৮ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার, ২৩শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৩শে রজব, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-

শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজেই যেনো রুগী

সোহাগ হোসেন, বেনাপোল,যশোর করেসপন্ডেন্ট।

আপডেট টাইম : ডিসেম্বর ০১ ২০২০, ১৫:৩৮ | 676 বার পঠিত

যশোরের শার্শা উপজেলায় এক মাত্র সরকারি সেবা দানকারী কেন্দ্র ৫০শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবলের অভাবে নিজেই যেনো রুগী সেজে বসেছে। সেখানে একমাত্র এ্যাম্বুলেন্স সেটাও চলার পথে মুখথুবড়ে পড়ে।এতে প্রতিনিয়ত রুগীদেরকে পড়তে হয় বিপাকে।
এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি ঘুরে দেখা যায় পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে রুগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। গোটা হাসপাতাল জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রুগীর ব্যবহারিত গজ ব্যান্ডেজ সহ ময়লা আর্বজনা।এতে  র্দূগন্ধে রুগীরা টিকতে পারছে না হাসপাতালে। এছাড়া হাসপাতালে কর্মরত কর্মচারী এবং রোগীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা না থাকার কারণে করোনা ঝুঁকির মধ্যে মাস্ক বিহীন অবস্থায় চলছে সকল কার্যক্রম।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূএে জানা যায়, হাসপাতালটিতে জুনিয়ার কনসালটেন্টর ১০টি পদের মধ্যে সব কয়টি শূন্য। মেডিকেল অফিসারের ১০টির মধ্যে আছে মাত্র ৩টি। ফলে সকাল ৯টায় আসা রোগী দুপুর পর্যন্ত পাচ্ছে না কোন কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্য সেবা। এছাড়া বিগত প্রায় ১২ বছর ধরে  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক মাত্র এ্যাম্বুলেন্স তাও সেটি চলার পথে মুখ থুবড়ে পড়ে। এতে প্রতিনিয়ত রোগীদের কে পড়তে হয় বিপাকে।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্স চালক
মুহাম্মদ সাদেক হোসেন জানান, দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর ধরে আমি একাই এই এ্যাম্বুলেন্সটি চালিয়ে আচ্ছি। এই এ্যাম্বুলেন্সটি জরাজীর্ণ অবস্থায় চলছে ফলে প্রতি নিয়ত রুগীদের বহনের সময় পথের মধ্যে  এ্যাম্বুলেন্সেটি নষ্ট হয়ে যায়। এতে করে এখান থেকে রেফারকৃত রুগী  ঠিক সময় মতো নিদিষ্ট হসপিটালে নেওয়া যায় না।
সেবা নিতে আসা রুগীর স্বজন আছমা খাতুন জানান, আমরা সকাল ৯ টার সময় এসেছি এখন দুপুর ১ টা বাজে কিন্তু  এখনো পর্যন্ত আমার রুগীর কোনো সেবা পায়নি। জানিনা কখন আমাদের সেই কাঙ্ক্ষিত সেবাটি পাবো বলে এমন আক্ষেপ করেন তিন।
এদিকে আরো কয়েকজন রুগীর স্বজনরা জানান, আমাদের এই শার্শা উপজেলায় এটিই এক মাত্র স্বাস্থ্য কেন্দ্র। এখানে জরুরী ভিত্তিতে রুগী নিয়ে আসলে ডাক্তার সংকটের কারনে ঠিক মতো কাঙ্ক্ষিত সেবাটি আমরা পায়না।
তারা আরো জানান, এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসলে গোটা হাসপাতাল জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে রুগীর ব্যবহারিত গজ ব্যান্ডেজ সহ ময়লা আর্বজনা। এবং সেই ময়লা আর্বজনার মধ্যে দিচ্ছে রগীর সেই কাঙ্ক্ষিত সেবাটি। এতে  র্দূগন্ধে রুগীরা টিকতে পারেনা। আর আমরা যারা রোগীর সাথে আসি এই র্দূগন্ধে নিজেরাই অসুস্থ হয়ে যায়।
শার্শা উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ইউসুফ আলী জানান, আমাদের জনবল কম থাকায় রুগীদের সেবায় কিছুটা বিঘ্নতা ঘটছে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এবং আমাদের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীও কম রয়েছে। এজন্য আমাদের স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কিছুটা অপরিষ্কার রয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা উর্ধতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবহিত করেছি। আশাকরছি খুব দ্রুত এসব সমস্যা সমাধান হবে।
Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4408028আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 3এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET