয়া, সহযোগী সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতাদের মধ্যে- মীর সরফত আলী সপু, সাইফুল আলম নিরব, নুরী আরা সাফা, শিরিন সুলতানা, হাফেজ আবদুল মালেক ও রফিকুল ইসলাম মাহতাবসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় নেতা-কর্মীরা ‘শুভ শুভ জন্মদিন, বিএনপির জন্মদিন’, ‘লও লও লও সালাম, জিয়া তুমি লও সালাম’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। এদিকে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার পর দেশে যে রাজনৈতিক শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছিল ওই শূন্যতা পূরণের জন্যই বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আজ দেশ গণতন্ত্রবিহীন অবস্থায় চলছে। স্বৈরাচারী শাসকেরা জনগণের অধিকার হরণ করেছে। তারা বিরোধী রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিএনপির ওপরে নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে এই দলকে নির্মূল করে দিতে চায়। তিনি বলেন, আমরা বলতে চাই, বিএনপি জনগণের সমর্থিত রাজনৈতিক দল, সেই কারণে বিএনপি কখনোই পরাজিত হবে না। বিএনপি প্রতিবারই বিভিন্ন বাধা উপেক্ষা করে প্রতিকূল অবস্থার মধ্য দিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এবারও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জনগণের সক্রিয় সহযোগিতায় আমরা অবশ্যই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হব। এই হচ্ছে এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শহীদ জিয়ার মাজারে আমাদের শপথ। ওদিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ভোরে নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কাযার্লয় ও গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে বিশেষ ক্রোড়পত্র ও পোস্টার প্রকাশ করা হয়।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4657942আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 6এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET