৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৮ই রজব, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-

লাকসাম রেলওয়ে জংশন যাত্রী বিশ্রামাগার প্রসূতি ঘরে পরিনত!!

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : অক্টোবর ১২ ২০১৬, ১৬:৪৫ | 641 বার পঠিত

laksam-picমো: জিল্লুর রহমান লাকসাম প্রতিনিধি-
লাকসামে অতি প্রশংসনিয় খ্যতি সম্পুর্ন্য যাহা বাংলাদেশের অন্যতম ৩য় বৃহত্তম রেলওয়ে জংশন নামে সুপরিচিতি । যেখান থেকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন মানুষের চলাচল রয়েছে বিদায় অনেক সুনাম ও সম্মান অপরিসীম।
সরজমিনে দেখা যায় কিছু অদক্ষ কর্মকর্তা, কর্মচারীর কারনে খ্যাতি সম্পুর্ন্য লাকসাম রেলওয়ে জংশনের সুনাম বিলীনের পথে। প্রয়োজনীয় নিয়ম কানুন যথাযথ শৃংখলা এবং দক্ষ কর্মকর্তা, কর্মচারীর অভাবে লাকসাম রেলওয়ে জংশনের সুপরিচিতি লন্ঠিত হচ্ছে।
জানা যায়, প্রয়োজনের ক্ষেত্রে লাকসামসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ ব্যবসায়ি ও ব্যক্তিগত পেশায় লাকসাম রেলওয়ে জংশন থেকে চট্রগ্রাম, নোয়াখালী, চাঁদপুর ও ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলা যাত্রী সাধারন যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু ঐতিহ্যগত সুনামধন্য লাকসাম জংশনের একি বেহালদসা।
লাকসাম জংশনে যাত্রীদের বসার এবং দুরদুরান্ত থেকে আশা যাত্রীদের বিশ্রামের জন্য দুটি বিশ্রামাগার থাকলেও তাতে যাত্রীরা কোন রকম সুবিধা ভোগ করতে পারছেনা। কারন প্রথম শ্রেনির বিশ্রামাগারটি সারাক্ষণ বন্ধ থাকে। অপরদিকে ২য় শ্রেণীর বিশ্রামাগারটি ময়লা আবর্জনা দুর্গন্ধ ও যাত্রীদের বিশ্রামের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র না থাকার কারনে যাত্রী সাধারন ট্রেনের জন্য বাহিরে দাড়িয়ে থাকে বা বিভিন্ন দোকানে বসে অপেক্ষা করতে দেখা যায় ।এতে যাত্রীদের মালামাল হারানো সহ ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছে। এছাড়া ও লাকসাম রেলওয়ের কিছু র্কমকর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারা বলেন, কয়েক দিনের ব্যবধানে ২য় শ্রেণীর বিশ্রামাগারটিতে দুইজন প্রসূতি মা দুটি সন্তান প্রসব করেন।যার একজন এখনও ফ্লোরে সন্তানসহ শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। এতে বিশ্রামাগারটি রীতিমত প্রসূতিঘরে পরিনত হয়েছে। বিশ্রামাগারটি ভিতরে এমন ময়লা দূর্গন্ধ যুক্ত অবস্থায় আছে। যে তার সামনে দিয়ে নাকে হাত দিয়ে চলাচল করতে হয়। এ চিত্র দেখে অনেক পথচারী যাত্রী সাধারন বলেন লাকসাম রেলওয়ে জংশনে কোন কর্মকর্তা থাকেনা বা আসেনা। এটা দেখবে কে অনেকের প্রশ্ন?
লাকসাম রেলওয়ে জংশনের মাষ্টার জালাল উদ্দিনের সাথে প্রতিবেদক এ বিষয়ে কথা বললে তিনি জানান-১ম শ্রেনীর বিশ্রামাগারটি যাত্রী থাকলে খুলে দেওয়া হয় তা না হলে বন্ধ রাখা হয়। কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ ১ম শ্রেনীর বিশ্রামাগারটিতে ঢুকে ময়লা করে রাখে যার করনে বন্ধ রাখা হয়। ২য় শ্রেণীর বিশ্রামাগারটির ব্যাপারে তিনি বলেন কয়েকবার করে পরিস্কার করার পরও নোংরা করে ফেলে এবং টয়েলেটের সেনেটারি লাইন নষ্ট করে ফেলায় তা আর ঠিক করা হয়নি। ফলে ট্রেন যাত্রীদের বসার সুবিদার্তে¡ বাহিরে চেয়ার দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদক দুইটি বিশ্রামাগার থাকা শর্তে ও ট্রেন যাত্রীদের বসার ব্যবস্থা বাহিরে কেন জানতে চাইলে ষ্টেশন মাষ্টার তার কোন সুস্থ জবাব না দিয়ে এড়িয়ে যান।
এব্যপারে দায়িতে¦ থাকা রেলওয়ে স্যানেটারী ইন্সপেক্টর মানিক চন্দ্র দাস এর সাথে এসব বিষয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কোন সংযোগ পাওয়া যায় নাই।
লাকসাম রেলওয়ে জংশনের পরিস্কার পরিচন্ন রাখার জন্য ২৬জন কর্মচারি থাকা শর্তে ও জংশনের এই দুরবস্থা । রেলওয়ের জংশনের বিশস্থ সূত্রে জানাযায় ১০/১২জন রীতিমত কাজ করলেও বাকিরা সবাই স্যানেটারী
ইন্সপেক্ট মানিক চন্দ্র দাসকে মাসিক চাঁদা দিয়ে নিজ নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রেল প্রশাসন ও রেলের উধর্¦তন কর্মকর্তা এবং রেলওয়ে জংশন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন অতি প্রয়োজন।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4397274আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 14এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET